ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাণিজ্য সক্ষমতা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে ডব্লিউটিও Logo কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী কর্মশালা Logo ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, সুনামি সতর্কতা জারি Logo জেরুজালেমের আকাশে একাধিক বিস্ফোরণ, ফের ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি ইসরাইলের Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ব্যক্তিগত স্টাফদের বেতন নির্ধারণ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন Logo বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo সম্পর্ক পর্যালোচনা, বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ ও রাশিয়া: মস্কো Logo চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সাক্ষাৎ Logo কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খুলনা-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকট; পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ

নড়াইলে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায় ৯ জনের ফাঁসি

প্রতিনিধির নাম :

 

নড়াইলের আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষ রায় ওরফে হানু হত্যা মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯ জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার এ রায় দেন। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। রায় ঘোষণাকালে সব আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নড়াইল জেলা ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাহিদুর রহমান মিনা ওরফে শহিদ (৫২), তার ভাই মো. ইলিয়াছ মিনা (৫৬), সাহিদুর রহমান মিনার ছেলে মো. আশিকুর মিনা (২২), রাসেল মিনা (৩০), বাশার মোল্লা (৩০), রবিউল মোল্লা (২৫), এনায়েত মোল্লা (৫৩), ইয়াসিন মোল্লা (২৪) ও মামুন মিনা (২৮)। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক।

আইনজীবীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাষ রায় নৌকার পক্ষে কাজ করেন। অপরদিকে আসামি মো. সাহিদুর রহমান মিনা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যানের সমর্থকরা প্রভাষ রায়ের বাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় প্রভাষ রায় চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনার জেরে ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রভাষ রায়কে হত্যা করা হয়।

ঘটনার একদিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের স্ত্রী টুটুল রানী বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ভবতোষ রায় ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮
১১ বার পঠিত হয়েছে

নড়াইলে আওয়ামী লীগ নেতা হত্যা মামলায় ৯ জনের ফাঁসি

আপডেট এর সময় : ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০১৮

 

নড়াইলের আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষ রায় ওরফে হানু হত্যা মামলায় এক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৯ জনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার দুপুরে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমএ রব হাওলাদার এ রায় দেন। ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। রায় ঘোষণাকালে সব আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নড়াইল জেলা ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সাহিদুর রহমান মিনা ওরফে শহিদ (৫২), তার ভাই মো. ইলিয়াছ মিনা (৫৬), সাহিদুর রহমান মিনার ছেলে মো. আশিকুর মিনা (২২), রাসেল মিনা (৩০), বাশার মোল্লা (৩০), রবিউল মোল্লা (২৫), এনায়েত মোল্লা (৫৩), ইয়াসিন মোল্লা (২৪) ও মামুন মিনা (২৮)। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক।

আইনজীবীরা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রভাষ রায় নৌকার পক্ষে কাজ করেন। অপরদিকে আসামি মো. সাহিদুর রহমান মিনা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নির্বাচনের পর চেয়ারম্যানের সমর্থকরা প্রভাষ রায়ের বাড়ি ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় প্রভাষ রায় চেয়ারম্যানসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনার জেরে ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রভাষ রায়কে হত্যা করা হয়।

ঘটনার একদিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের স্ত্রী টুটুল রানী বাদী হয়ে নড়াইল সদর থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক ভবতোষ রায় ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।