Blog

  • ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই

    ইস্টার্ন রিফাইনারি সম্প্রসারণে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ১ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই

    অনলাইন ডেস্ক:   রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারির আধুনিকায়নে ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে ১০০ কোটি ডলারের চুক্তি সই করেছে সরকার।

    আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসেরের উপস্থিতিতে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মিজানুর রহমান এবং ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের পক্ষে সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল (কান্ট্রি প্রোগ্রামস) আনাসি আইসামি চুক্তিতে সই করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানান।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী তানভীর গনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

    ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক গ্রুপের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারাও চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রকল্পটির আওতায় ইস্টার্ন রিফাইনারিতে বছরে আরও ৩০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধনের সক্ষমতা তৈরি হবে।

    প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যের চাহিদার প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে।

    প্রকল্পটি ২০৩০ সালের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন আইএসডিবি চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ আল জাসের।

    সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

    আগামীতে বাংলাদেশ ও আইএসডিবির মধ্যকার সহযোগিতা ও উন্নয়ন অংশীদারিত্ব আরো জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

  • মির্জা ফখরুলকে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    মির্জা ফখরুলকে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    অনলাইন ডেস্ক:   বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় ও দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

    আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দূতাবাস থেকে প্রেরিত এক বার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, এক অভিনন্দন বার্তায় আমিরাতের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানান। সেইসঙ্গে, তিনি তাঁর সুস্বাস্থ্য ও শান্তি কামনা করে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি প্রত্যাশা করেন।

    সেইসঙ্গে, পৃথক পৃথক অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া এবং শপথ গ্রহণ উপলক্ষ্যে মির্জা ফখরুল ইসলামকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও দুবাইয়ের শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম।

    এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্সিয়াল কোর্টের চেয়ারম্যান শেখ মনসুর বিন জায়েদ আল নাহিয়ানও এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, বিমান চলাচল, জনশক্তি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিদ্যমান।
    উপসাগরীয় দেশটিতে বৃহৎ সংখ্যক বাংলাদেশি প্রবাসী বসবাস করেন। দুই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক জোরদারেও তারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

  • সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    অনলাইন ডেস্ক:   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজবিরোধী অপশক্তি আর যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কেউ যাতে বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য দেশবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতগণের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময়ে সময়ে ‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে।

    তিনি বলেন,  ‘বাংলাদেশেও গণতন্ত্রকামী জনগণের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে ‘কংসের’ মত এক নিষ্ঠুর শাসক জনগণের কাঁধে চেপে বসেছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দলমত, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ হাজারো প্রাণের বিনিময়ে কংসরূপী সেই ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে আবারো গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন,আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা।’

    একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলন থাকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘এটিই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। আজকের এই অনুষ্ঠানে যারা ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ হিসেবে বিবেচিত, ইউরোপ কিংবা আমেরিকা সফরে গেলে আমরা সবাই কিন্তু কথিত ‘সংখ্যা লঘু’ । সুতরাং, বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ এসব পরিচয় কোনো মুখ্য বিষয় নয়। ‘

    প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ নয়, আসুন সবাই নিজেদেরকে বাংলাদেশী ভাবি। রাষ্ট্র এবং সমাজে দল, মত, ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়, সেই উপলব্ধি থেকেই দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ রাখতে স্বাধীনতার ঘোষকের যুগান্তকারী রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। তিনি বলেন, আমাদের সকল নাগরিকের গর্বিত পরিচয় ‘আমরা বাংলাদেশী’।

    বর্তমান সরকার একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়তে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্র তার সাধ্য এবং সামর্থ্য অনুযায়ী দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। অপরদিকে নাগরিকগণ রাষ্ট্রের প্রতি তাদের সকল নাগরিক দায়িত্ব পালন করবে।’

    তিনি বলেন, ‘এভাবেই রাষ্ট্র ও সরকার এবং নাগরিকদের মধ্যকার পারস্পরিক দায়িত্ব ও আস্থা এবং আলাপের মাধ্যমেই গড়ে উঠবে সকলের কাঙ্ক্ষিত কল্যাণমূলক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্র এবং সমাজে কেউ যাতে পিছিয়ে না থাকে তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ ও সহায়তা।’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন,  ‘সার্বভৌমত্ব সুসংহত রেখে সমৃদ্ধ স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে দেশে নাগরিকদের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন জরুরি। সেই লক্ষ্য পূরণেই বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড,সকল ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য সম্মানী ভাতা প্রদানসহ যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলছে।’

    সনাতন ধর্মের প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হিন্দু ধর্মীয় শাস্ত্রমতে, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে জন্ম নিয়েছিলেন সনাতন ধর্মের প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ। হিন্দু ধর্মের অবতার শ্রীকৃষ্ণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার বছর আগে মথুরায় এমন একসময় জন্মগ্রহণ করেন, যখন মথুরার শাসক ছিলেন নিষ্ঠুর ও দুষ্টপ্রকৃতির, অত্যাচারী-স্বৈরাচারী ‘কংস’। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাবের পর ‘কংসে’র পতন ঘটে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, দুষ্টের দমন শিষ্টের পালনই ছিল শ্রীকৃষ্ণের অন্যতম ব্রত।

    হিন্দু সম্প্রদায়কে জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই দেশ আপনার আমার আমাদের সকলের। নাগরিক হিসেবে এই দেশে আপনার আমার আমাদের সকলের অধিকার সমান। নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতি অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, বিএনপি বিশ্বাস করে, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’।

    ‘ধর্ম যার যার নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন, আমরা সবাই ধর্মীয় সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করি।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুভ জন্মাষ্টমীর উৎসবের পরই আপনাদের সামনে আসন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব দুর্গাপূজা। আপনারা সকল উৎসব-আয়োজন শান্তিতে ও স্বস্তিতে এবং নিরাপদে পালন করুন। আমি আবারো জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছার পাশাপাশি দুর্গোৎসবের আগাম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’

    জন্মাষ্টমী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই আয়োজন করা হয়। গীতা পাঠের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এর আগে হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে পুস্পস্তবক উপহার দেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে তা গ্রহণ করেন সংসদ সদস্য সূবর্ণা শিকদার ঠাকুর।

    অনুষ্ঠানে মন্দিরের নয় জন পুরোহিত ও সেবাইতের মধ্যে সম্মানী বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে সারাদেশে পুরোহিত ও সেবাইতগণের ব্যাংক একাউন্টে এফটিএ’র মাধ্যমে এই অর্থ পৌঁছে যায়। হিন্দু সম্প্রদায়ের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মদিন শুক্রবার। দিবসটির প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন।

    হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃ-গোষ্ঠি বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিহউল্লাহ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, সিপিডির ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান তপন চন্দ্র মজুমদার, পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও কালবেলা পত্রিকার সম্পাদক সন্তোষ শর্মা, স্বামীবাগ ইসকনের অধ্যক্ষ শ্রীমৎ ভক্তিময় নিতাই স্বামী মহারাজ, বিএনপির সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অমলেন্দু দাস অপু বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, আইনমন্ত্রী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিমানমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান, ফরহাদ হালিম ডোনার, সহ-সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিপিএল বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটারদের দীর্ঘমেয়াদী সুফলের ওপর জোর দিচ্ছে সিডব্লিউএবি

    বিপিএল বাতিল হওয়ায় ক্রিকেটারদের দীর্ঘমেয়াদী সুফলের ওপর জোর দিচ্ছে সিডব্লিউএবি

    খোলাধুলা ডেস্ক:   এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) বাতিল হওয়ার কারণে ক্রিকেটারদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে নিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (সিডব্লিউএবি)।

    সিডব্লিউএবি সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন জানিয়েছেন, কোনো বিকল্প টুর্নামেন্ট চাইছেন না তারা। কারণ অন্য কোনো প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিপিএল থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষতি সরাসরি পুষিয়ে নেওয়ার কোনো বাস্তবসম্মত উপায় নেই।

    বিপিএলের স্বল্পমেয়াদি কোনো বিকল্প আয়োজন করার পরিবর্তে বিদ্যমান ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি। যাতে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য আরও আর্থিক সুযোগ তৈরি করা যায়।

    আজ সাংবাদিকদের মিঠুন বলেন, ‘প্রথমত, বিপিএলের কোনো বিকল্প নেই এবং অন্য কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করে ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ারও কোনো উপায় নেই।’
    তিনি আরও বলেন, ‘এখানে প্রশ্ন হলো, এটির পরিবর্তে কি অন্য কিছু আয়োজন করা হচ্ছে? না, বিপিএলের পরিবর্তে কিছুই আয়োজন করা হচ্ছে না, কারণ তা বাস্তবায়নযোগ্য হবে না।’

    মিঠুন জানান, সিডব্লিউএবি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাথে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছে। বিশেষ করে কীভাবে ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগ (এনসিএল) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) মতো ঘরোয়া প্রতিযোগিতাগুলোকে এমনভাবে সাজানো যায়, যাতে খেলোয়াড়রা আরও বেশি আর্থিক সুবিধা পান।

    মিঠুন বলেন, ‘এ বছর যেসব খেলা হবে সেগুলোর পরিকল্পনা সম্পর্কে আমরা আগেই জানি। নিয়ম অনুযায়ী এনসিএল ও বিসিএল অনুষ্ঠিত হবে এবং আমাদের আলোচনার মূল বিষয় ছিল কীভাবে এই টুর্নামেন্টগুলো থেকে খেলোয়াড়রা আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন। এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।’

    মিঠুনের মতে, দীর্ঘমেয়াদে এই উদ্যোগের ফলে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ জন ক্রিকেটার উপকৃত হতে পারেন।

    তিনি আরও জানান, এই প্রস্তাবটি শুধু সিডব্লিউএবি সদস্যদের মধ্যকার আলোচনার ভিত্তিতেই তৈরি করা হয়নি। জাতীয় দলের অধিনায়ক ও সিনিয়র ক্রিকেটারদের মধ্যে বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থানরত খেলোয়াড়দের সাথে আলোচনা করা হয়েছে।

    মিঠুন বলেন, ‘শুধু সিডব্লিউএবি নয়, আমরা জাতীয় দলের অধিনায়কদের সাথেও আলোচনা করেছি। যারা এখন দেশের বাইরে আছেন, তাদের সাথেও আমরা ফোনে যোগাযোগ করেছি। কোন বিষয়টি সবচেয়ে ভালো হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর আমরা বোর্ডের কাছে প্রস্তাব জমা দিয়েছি।’

  • আশুলিয়ায় মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার ১১

    আশুলিয়ায় মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার ১১

    নিজস্ব প্রতিনিধি:    আশুলিয়ায় পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ১১ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও আশুলিয়া থানা পুলিশ।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে, আশুলিয়ার ইয়ারপুর, বড়টেক মধুপুর, শ্রীপুর, কাইচাবাড়ী এবং চানপুর এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতরা হলো- আশুলিয়া থানার তাজপুর এলাকার মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে আহাম্মদ আলী (৪০), কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী থানার পাঁচপাড়া (চান্দপুর, মুন্সিবাড়ী) এলাকার জাহাঙ্গীর আলম মুন্সির ছেলে মো. সাগর মুন্সি (৩৫), আশুলিয়া থানার কলতাসূতি এলাকার মো. আবু তালেব মোল্লার ছেলে মিলন মোল্লা (৩০), রাজবাড়ীর পাংশা থানার শরিষা এলাকার শাহাজাহান ঢালির মেয়ে রাশিদা আক্তার রাশু (২৫), সাভার মডেল থানার আড়াপাড়া এলাকার মৃত তারা রাজবংশীর ছেলে শ্যামল রাজবংশী (৩২), মানিকগঞ্জের দৌলতপুর থানার আবু ডাঙ্গা এলাকার মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. জাফর শেখ (৪৫), সাভার মডেল থানার মজিদপুর এলাকার ফুলচাঁন বেপারীর ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৪৫), গাজীপুরের কালিয়াকৈরের নিজামুদ্দিনের ছেলে রুবেল (৪০), নাটোরের নলডাঙা থানার আসমান প্রধানের ছেলে শামীম মিয়া (৪৫), রংপুরের মিঠাপুকুরের নুরুন্নবীর ছেলে রাসেল (৩৮) এবং গোপালগঞ্জ সদরের মৃত সিদ্দিক শেখের ছেলে পারভেজ (২৮)।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, আশুলিয়ার ইয়ারপুর, বড়টেক মধুপুর, শ্রীপুর এবং কাইচাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারি আহাম্মদ আলী, সাগর মুন্সি, মিলন মোল্লা, রাশিয়া আক্তার রাশু, শ্যামল রাজবংশী, জাফর শেখ এবং সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ১০০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    আশুলিয়া থানা পুলিশ আশুলিয়ার চানপুর এলাকায় অপর এক পৃথক অভিযানে রুবেল, শামীম মিয়া, রাসেল এবং পারভেজকে গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

    ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইদুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃতরা একাধিক মাদক মামলার আসামি। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

    রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ২৬

    নিজস্ব প্রতিনিধি:   রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে নগরীর বিভিন্ন থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

    আজ বুধবার দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    গ্রেপ্তারদের মধ্যে ওয়ারেন্টভুক্ত ২ জন, মাদক মামলায় ৫ জন ও অন্যান্য মামলায় ১৯ জন রয়েছে। গ্রেপ্তারদের  বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র উপ পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটনের থানা ও ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।