
ঘটনার বিবরণঃ আল আমিন, পিতা-মৃত আবুল কালাম পাটওয়ারী, কাছিয়ারা মৌজার স্থায়ী বাসিন্দা। উক্ত মৌজায় ২৯১নং কাছিয়ারায় ২১৫১নং খতিয়ানভূক্ত ২৭৭ দাগের অন্দরে .০৪০০ একর ভূমি পৈত্রিক হিস্যায় হিসাবে পায়। উক্ত ভূমিতে পেয়ারা আহম্মদ গং খরিদা সূত্রে দাবী করিলে মারামারি ঘটনার সূত্রাপাত ঘটে। আল আমিনের বড় ভাই মোঃ শাহজাহান পাটওয়ারী ২০১৫ইং সালে পেয়ারা আহম্মদ গংদের বিরুদ্ধে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৪৫ ধারায় চাঁদপুর জেলা জজকোর্ট একটি মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর হলো ১০২৫/২০১৫ইং। উক্ত মামলায় আল আমিন, শাহজাহান পাটওয়ারী পক্ষে আদালত সন্তুষ্টি রায় দেন। এইদিকে পেয়ারা আহম্মদ এই রায়ের বিরুদ্ধে একটি আপীল মামলা করেন। যাহার মামলা নম্বর হলো ১১৭/২০১৫ইং। উক্ত মামলাও আল-আমিন গংদের পক্ষে বিজ্ঞ আদালত রায় দেয়। উক্ত রায় নিয়ে আল-আমিন পৈত্রিক সম্পত্তিতে মাটি ভরাট করে ঘর উত্তোলন করিতে গেলেই পেয়ারা আহম্মদ গং অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে অতর্কিত হামলা করে। হামলা কারী ১নং পেয়ারা আহম্মদ, পিতা-অজ্ঞাত, পেয়ারা আহম্মদ এর ছেলে (২) ফারুক হোসেন রুনু, (৩) রাফি, (৪) বিল্লাল, (৫) আরিফ হোসেন, (৬) কুলছুমা বেগম, (৭) ফারজানা বেগম, (৮) সাহিদা বেগম, (৯) পান্না বেগম অতর্কিতভাবে দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা নিয়ে আল আমিন ও আল আমিনের স্ত্রীকে বেদম মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে এবং তাহাদের গচ্ছিত থাকা স্বর্ণের চেইন দুটি যাহার অনুমান মূল্য ৮০,০০০/- টাকা, পকেটে থাকা নগদ ১৫,০০০/- টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যান। এলাকাবাসী আল আমিনের স্ত্রীকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। এইদিকে উক্ত ঘটনা ২৯/০৯/১৯ইং রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকায় ঘটে। আদালত বন্ধ থাকার কারণে আল আমিন উক্ত বিষয়টি ফরিদগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগ তদন্তাধীন আছে। আল আমিন আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে অপেক্ষার প্রহর গণিতেছেন যে, তাহার এই অন্যায় অত্যাচারের বিচার পাবে কিনা? বর্তমানে আল আমিন নিরাপত্তাহীনতায় ভূগিতেছে। যেকোন সময়ে বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রহিয়াছে।