গুজরাট দাঙ্গায় সেনা নামাতে চব্বিশ ঘণ্টারও বেশি দেরি করেছিল প্রশাসন। একদিন আগে সেনা নামানো গেলে সেদিন বহু প্রাণহানি ঠেকানো যেত। ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল এই অভিযোগ করেছেন।
২০০২ সালে গুজরাটে হিন্দু ও মুসলিমের মধ্যে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। দাঙ্গায় দুই হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়। যাদের বেশির ভাগই মুসলিম। ওই সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
দাঙ্গা মোকাবেলায় মোতায়েন করা সেনাদের নেতৃত্বে ছিলেন সেনাবাহিনীর সাবেক উপপ্রধান জমিরউদ্দিন শাহ। ভয়াবহ সেই দাঙ্গার স্মৃতি নিয়ে সম্প্রতি স্মৃতিকথা লিখেছেন তিনি। সদ্য প্রকাশিত বইটিতে দাঙ্গা ঠেকাতে রাজ্য সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছেন।
শনিবার ‘দ্য সরকারি মুসলমান’ নামে ওই বইটি প্রকাশিত হয়। প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আরও অনেকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভারতের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি। তিনিও দাঙ্গার সময় রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
বইটি নিয়ে ভারতজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বইয়ে প্রায় দুই দশক পর স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে কলঙ্কজনক এ অধ্যায়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সে সময় রাজ্যে মোতায়েন করা সেনাবাহিনীর ডিভিশন কমান্ডার জমিরউদ্দিন শাহ। পরে সেনাবাহিনীর উপপ্রধান হিসেবে অবসর নেন তিনি।
বইটিতে জেনারেল শাহ বর্ণনা করেছেন কীভাবে দাঙ্গাবিধ্বস্ত গুজরাটে পৌঁছানোর পরও তার বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
সম্পাদক : জীবন খান, উপদেষ্টা : ডি আই জি আনোয়ার (অব:), মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান, আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট ফেরদৌস কবির খান, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ রাসেল কবির খান, বার্তা সম্পাদক: মোরশেদ আলম পাটোয়ারী, সিনিয়র সহকারী সম্পাদক: সজীব হোসেন জয়, সহকারি সম্পাদক: মোঃ জিল্লুর রহমান খান, মোঃ ইমরান হোসেন, মোঃ রাসেল সিকদার রাজু, নির্বাহী সম্পাদক : মতিউর রহমান (জনি), মফস্বল সম্পাদক: সঞ্জয় তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক : মোকাদ্দাস মোল্লা।
২৮/সি/৪ শাকের প্লাজা (টয়েনবি রোড) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল : ০১৭১৪-০২২৮৭৭, E-mail : jibonnews24@gmail.com
জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড