ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডেমরায় শিপু মেকওভার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন Logo প্রথম সেশন বাংলাদেশের Logo কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত Logo দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল Logo নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার Logo পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ Logo যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

ভারতের সঙ্গে ‘জিততে জিততে হারে’র হতাশা ভুলতে চায় বাংলাদেশ

প্রতিনিধির নাম :

কখনো শেষ ওভার, কখনো শেষ বল। ভারতের বিপক্ষে বারবার শেষে গিয়ে ভরাডুবি করছে বাংলাদেশ। একই দলের বিপক্ষে বারবার একই ব্যর্থতা মানসিক বাঁধার ইঙ্গিতই দেয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও সেটা জানেন। সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচেও সহজ জয়ের পথে থাকা বাংলাদেশ হেরেছে বড় ব্যবধানে। দলের অবশ্য সে হতাশা নিয়ে বসে থাকার উপায় নেই। টেস্ট সিরিজ শুরু হয়ে যাচ্ছে এ সপ্তাহেই। এখন সেখানেই মনোযোগ দিতে চায় বাংলাদেশ। ইন্দোরে সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। আজ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দলের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে এসেছিলেন শেষ টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন। টেস্টের প্রস্তুতির কথা বলতে এসেও তাই রোববারের হার নিয়ে কথা বলেছেন এই ব্যাটসম্যান, ‘যদি পেছনে তাকাই, এই সফরের আগে কেউ আশা করেনি যে আমরা টি-টোয়েন্টিতে ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে দেব। তবে আমাদের বিশ্বাস ছিল। আমরা যখনই মাঠে নামি জেতার জন্যই নামি। প্রতিপক্ষ কঠিন হোক আর সহজ হোক। কখনো হয় কখনো হয় না। আমাদের আত্মনিবেদনে কিন্তু ঘাটতি নেই। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ, অবশ্যই আমরা হতাশ। ম্যাচ জিততে জিততে হেরে গেছি ভারতের কাছে, এটা অনেকবার হয়েছে। বারবার হয় আমাদের সঙ্গে। এটা নিয়ে আমরা হতাশ। তবে ওটা ভুলে কীভাবে টেস্টে ভালো করতে পারি সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’টেস্টে ভালো করতে চাইলেও সেটা বাস্তবে কতটা রূপ দেওয়া যাবে এ নিয়ে সন্দেহ আছে। ভারতের মাটিতে অন্য কারও টেস্টে জয়ের স্বাদের কথা স্মরণ করতে দুই বছর পেছাতে হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পর আর কেউ পারেনি সেটা করতে। সিরিজ জয় তো অর্ধ যুগ আগের খবর। মিঠুনও কাজটা যে কঠিন সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন, ‘আমরা সবাই জানি, ওদের দল কত শক্তিশালী। বিশেষ করে ওদের স্পিনের বিপক্ষে কীভাবে ব্যাটিং করব সেটা নিয়ে বেশি ভাবছি। পেস বোলারদের চেয়ে ওদের স্পিনারদের সামলানো বেশি কঠিন হবে, এমন অনুভব করছি। কারণ, প্রথম এক-দুই দিন ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক থাকে। তৃতীয় দিন থেকে স্পিনাররা সহায়তা থাকে। সেটা কীভাবে সামলাতে পারি এর জন্য টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো নিয়ে কাজ করছি আমরা।’

এ কারণেই প্রতিপক্ষ নিয়ে নয়, নিজেদের নিয়েই ভাবছে বাংলাদেশ, ‘ওদের দুর্বল দিক খুঁজে বের করার চেয়ে নিজেদের শক্তির জায়গা নিয়ে বেশি ভাবছি। ভারতের মাটিতে কোনো দলই সুবিধা করতে পারেনি। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে এখানে ভালো ক্রিকেটটা খেলতে পারি। ওদের দুর্বলতা খুঁজতে গিয়ে আমার মনে হয় আমাদের মনোযোগ, প্ল্যান ওটা থেকে মনে হয় দূরে সরে যাব।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
৭ বার পঠিত হয়েছে

ভারতের সঙ্গে ‘জিততে জিততে হারে’র হতাশা ভুলতে চায় বাংলাদেশ

আপডেট এর সময় : ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

কখনো শেষ ওভার, কখনো শেষ বল। ভারতের বিপক্ষে বারবার শেষে গিয়ে ভরাডুবি করছে বাংলাদেশ। একই দলের বিপক্ষে বারবার একই ব্যর্থতা মানসিক বাঁধার ইঙ্গিতই দেয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররাও সেটা জানেন। সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচেও সহজ জয়ের পথে থাকা বাংলাদেশ হেরেছে বড় ব্যবধানে। দলের অবশ্য সে হতাশা নিয়ে বসে থাকার উপায় নেই। টেস্ট সিরিজ শুরু হয়ে যাচ্ছে এ সপ্তাহেই। এখন সেখানেই মনোযোগ দিতে চায় বাংলাদেশ। ইন্দোরে সিরিজের প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। আজ সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দলের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলতে এসেছিলেন শেষ টি-টোয়েন্টিতে সুযোগ পাওয়া মোহাম্মদ মিঠুন। টেস্টের প্রস্তুতির কথা বলতে এসেও তাই রোববারের হার নিয়ে কথা বলেছেন এই ব্যাটসম্যান, ‘যদি পেছনে তাকাই, এই সফরের আগে কেউ আশা করেনি যে আমরা টি-টোয়েন্টিতে ভারতের মাটিতে ভারতকে হারিয়ে দেব। তবে আমাদের বিশ্বাস ছিল। আমরা যখনই মাঠে নামি জেতার জন্যই নামি। প্রতিপক্ষ কঠিন হোক আর সহজ হোক। কখনো হয় কখনো হয় না। আমাদের আত্মনিবেদনে কিন্তু ঘাটতি নেই। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষ, অবশ্যই আমরা হতাশ। ম্যাচ জিততে জিততে হেরে গেছি ভারতের কাছে, এটা অনেকবার হয়েছে। বারবার হয় আমাদের সঙ্গে। এটা নিয়ে আমরা হতাশ। তবে ওটা ভুলে কীভাবে টেস্টে ভালো করতে পারি সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছি।’টেস্টে ভালো করতে চাইলেও সেটা বাস্তবে কতটা রূপ দেওয়া যাবে এ নিয়ে সন্দেহ আছে। ভারতের মাটিতে অন্য কারও টেস্টে জয়ের স্বাদের কথা স্মরণ করতে দুই বছর পেছাতে হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার পর আর কেউ পারেনি সেটা করতে। সিরিজ জয় তো অর্ধ যুগ আগের খবর। মিঠুনও কাজটা যে কঠিন সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন, ‘আমরা সবাই জানি, ওদের দল কত শক্তিশালী। বিশেষ করে ওদের স্পিনের বিপক্ষে কীভাবে ব্যাটিং করব সেটা নিয়ে বেশি ভাবছি। পেস বোলারদের চেয়ে ওদের স্পিনারদের সামলানো বেশি কঠিন হবে, এমন অনুভব করছি। কারণ, প্রথম এক-দুই দিন ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক থাকে। তৃতীয় দিন থেকে স্পিনাররা সহায়তা থাকে। সেটা কীভাবে সামলাতে পারি এর জন্য টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো নিয়ে কাজ করছি আমরা।’

এ কারণেই প্রতিপক্ষ নিয়ে নয়, নিজেদের নিয়েই ভাবছে বাংলাদেশ, ‘ওদের দুর্বল দিক খুঁজে বের করার চেয়ে নিজেদের শক্তির জায়গা নিয়ে বেশি ভাবছি। ভারতের মাটিতে কোনো দলই সুবিধা করতে পারেনি। আমরা চেষ্টা করছি কীভাবে এখানে ভালো ক্রিকেটটা খেলতে পারি। ওদের দুর্বলতা খুঁজতে গিয়ে আমার মনে হয় আমাদের মনোযোগ, প্ল্যান ওটা থেকে মনে হয় দূরে সরে যাব।’