ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা Logo দাবানলের ধোঁয়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশে ভিসার প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ Logo বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী Logo জিসানের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ এইচপি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ

প্রতিনিধির নাম :

দীর্ঘদিন পর জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। বিশেষ করে সমুদ্রে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। ভরা মৌসুমের টানাপোড়েনের পর শুক্রবার ২৮টি ফিশিং বোট বরিশাল মোকামে এসে পৌঁছেছে। ইলিশ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দুই হাজার মণের বেশি ইলিশ উঠেছে মোকামে। যে কারণে দামও কমেছে। মোকাম হয়ে উঠছে সরগরম। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ মাসেই নদ-নদীতেও ইলিশ ধরা পড়বে।বরিশাল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে মৎস্য কর্মকর্তা (হিলশা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, অনেকটা সময় তারা অপেক্ষায় ছিলেন। মৌসুম সত্ত্বেও কেন ইলিশ ধরা পড়ছে না তা নিয়ে চিন্তা ছিল। তবে গভীর সমুদ্র থেকে অনেকগুলো ফিশিং বোট এসেছে। প্রায় দুই হাজার মণ সাগরের ইলিশ উঠেছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। এ ইলিশের ওজন ৫শ’ থেকে ৭-৮শ’ গ্রাম। সামদ্রিক এ ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা দরে। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার জন্য মাছ ধরা যাচ্ছে না। তবে সামনের আমাবশ্যায় জোয়ারের পানির সঙ্গে সাগর ছেড়ে নদীতে ইলিশ প্রবেশের মোক্ষম সময়। এখনই সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে বলে ফিশিং বোটের জেলেদের বরাত দিয়ে তিনি জানান।

এদিকে মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে ইলিশের মোকাম। মৎস্য শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা কয়েক মাস তারা অলস সময় কাটিয়েছেন। এখন হয়তো সুদিন ফিরবে। নগরীর পাড়া-মহল্লায়ও অনেক খুচরা বিক্রেতাকে ফেরি করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে এ ইলিশের প্রভাব তেমন একটা পড়েনি খুচরা বাজারে। সেখানে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এ রুপালি ইলিশ। এ ব্যপারে মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক ড. মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সবে মাত্র ইলিশ আশা শুরু করেছে। গত বছরও আগস্টের শেষ দিকে ইলিশ ধরা পড়া শুরু হয়। বরিশাল মোকামে সাগরের ইলিশ এসেছে। তিনি বলেন, এ মাসের মধ্য ভাগে ব্যাপক ইলিশ ধরা পড়বে বলে মনে হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাদের চেষ্টার কমতি থাকবে না বলে মৎস্য অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান জানান।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৮
১৭ বার পঠিত হয়েছে

জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ

আপডেট এর সময় : ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অগাস্ট ২০১৮

দীর্ঘদিন পর জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। বিশেষ করে সমুদ্রে ধরা পড়ছে রুপালি ইলিশ। ভরা মৌসুমের টানাপোড়েনের পর শুক্রবার ২৮টি ফিশিং বোট বরিশাল মোকামে এসে পৌঁছেছে। ইলিশ ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দুই হাজার মণের বেশি ইলিশ উঠেছে মোকামে। যে কারণে দামও কমেছে। মোকাম হয়ে উঠছে সরগরম। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, এ মাসেই নদ-নদীতেও ইলিশ ধরা পড়বে।বরিশাল মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ঘুরে মৎস্য কর্মকর্তা (হিলশা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, অনেকটা সময় তারা অপেক্ষায় ছিলেন। মৌসুম সত্ত্বেও কেন ইলিশ ধরা পড়ছে না তা নিয়ে চিন্তা ছিল। তবে গভীর সমুদ্র থেকে অনেকগুলো ফিশিং বোট এসেছে। প্রায় দুই হাজার মণ সাগরের ইলিশ উঠেছে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। এ ইলিশের ওজন ৫শ’ থেকে ৭-৮শ’ গ্রাম। সামদ্রিক এ ইলিশ মণপ্রতি বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা দরে। তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার জন্য মাছ ধরা যাচ্ছে না। তবে সামনের আমাবশ্যায় জোয়ারের পানির সঙ্গে সাগর ছেড়ে নদীতে ইলিশ প্রবেশের মোক্ষম সময়। এখনই সাগরে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে বলে ফিশিং বোটের জেলেদের বরাত দিয়ে তিনি জানান।

এদিকে মোকাম ঘুরে দেখা গেছে, বেশ সরগরম হয়ে উঠেছে ইলিশের মোকাম। মৎস্য শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, টানা কয়েক মাস তারা অলস সময় কাটিয়েছেন। এখন হয়তো সুদিন ফিরবে। নগরীর পাড়া-মহল্লায়ও অনেক খুচরা বিক্রেতাকে ফেরি করে ইলিশ বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে এ ইলিশের প্রভাব তেমন একটা পড়েনি খুচরা বাজারে। সেখানে এখনও চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে এ রুপালি ইলিশ। এ ব্যপারে মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক ড. মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সবে মাত্র ইলিশ আশা শুরু করেছে। গত বছরও আগস্টের শেষ দিকে ইলিশ ধরা পড়া শুরু হয়। বরিশাল মোকামে সাগরের ইলিশ এসেছে। তিনি বলেন, এ মাসের মধ্য ভাগে ব্যাপক ইলিশ ধরা পড়বে বলে মনে হচ্ছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাদের চেষ্টার কমতি থাকবে না বলে মৎস্য অফিসার ওয়াহিদুজ্জামান জানান।