ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ Logo মামলা জট নিরসনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তিতে জোর দিচ্ছে সরকার : আইনমন্ত্রী Logo মানবপাচারের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বজায় রাখতে সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজ পরিবর্তনের আশা জাগাচ্ছেন : মির্জা ফখরুল Logo প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ভারতের সহকারী কোচের দায়িত্ব ছাড়লেন ডেসকাটে Logo সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত Logo নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন কাজ শুরু Logo বাঘ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo ‘একমুখী হামলাকারী ড্রোন’ কেনার পরিকল্পনা নিউজিল্যান্ডের সামরিক বাহিনীর

উত্তর বাসাবো এলাকায় পাঠাগার স্থাপনের দাবি: মেধা বিকাশ ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিনিধি

কিশোর-কিশোরী ও তরুণ প্রজন্মের মেধার বিকাশ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ডের উত্তর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারে একটি স্থায়ী লাইব্রেরি বা পাঠাগার স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের এই বঞ্চিত অধিকার আদায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় পরিমণ্ডলে ‘#লাইব্রেরি_চাই’ আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘ ২৫ বছরের সামাজিক অবদান
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০০১ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর (২০২৬ সাল পর্যন্ত) উত্তর বাসাবো এলাকার নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এই এলাকার যুবসমাজ ও পেশাজীবীরা কেবল স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সবুজবাগ থানা এলাকার মধ্যে উত্তর বাসাবো মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ স্থান দখল করে আছে।

নারীর ক্ষমতায়ন ও পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা
এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে পারস্পরিক সম্মান এবং সৃজনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে উত্তর বাসাবো এলাকার কিশোরী ও নারীরা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়নে নেতৃত্ব, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন বছরব্যাপী কর্মসূচীর মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে আসছেন। তাদের এই মেধা ও সৃজনশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং সংঘাত-সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে এলাকায় একটি সুনির্দিষ্ট পাঠাগার অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

বঞ্চনার অবসান চান এলাকাবাসী
আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমরা আর মেধা ও মননশীলতার চর্চা থেকে সুবিধাবঞ্চিত থাকতে চাই না।” উত্তর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারের একটি নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত স্থানে অবিলম্বে এই পাঠাগারটি চালু করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একটি উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক বাসাবো তথা ঢাকা শহর গড়ে তুলতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান তারা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
৫৬ বার পঠিত হয়েছে

উত্তর বাসাবো এলাকায় পাঠাগার স্থাপনের দাবি: মেধা বিকাশ ও মানবিক সমাজ গঠনের আহ্বান

আপডেট এর সময় : ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

কিশোর-কিশোরী ও তরুণ প্রজন্মের মেধার বিকাশ এবং বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৪ নং ওয়ার্ডের উত্তর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারে একটি স্থায়ী লাইব্রেরি বা পাঠাগার স্থাপনের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের এই বঞ্চিত অধিকার আদায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয় পরিমণ্ডলে ‘#লাইব্রেরি_চাই’ আন্দোলন তীব্র হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘ ২৫ বছরের সামাজিক অবদান
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০০১ সাল থেকে শুরু করে দীর্ঘ ২৫ বছর (২০২৬ সাল পর্যন্ত) উত্তর বাসাবো এলাকার নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবকেরা বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। এই এলাকার যুবসমাজ ও পেশাজীবীরা কেবল স্থানীয় পর্যায়েই নয়, বরং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সবুজবাগ থানা এলাকার মধ্যে উত্তর বাসাবো মানবিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ স্থান দখল করে আছে।

নারীর ক্ষমতায়ন ও পাঠাগারের প্রয়োজনীয়তা
এলাকায় শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে পারস্পরিক সম্মান এবং সৃজনশীলতার কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে উত্তর বাসাবো এলাকার কিশোরী ও নারীরা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়নে নেতৃত্ব, সামাজিক সচেতনতা এবং বিভিন্ন বছরব্যাপী কর্মসূচীর মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে আসছেন। তাদের এই মেধা ও সৃজনশীলতাকে আরও এগিয়ে নিতে এবং সংঘাত-সহিংসতামুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে এলাকায় একটি সুনির্দিষ্ট পাঠাগার অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

বঞ্চনার অবসান চান এলাকাবাসী
আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, “আমরা আর মেধা ও মননশীলতার চর্চা থেকে সুবিধাবঞ্চিত থাকতে চাই না।” উত্তর বাসাবো কমিউনিটি সেন্টারের একটি নির্দিষ্ট ও নির্ধারিত স্থানে অবিলম্বে এই পাঠাগারটি চালু করার জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। একটি উন্নত, নিরাপদ ও মানবিক বাসাবো তথা ঢাকা শহর গড়ে তুলতে সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান তারা।