ঢাকা , বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশ এইচপি দল ঘোষণা Logo সহিংসতার পর সিরিয়ায় বাস্তুচ্যুত কুর্দিদের নিজ শহরে ফেরার কার্যক্রম স্থগিত Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কলম্বিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ১৫ কোটি ডলারের সহায়তা ঘোষণা Logo দাবানলের ধোঁয়ার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo কর্মসংস্থান বাড়াতে বাংলাদেশে ভিসার প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার স্থাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ Logo বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতা করতে সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী Logo জিসানের ঝড়ো হাফ-সেঞ্চুরিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ এইচপি Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo এবার ভঙ্গুর এই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের পালা : প্রধানমন্ত্রী

ধামরাইয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে যেয়ে সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার

প্রতিনিধির নাম :

শওকত হোসেন সৈকত ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
ঢাকার ধামরাই উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় মাতাব্বরের ছেলে কর্তৃক দুই স্থানীয় সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হন। গতকাল রবিবার স্বাধীন সংবাদ প্রত্রিকার প্রতিনিধি ও সন্ধ্যাবানী প্রত্রিকার প্রতিনিধি দুই জন সাংবাদিক শ্রীরামপুর গ্রামে ৪ জুন ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনার তথ্য আনতে যেয়ে প্রভাবশালী মাতাব্বর মিনজাহ উদ্দিন মিনার বাড়ীতে তাহারা মতিয়ার রহমান কর্তৃক সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়। মিনা মাতাব্বরের সহযোগিতায় তাহার ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল সেট ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এবং তাদেরকে বিভিন্ন ন্যাকেটভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে। কিছু ক্ষণ পর পর তাদের উপর লাঠি এবং চর থাপ্পর নিয়ে যায়। তার পর তাদের দুই ঘন্টা আটক রাখা হয়। পরে মিনহাজ উদ্দিনের ছোট ছেলে হারুন সংবাদ পেয়ে বাড়ীতে এসে উক্ত ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে ধামরাই প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদীকদের হস্তক্ষেপে তাদের উদ্দার করা হয়। যানা যায় গত ৪ জুন মুসলেম উদ্দিনের ছেলে পুলিশ সদস্য রুবেল হোসেন কর্তৃক গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় রুবেলকে স্থানীয় লোকেরা আটক করে। পরে মিনহাজউদ্দিনের হস্থক্ষেপে উদ্দান করে তার কর্মস্থলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। উক্ত ঘটনা ৬ লক্ষ টাকায় মিমাংসা করেন মিনহাজ উদ্দিন মাদবর। কিন্তু ধর্ষীতা গার্মেন্টস কর্মী কোন টাকা না পাওয়ায় ধামরাই থানায় ১টি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্ররিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা মিনহাজউদ্দিনের বাড়ীতে গেলে মিনহাজউদ্দিন ও তাহার বড় ছেলে মতিয়ার রহমান সাংবাদিকদের নির্যাতন করেন। উক্ত ঘটনায় স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গ নিন্দা প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে থানাই ১টি মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮
১৮ বার পঠিত হয়েছে

ধামরাইয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে যেয়ে সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার

আপডেট এর সময় : ০২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮

শওকত হোসেন সৈকত ভ্রাম্যমান প্রতিনিধিঃ
ঢাকার ধামরাই উপজেলার সূতিপাড়া ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে স্থানীয় মাতাব্বরের ছেলে কর্তৃক দুই স্থানীয় সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হন। গতকাল রবিবার স্বাধীন সংবাদ প্রত্রিকার প্রতিনিধি ও সন্ধ্যাবানী প্রত্রিকার প্রতিনিধি দুই জন সাংবাদিক শ্রীরামপুর গ্রামে ৪ জুন ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ঘটনার তথ্য আনতে যেয়ে প্রভাবশালী মাতাব্বর মিনজাহ উদ্দিন মিনার বাড়ীতে তাহারা মতিয়ার রহমান কর্তৃক সাংবাদিকরা নির্যাতিত হয়। মিনা মাতাব্বরের সহযোগিতায় তাহার ছেলে ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে মোবাইল সেট ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। এবং তাদেরকে বিভিন্ন ন্যাকেটভাষায় গালি গালাজ করতে থাকে। কিছু ক্ষণ পর পর তাদের উপর লাঠি এবং চর থাপ্পর নিয়ে যায়। তার পর তাদের দুই ঘন্টা আটক রাখা হয়। পরে মিনহাজ উদ্দিনের ছোট ছেলে হারুন সংবাদ পেয়ে বাড়ীতে এসে উক্ত ঘটনার দুঃখ প্রকাশ করেন। পরে ধামরাই প্রেসক্লাবের সিনিয়র সাংবাদীকদের হস্তক্ষেপে তাদের উদ্দার করা হয়। যানা যায় গত ৪ জুন মুসলেম উদ্দিনের ছেলে পুলিশ সদস্য রুবেল হোসেন কর্তৃক গার্মেন্টস কর্মীকে ধর্ষণের ঘটনায় রুবেলকে স্থানীয় লোকেরা আটক করে। পরে মিনহাজউদ্দিনের হস্থক্ষেপে উদ্দান করে তার কর্মস্থলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। উক্ত ঘটনা ৬ লক্ষ টাকায় মিমাংসা করেন মিনহাজ উদ্দিন মাদবর। কিন্তু ধর্ষীতা গার্মেন্টস কর্মী কোন টাকা না পাওয়ায় ধামরাই থানায় ১টি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের প্ররিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকরা মিনহাজউদ্দিনের বাড়ীতে গেলে মিনহাজউদ্দিন ও তাহার বড় ছেলে মতিয়ার রহমান সাংবাদিকদের নির্যাতন করেন। উক্ত ঘটনায় স্থানীয় গণ্য মান্য ব্যক্তি বর্গ নিন্দা প্রকাশ করেছে। এ বিষয়ে থানাই ১টি মামলার প্রস্তুতি চলছে।