অনলাইন ডেস্ক: সুপারমুনের সময় চাঁদ মূলত নিজের কক্ষপথে আবর্তনের সময় পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে, ফলে চাঁদকে বড় দেখায়। এই বছর পরপর তিনটি সুপারমুন বা আকারে বড় চাঁদ দেখার সুযোগ মিলবে। প্রথম সুপারমুন দেখা যাবে অক্টোবরে। ‘হার্ভেস্ট মুন’ নামে পরিচিত এই সুপারমুন ৬ অক্টোবর পূর্ণ অবস্থানে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে অক্টোবরের শুরুতে কয়েক রাত উজ্জ্বল চাঁদের আলো দেখা যাবে। এ সময়কে জ্যোতির্বিদ্যার ভাষায় শারদ বিষুব বলে। এ সময় সূর্য পৃথিবীর নিরক্ষরেখার ঠিক ওপরে থাকে বলে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান হয়।
হার্ভেস্ট মুন বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ। বিদ্যুৎ–ব্যবস্থা চালুর অনেক আগে কৃষকেরা সূর্যাস্তের পর কাজ করার জন্য চাঁদের আলোর ওপর নির্ভর করতেন। অতীতে বছরের এ সময়ে কৃষকেরা শীত আসার আগে ফসল সংগ্রহের জন্য সন্ধ্যার পরও কাজ করতেন। উজ্জ্বল হার্ভেস্ট মুন তখন কৃষকদের বাড়তি সময় আলো দিত।
বিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, ২০২৫ সালে হার্ভেস্ট মুন শারদ বিষুবের কাছাকাছি সময়ে ঘটবে। আর তাই দক্ষিণ এশিয়ায় ৬ অক্টোবরের পাশাপাশি ৭ অক্টোবরও সুপারমুন দেখা দেখা যেতে পারে। এ সময় চাঁদ প্রায় দিগন্তের নিচে থাকে বলে সোনালি কমলার মতো দেখা যাবে। সুপারমুন দেখতে কোনো বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন হবে না।
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
সম্পাদক : জীবন খান, উপদেষ্টা : ডি আই জি আনোয়ার (অব:), মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান, আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট ফেরদৌস কবির খান, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ রাসেল কবির খান, বার্তা সম্পাদক: মোরশেদ আলম পাটোয়ারী, সিনিয়র সহকারী সম্পাদক: সজীব হোসেন জয়, সহকারি সম্পাদক: মোঃ জিল্লুর রহমান খান, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ রাসেল সিকদার রাজু, নির্বাহী সম্পাদক : মতিউর রহমান (জনি), মফস্বল সম্পাদক: সঞ্জয় তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক : মোকাদ্দাস মোল্লা।
২৮/সি/৪ শাকের প্লাজা (টয়েনবি রোড) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল : ০১৭১৪-০২২৮৭৭, E-mail : jibonnews24@gmail.com
জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড