ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের পর জিম্বাবুয়েকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে আফগানিস্তান Logo মার্কিন প্রভাব সুসংহত করতে লাতিন আমেরিকা সফর শুরু রুবিওর Logo অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে : রাষ্ট্রপতি Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শান্তর দলে ফেরা : সালাহউদ্দিন Logo রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী Logo অনিয়মের দায়ে পিরোজপুরে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo মালয়েশিয়ার বোর্নিও শহরে ধোঁয়াশা, জরুরি অবস্থা

খাবারের অভাবে পাহাড় ছেড়ে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী

প্রতিনিধির নাম :

মিরসরাইয়ে খাবারের অভাবে একের পর এক বন্য প্রাণী ছুটে আসছে লোকালয়ে। এসব প্রানীর মধ্যে কিছু প্রাণী বনে অবমুক্ত করা হলেও কিছু প্রাণী মানুষের হাতে মারা পড়ছে। প্রাণীদের থাকার জায়গায় মানুষের অবাধ বিচরনের কারণে এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের তীব্র সংকটে লোকালয়ে ধেয়ে আসছে বিভিন্ন প্রজাতীর বন্য প্রানী। সাম্প্রতিক সময়ে অজগর, বানর, হরিন সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাণীর লোকালয়ে ছুটে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পশু পাখির আবাস্থল ধ্বংস, সংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় সহ নানা কারনে খাদ্য সংকটে বন্যপ্রাণীদের এভাবে লোকালয়ে আসার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েক মাসে, মিরসরাই পৌর এলাকায় কয়েকটি অজগর লোকালয়ে চলে এলে এলাকাবাসী বন বিভাগে খবর পাঠিয়ে পাহাড়ে নিয়ে এসব বণ্যপ্রাণী অবমুক্ত করে দেয়। এর পূর্বে বিভিন্ন প্রজাতির বানর, পেঁচা, কখনো হরিণ ও লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা অহরহ। 
জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর আগের মতো তাদের মেরে ফেলা না হলেও এসব প্রাণীর অভয়ারন্য রক্ষায় বনবিভাগের কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 
মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন,এক সময় এই মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অনেক রকম ফলমূল থাকতো। এখন এসব প্রায় বিলুপ্ত। তাই গহীন পাহাড়ে খাদ্য সংকটের কারণে বন্যপ্রাণীগুলো বাঁচার তাগিদে লোকালয়ে এসে খাবার খুঁজছে। নির্বিচারে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ফলের চাষ কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। 
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আবু বক্কর জানান, বন বিভাগ থেকে ইতিমধ্যে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রানীর খাদ্য চাহিদা পুরনের লক্ষে বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭
২০ বার পঠিত হয়েছে

খাবারের অভাবে পাহাড় ছেড়ে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

মিরসরাইয়ে খাবারের অভাবে একের পর এক বন্য প্রাণী ছুটে আসছে লোকালয়ে। এসব প্রানীর মধ্যে কিছু প্রাণী বনে অবমুক্ত করা হলেও কিছু প্রাণী মানুষের হাতে মারা পড়ছে। প্রাণীদের থাকার জায়গায় মানুষের অবাধ বিচরনের কারণে এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের তীব্র সংকটে লোকালয়ে ধেয়ে আসছে বিভিন্ন প্রজাতীর বন্য প্রানী। সাম্প্রতিক সময়ে অজগর, বানর, হরিন সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাণীর লোকালয়ে ছুটে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পশু পাখির আবাস্থল ধ্বংস, সংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় সহ নানা কারনে খাদ্য সংকটে বন্যপ্রাণীদের এভাবে লোকালয়ে আসার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েক মাসে, মিরসরাই পৌর এলাকায় কয়েকটি অজগর লোকালয়ে চলে এলে এলাকাবাসী বন বিভাগে খবর পাঠিয়ে পাহাড়ে নিয়ে এসব বণ্যপ্রাণী অবমুক্ত করে দেয়। এর পূর্বে বিভিন্ন প্রজাতির বানর, পেঁচা, কখনো হরিণ ও লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা অহরহ। 
জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর আগের মতো তাদের মেরে ফেলা না হলেও এসব প্রাণীর অভয়ারন্য রক্ষায় বনবিভাগের কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 
মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন,এক সময় এই মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অনেক রকম ফলমূল থাকতো। এখন এসব প্রায় বিলুপ্ত। তাই গহীন পাহাড়ে খাদ্য সংকটের কারণে বন্যপ্রাণীগুলো বাঁচার তাগিদে লোকালয়ে এসে খাবার খুঁজছে। নির্বিচারে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ফলের চাষ কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। 
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আবু বক্কর জানান, বন বিভাগ থেকে ইতিমধ্যে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রানীর খাদ্য চাহিদা পুরনের লক্ষে বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।