ঢাকা , বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

বিনোদন ডেস্ক

ভারতের কিংবদন্তি  সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (রোববার) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় বুকের সংক্রমণ ও শারীরিক অবসাদের কারণে তাকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআই এ খবর জানিয়েছে।

আশা ভোসলের বহুমুখী প্রতিভার কারণে তাকে হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়। দীর্ঘ আট দশকের কর্মজীবনে তিনি হাজার হাজার গান উপহার দিয়েছেন।

ভারতীয় সংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৮টি মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার, আজীবন সম্মাননাসহ নয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন।

এছাড়াও দুটি গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এ ভূষিত হন। ২০০৮ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মবিভূষণ পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি ২০১৮ সালে বঙ্গবিভূষণ এবং ২০২১ সালে মহারাষ্ট্র ভূষণ পদকে ভূষিত হন।

১৯৩৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলিতে জন্ম আশার। বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের কাছেই তাঁর সংগীতে হাতেখড়ি। চার বোনের মধ্যে লতা, উষা ও আশা প্লেব্যাক শিল্পী হয়েছিলেন, মীনা হয়েছিলেন সুরকার। ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরও সংগীতেই নিজের ক্যারিয়ার গড়েছিলেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
৭ বার পঠিত হয়েছে

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে আর নেই

আপডেট এর সময় : ০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ভারতের কিংবদন্তি  সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ (রোববার) শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।

গতকাল (শনিবার) সন্ধ্যায় বুকের সংক্রমণ ও শারীরিক অবসাদের কারণে তাকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বলে জানিয়েছেন তাঁর নাতনি জানাই ভোসলে।

ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআই এ খবর জানিয়েছে।

আশা ভোসলের বহুমুখী প্রতিভার কারণে তাকে হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা ও প্রভাবশালী সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে গণ্য করা হয়। দীর্ঘ আট দশকের কর্মজীবনে তিনি হাজার হাজার গান উপহার দিয়েছেন।

ভারতীয় সংগীতে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৮টি মহারাষ্ট্র রাজ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারটি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার, আজীবন সম্মাননাসহ নয়টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করেছেন।

এছাড়াও দুটি গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। ২০০০ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার এ ভূষিত হন। ২০০৮ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মবিভূষণ পদকে ভূষিত করে। এছাড়া তিনি ২০১৮ সালে বঙ্গবিভূষণ এবং ২০২১ সালে মহারাষ্ট্র ভূষণ পদকে ভূষিত হন।

১৯৩৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের সাংলিতে জন্ম আশার। বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের কাছেই তাঁর সংগীতে হাতেখড়ি। চার বোনের মধ্যে লতা, উষা ও আশা প্লেব্যাক শিল্পী হয়েছিলেন, মীনা হয়েছিলেন সুরকার। ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরও সংগীতেই নিজের ক্যারিয়ার গড়েছিলেন।