ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

আগুনে পুড়েছে ১১টি বিআরটিসি বাস

প্রতিনিধির নাম :

রাজধানীর খিলক্ষেত জোয়ারসাহারায় বিআরটিসি’র বাস ডিপোতে আগুন লেগে ১১টি বাস পুড়ে গেছে। শুক্রবার রাত একটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। পুড়ে যাওয়া বাসগুলো মতিঝিল-জয়দেবপুর, মোহাম্মদপুর-কুড়িল বিশ্বরোড, মতিঝিল-টঙ্গী ও মতিঝিল-আবদুুল্লাহপুর রুটে লিজে চলাচল করতো। বিআরটিসি বাস লিজ গ্রহণকারীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে কেউ বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে কিনা তা তদন্ত করছে বিআরটিসি।এ ঘটনার তদন্তে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর ব্যবস্থাপক
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, রাত একটার দিকে কর্মীরা রাতের শিফটে কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ করে ডিপোতে তারা আগুন দেখতে পান। আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হলে তাদের গাড়িও এসেছিল। তবে পানি না থাকায় আগুন নেভানোর কাজ দেরিতে শুরু হয়। পরে পাশের একটি পাম্প থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানো হয়। তিনি জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ১১ টি বাসের মধ্যে ৫ টি ডাবল ডেকার বাস, ৫ টি সিঙ্গেল ডেকার ও ১ টি মিনিবাস। এদের মধ্যে ৭ টি বাস ছিল সচল। ৪ টি বাস অকেজো ।
জানা গেছে, ডিপোতে শতাধিক বাস ছিল। আগুন লাগার পর চালকরা অনেকগুলো বাস চালিয়ে বাইরে নিয়ে আসে। ফলে ভয়াবহ ক্ষতি থেকে অনেকগুলো বাস রক্ষা পায়।
উত্তরা ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরা, কুর্মিটোলা ও বারিধার ফায়ার স্টেশনের ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছার কারণে ডিপোতে রক্ষিত অনেকগুলো বাস আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়াসহ কর্মকর্তারা। সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলে যারা ছিল তারা কেউ বলতে পারছে না কীভাবে আগুন লেগেছে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, গাড়ির ইলেকট্রিক ফাংশনের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জুন ২০১৮
১৪ বার পঠিত হয়েছে

আগুনে পুড়েছে ১১টি বিআরটিসি বাস

আপডেট এর সময় : ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ জুন ২০১৮

রাজধানীর খিলক্ষেত জোয়ারসাহারায় বিআরটিসি’র বাস ডিপোতে আগুন লেগে ১১টি বাস পুড়ে গেছে। শুক্রবার রাত একটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। পুড়ে যাওয়া বাসগুলো মতিঝিল-জয়দেবপুর, মোহাম্মদপুর-কুড়িল বিশ্বরোড, মতিঝিল-টঙ্গী ও মতিঝিল-আবদুুল্লাহপুর রুটে লিজে চলাচল করতো। বিআরটিসি বাস লিজ গ্রহণকারীদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরে কেউ বাসে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে কিনা তা তদন্ত করছে বিআরটিসি।এ ঘটনার তদন্তে একজন অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে জোয়ারসাহারা বাস ডিপোর ব্যবস্থাপক
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, রাত একটার দিকে কর্মীরা রাতের শিফটে কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ করে ডিপোতে তারা আগুন দেখতে পান। আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হলে তাদের গাড়িও এসেছিল। তবে পানি না থাকায় আগুন নেভানোর কাজ দেরিতে শুরু হয়। পরে পাশের একটি পাম্প থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভানো হয়। তিনি জানান, আগুনে পুড়ে যাওয়া ১১ টি বাসের মধ্যে ৫ টি ডাবল ডেকার বাস, ৫ টি সিঙ্গেল ডেকার ও ১ টি মিনিবাস। এদের মধ্যে ৭ টি বাস ছিল সচল। ৪ টি বাস অকেজো ।
জানা গেছে, ডিপোতে শতাধিক বাস ছিল। আগুন লাগার পর চালকরা অনেকগুলো বাস চালিয়ে বাইরে নিয়ে আসে। ফলে ভয়াবহ ক্ষতি থেকে অনেকগুলো বাস রক্ষা পায়।
উত্তরা ফায়ার স্টেশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সফিকুল ইসলাম বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরা, কুর্মিটোলা ও বারিধার ফায়ার স্টেশনের ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছার কারণে ডিপোতে রক্ষিত অনেকগুলো বাস আগুন থেকে রক্ষা পেয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। গতকাল সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়াসহ কর্মকর্তারা। সচিব নজরুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানতে পারিনি। ঘটনাস্থলে যারা ছিল তারা কেউ বলতে পারছে না কীভাবে আগুন লেগেছে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, গাড়ির ইলেকট্রিক ফাংশনের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে।