ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি Logo মন্ত্রিসভায় পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী অনুমোদন Logo কোস্টগার্ডকে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী Logo কুবি-র সহযোগী অধ্যাপকের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ারের লাশ উদ্ধার Logo উত্তর কোরিয়ার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান Logo পুরোনো কোনো গন্ধেই ফিরে আসে শৈশবের স্মৃতি !

শিক্ষা ও প্রযুক্তি

শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব চিরকাল অবিচল থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানের মাধ্যমেই দুই দেশের এই ঐতিহাসিক সংযোগকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।’

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’— শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশই কর্মক্ষম তরুণ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষায় (টিভিইটি) দক্ষ করে আন্তর্জাতিকমানের মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার।

সম্প্রতি চীন সফরকালে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়ার গভীর সম্পর্ক দেখে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার দেশের কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নিয়েছে।

পাশাপাশি চীনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ সময় আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশ ব্যয় হবে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্পদকে কাজে লাগাতে একটি বিশেষায়িত ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সুনীল অর্থনীতিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং ও সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং বক্তব্য রাখেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ৫০ মিনিট আগে
১২ বার পঠিত হয়েছে

শিক্ষা ও প্রযুক্তি

শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ৫০ মিনিট আগে

বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্ব চিরকাল অবিচল থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত আদান-প্রদানের মাধ্যমেই দুই দেশের এই ঐতিহাসিক সংযোগকে আরও দীর্ঘস্থায়ী করা সম্ভব।’

আজ রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘সেকেন্ড চায়না-বাংলাদেশ রাউন্ডটেবল অন গভর্নেন্স এক্সপেরিয়েন্স এক্সচেঞ্জ’— শীর্ষক অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সুনীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক সুবিধার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশই কর্মক্ষম তরুণ। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি শিক্ষায় (টিভিইটি) দক্ষ করে আন্তর্জাতিকমানের মানবসম্পদে রূপান্তর করাই সরকারের মূল অগ্রাধিকার।

সম্প্রতি চীন সফরকালে ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়ার গভীর সম্পর্ক দেখে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকার দেশের কারিগরি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্বমানের করার উদ্যোগ নিয়েছে।

পাশাপাশি চীনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সাথে সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এ সময় আ ন ম এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট জিডিপির ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে ৫ শতাংশ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশ ব্যয় হবে কারিগরি শিক্ষার মানোন্নয়নে। এছাড়া বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্পদকে কাজে লাগাতে একটি বিশেষায়িত ‘সার্কুলার ইকোনমি’ বা সুনীল অর্থনীতিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, চীন দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং ও সাংহাই ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. লি কাইশেং বক্তব্য রাখেন।