মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমিতে ছাগল ও ভেড়ার আধিক্য খাদ্য সঙ্কটের সৃষ্টি করছে৷ ফলে শীতকালে প্রচুর গবাদি পশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে৷ এ অবস্থা থেকে উত্তরণে জাতিসংঘ বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে।
মরুভূমির দেশ মঙ্গোলিয়া। দেশটিতে তৃণভূমির পরিমাণ সামান্য। দেশটির স্বল্পপরিমাণ তৃণভূমিতে চারণ করে প্রায় পাঁচ কোটি ছাগল ও ভেড়া। আর এই ছাগল-ভেড়াগুলোই মঙ্গোলিয়ানদের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কারণ তৃণভূমিতে ঘাস বা তৃণলতা মূলসহ খেয়ে ফেলছে ছাগল ও ভেড়া। এর ফলে তৃণভূমিতে ঘাস ও লতাপাতা জন্মানোর পথ রোধ হয়ে যাচ্ছে। এর ফলে ছাগল ভেড়া নিজেদের ভবিষ্যৎ যেমন সঙ্কটে ফেলছে ঠিক তেমনই খামারিদের ভবিষ্যৎও শঙ্কার মধ্যে ফেলছে। খবর ডয়চে ভেলের।
দেশটিতে শীতের সময় হাজার হাজার ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু হয়। কারণ তীব্র শীত প্রতিরোধের জন্য তারা তাদের শরীরের খুব বেশি চর্বি জমাতে পারে না। এর ফলে পশুপালনকারীরাও হতাশ হয়ে পড়ছেন। একই সময়ে অনেকগুলো ছাগল ও ভেড়ার মৃত্যু তাদেরকে নিঃস্ব করে দিচ্ছে।
আর এমনভাবে চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে মঙ্গোলিয়া থেকে ছাগল ভেড়া উধাও হয়ে যাবে। আর এটা হলে পশুপালনের সঙ্গে যুক্ত থাকা হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়বেন বা অর্থনৈতিক সঙ্কটে পড়বেন।
এমন সমস্যা সমাধানে বিকল্প একটি চিন্তা বের করেছে জাতিসংঘ। তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী যার যত বেশি পশু তার তত বেশি কর দিতে হবে। এতে ভেড়া বা ছাগলের সংখ্যা কমে আসবে এবং প্রত্যেক ছাগল ও ভেড়া যত্ন পাবে। আর খাদ্যের ওপর চাম কমার ফলে মঙ্গোলিয়ার তৃণভূমি রক্ষা পাবে।
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
প্রকাশক: ফয়সাল আহাম্মেদ খান, সম্পাদক : জীবন খান, উপদেষ্টা : ডি আই জি আনোয়ার (অব:), মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান, আইন উপদেষ্টা : এ্যাডভোকেট ফেরদৌস কবির খান, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ রাসেল কবির খান, বার্তা সম্পাদক: মোরশেদ আলম পাটোয়ারী, সিনিয়র সহকারী সম্পাদক: সজীব হোসেন জয়, সহকারি সম্পাদক: মোঃ জিল্লুর রহমান খান, সহকারি সম্পাদক: মোঃ ইমরান হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক : মতিউর রহমান (জনি), মফস্বল সম্পাদক: সঞ্জয় তালুকদার, ক্রীড়া সম্পাদক : মোকাদ্দাস মোল্লা।
২৮/সি/৪ শাকের প্লাজা (টয়েনবি রোড) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল : ০১৭১৪-০২২৮৭৭, E-mail : jibonnews24@gmail.com
জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড