ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশকে ২০০ রানের লক্ষ্য দিল জিম্বাবুয়ে Logo দেশের ৪ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে Logo জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের Logo মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও সঠিক চিকিৎসাই স্বাস্থ্যসেবার ওপর মানুষের আস্থা ফেরাতে পারে : প্রধানমন্ত্রী Logo তাইওয়ানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন বাভি Logo খামেনির দাফনের আগে নতুন করে হামলা-পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান Logo আগামী সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে: আইনমন্ত্রী Logo আসুন ‘সবুজ বসতি’ গড়ে তুলি : প্রধানমন্ত্রী Logo কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু Logo ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘শেষ’: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

প্রতিনিধির নাম :

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের সময় হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের কারণে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়ে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের  ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশীয় পর্যায়ে তেল ও গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।

রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল ভারত। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করেছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ২ ঘন্টা আগে
১৯ বার পঠিত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে কৌশলগত তেলের মজুত বাড়ানোর পরিকল্পনা অনুমোদন ভারতের

আপডেট এর সময় : ২ ঘন্টা আগে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের সংকটের অভিজ্ঞতার পর জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার একটি কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার (স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ) গড়ে তোলার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ভারতের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত তেল ও গ্যাস কোম্পানি।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ ভারত। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের সময় হরমুজ প্রণালিতে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের কারণে দেশটি জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্নের মুখে পড়ে।

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

রাষ্ট্রায়ত্ত ‘অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি)’ বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জমা দেওয়া এক নথিতে জানিয়েছে, তাদের পরিচালনা পর্ষদ ‘জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প’ হিসেবে দক্ষিণ ভারতের  ‘ম্যাঙ্গালোর’ অঞ্চলে ১৭ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন (১.৭৫ এমএমটি) ধারণক্ষমতার কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুতাগার গড়ে তোলার জন্য নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

গত সপ্তাহে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি এএফপিকে বলেন, দেশীয় পর্যায়ে তেল ও গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে সরকার জোরালো উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আমরা বড় পরিসরে বিনিয়োগ করছি। এ জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত অপরিশোধিত তেলের সরবরাহকারী দেশের সংখ্যা ২৭ থেকে বাড়িয়ে ৪১-এ উন্নীত করেছে। নতুন সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরান, ভেনেজুয়েলা, রাশিয়া থেকে বাড়তি আমদানি এবং আফ্রিকার কয়েকটি দেশ।

রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সমালোচনার মুখে পড়েছিল ভারত। সমালোচকদের অভিযোগ, এভাবে তেল কিনে ভারত ইউক্রেনের বিরুদ্ধে মস্কোর যুদ্ধ পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অর্থায়ন করেছে।