1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
কুমিল্লা নগরীর চর্থায় দুর্ধর্ষ চুরি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শরীরে জিংকের ঘাটতি পূরণে করণীয় ইরাকের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম : এনবিআর জয়পুরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মাগুরায় অনিয়মের দায়ে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভেনেজুয়েলার আইন প্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া খনি আইন সংস্কার বিষয়ে সম্মত রেকর্ডের পঞ্চম উষ্ণতম ফেব্রুয়ারি, ইউরোপে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত

বীজের ওজনই ৪৪ কেজি

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : শনিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৮

কোকো ডে ম্যার। এটি একটি ফল। এই ফলটি মূলত তার বীজের জন্য বিখ্যাত। ফলদ এই গাছের বীজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ এবং সর্বোচ্চ ওজনের সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক বীজ।

বিরল এই ফলের গাছ বর্তমানে ভারত মহাসাগরের প্রালিন দ্বীপের ন্যাশনাল পার্ক এবং কুরিয়াস দ্বীপের মেরিন ন্যাশনাল পার্কে পাওয়া যায়। প্রালিনেই এ গাছ বেশি দেখা যায়। এই দ্বীপ দুটি ১১৫টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত সেশেলজ দ্বীপপুঞ্জের সদস্য।

গত জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহ দ্বীপপুঞ্জের ওই দ্বীপ দুটি ঘুরে বিচিত্র এই ফলের বীজ দেখার সুযোগ হয়েছিল।

কোকো ডে ম্যার বীজ দেড় ফুট লম্বা হয়। এর ব্যাস ৩ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। ওজন ২০ কেজি থেকে শুরু। বীজের রেকর্ড সর্বোচ্চ ওজন ৪৪ কেজি।

বিস্ময়কর হলো, এ গাছে ফুল আসতে ২০ থেকে ৪৫ বছরও সময় লেগে যায়। পূর্ণাঙ্গ ফল হতে লাগে সাত বছর। কোকো ডে ম্যারের বীজ অঙ্কুরোদ্গমের জন্য সময় নেয় দুই বছর। বীজের রং গাঢ় বাদামি বা কালচে খয়েরি বা প্রায় কালচে হতে পারে। ভারত, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেনে এই বীজ সংরক্ষিত রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য।

কোকো ডে ম্যার গাছের উচ্চতা মাটি থেকে দেড় শ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। বোটানিক্যাল নাম lodoicea maldivica। এটি পাম প্রজাতির গাছ। একেকটি গাছ ২০০ থেকে ৩০০ বছর বাঁচে। একটি মাদি গাছ সাধারণত ১০০ ফল দেয়। শুকনো পাতা স্পন্দনশীল। দাবদাহ, ভূমিকম্প থেকে এ গাছ ভূমিকে রক্ষা করে। প্রকৃতির ইকোসিস্টেম রক্ষায় সহায়ক এ গাছ।

এই ফলের অন্য অনেক নাম রয়েছে। লাভনাট, সি কোকোনাট, ডাবল কোকোনাট, কোকো ফেসে ইত্যাদি। ফলের শ্বাস জেলির মতো। পরিপক্ব হলে শক্ত হয়ে যায়। আইসক্রিম, কাস্টার্ড, সালাদ অথবা অ্যাপেটাইজার হিসেবে এটা ব্যবহৃত হয়। ফল আয়ুর্বেদিক ওষুধ, ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধে ব্যবহৃত হয়।

পাতা ফ্যান আকারের। পাতা লম্বায় ১২ ফুট, প্রশস্তে ৬ ফুট হয়। এর ফুল বিশ্বের পুরো পাম প্রজাতির গাছের মধ্যে সর্ববৃহৎ। কোকো ডে ম্যার গাছের বৃদ্ধির হারের ধীরগতি এবং বিশেষ পুষ্টিসমৃদ্ধ মাটির স্বল্পতার কারণে গাছটি এখন ধ্বংসের মুখে। তাই গাছটি এখন লাল তালিকাভুক্ত, মানে বিপন্ন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews