
ভারতে মানুষ মারা একটি বাঘিনীকে যেন গুলি করে হত্যা না করা হয়, এ মর্মে করা এক আপিল আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট।কর্মকর্তারা বলছেন, মহারাষ্ট্র রাজ্যে বনভূমির কাছে গরু-ছাগল চরানোর সময় পাঁচ গ্রামবাসী নিহত হয়েছে ওই বাঘিনীটির হাতে।আদালত বলেন, বনরক্ষীরা যদি বাঘটিকে ধরতে ব্যর্থ হয় এবং গুলি করে হত্যা করতে বাধ্য হয়, তা হলে আদালত এতে হস্তক্ষেপ করবে না।-খবর বিবিসি বাংলা।বনরক্ষীরা বাঘটিকে ধরার পরিকল্পনা করার পর বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা আদালতে আপিল করেন যে, বাঘিনীটির প্রতি দয়া দেখানো হোক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে একে প্রাণভিক্ষার আবেদন বলে অভিহিত করা হয়।সংরক্ষণ কর্মীরা বলেন, বন বিভাগ এটি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে যে, গ্রামবাসীদের মৃত্যুর জন্য বাঘিনীটিই দায়ী। ভারতে কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, বাঘিনীটির হাতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন, একটি মাত্র বাঘের হাতে এত লোক আক্রান্ত হওয়া খুবই অস্বাভাবিক।
ভারতে প্রাণী সংরক্ষণ নীতির ফলে বাঘের সংখ্যা এখন বাড়ছে, কিন্তু বনভূমির পরিমাণ কমে আসায় তাদের সঙ্গে মানুষের সংঘাতও বাড়ছে।
. . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .
প্রকাশক: ফয়সাল আহাম্মেদ খান, সম্পাদক : জীবন খান, উপদেষ্টা : ডি আই জি আনোয়ার (অব:), মোহাম্মদ আমিমুল এহসান খান, আইন উপদেষ্টা : ফেরদৌস কবির খান, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মোঃ রাসেল কবির খান, বার্তা সম্পাদক: মোরশেদ আলম পাটোয়ারী, সিনিয়র সহ-সম্পাদক: সজীব হোসেন (জয়), সহকারি সম্পাদক: মোঃ জিল্লুর রহমান খান, সহকারি সম্পাদক: মোঃ ইমরান হোসেন, নির্বাহী সম্পাদক : মতিউর রহমান (জনি), মফস্বল সম্পাদক: সঞ্জয় তালুকদার, এহতেশামুল হক (মাশুক), ক্রীড়া সম্পাদক : মোকাদ্দাস মোল্লা।
২৮/সি/৪ শাকের প্লাজা (টয়েনবি রোড) মতিঝিল, ঢাকা-১০০০। মোবাইল : ০১৭১৪-০২২৮৭৭, E-mail : jibonnews24@gmail.com
জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড