ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা Logo দাবানলের ধোঁয়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশে ভিসার প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ Logo বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী Logo জিসানের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ এইচপি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা’ শব্দ এড়িয়ে যাবার ব্যাখ্যা দিলেন পোপ

প্রতিনিধির নাম :

জীবন নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমার সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি এড়িয়ে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে সংকট নিরসনে সংলাপের পথ খোলা রাখতেই তার এ কৌশল।

মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ছয়দিনের সফর শেষে, শনিবার রোমে ফেরার পথে সাংবাদিকদের একথা বলেন পোপ।

অবশ্য ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করলেও মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর কাছে সমস্যা সমাধানে তার স্পষ্ট ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি ইঙ্গিত দেন, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শুরু থেকেই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সোচ্চার পোপ ফ্রান্সিস।

কিন্তু মিয়ানমার প্রশাসনের চাপে নেইপিদোতে দেয়া ভাষণে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণে বিরত ছিলেন তিনি। কথা বলেননি রাখাইনে সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিয়েও।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭
১৭ বার পঠিত হয়েছে

রোহিঙ্গা’ শব্দ এড়িয়ে যাবার ব্যাখ্যা দিলেন পোপ

আপডেট এর সময় : ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৭

জীবন নিউজ ডেস্ক: মিয়ানমার সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি এড়িয়ে যাওয়ার ব্যাখ্যা দিয়েছেন ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। তিনি জানান, শান্তিপূর্ণভাবে সংকট নিরসনে সংলাপের পথ খোলা রাখতেই তার এ কৌশল।

মিয়ানমার ও বাংলাদেশে ছয়দিনের সফর শেষে, শনিবার রোমে ফেরার পথে সাংবাদিকদের একথা বলেন পোপ।

অবশ্য ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণ না করলেও মিয়ানমার সরকার ও সেনাবাহিনীর কাছে সমস্যা সমাধানে তার স্পষ্ট ছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি ইঙ্গিত দেন, মিয়ানমারের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। শুরু থেকেই রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে সোচ্চার পোপ ফ্রান্সিস।

কিন্তু মিয়ানমার প্রশাসনের চাপে নেইপিদোতে দেয়া ভাষণে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি উচ্চারণে বিরত ছিলেন তিনি। কথা বলেননি রাখাইনে সেনাবাহিনীর নির্যাতন নিয়েও।