1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
জয় দিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ ঈদের ছুটিতে সীমিত আকারে চলবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম : এনবিআর জয়পুরহাটে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত মাগুরায় অনিয়মের দায়ে দু’টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ভেনেজুয়েলার আইন প্রণেতারা যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া খনি আইন সংস্কার বিষয়ে সম্মত রেকর্ডের পঞ্চম উষ্ণতম ফেব্রুয়ারি, ইউরোপে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ: বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক প্রভাব আগামী মাসের মধ্যে কৃষক ভাইদের কাছেও কৃষক কার্ড তুলে দিতে সক্ষম হবো : প্রধানমন্ত্রী ৫ বছরের মধ্যে ৪ কোটি পরিবারে পৌঁছাবে ফ্যামিলি কার্ড : প্রধানমন্ত্রী জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরব না : প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নেতা : অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯

জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বাংলা‌দে‌শের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা ক‌রে‌ছেন। তি‌নি ব‌লেছেন, শেখ হাসিনা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী নেতা।

মিয়ানমার থে‌কে নির্যা‌তিত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন জো‌লি।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত বুধবার রা‌তে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ কথা ব‌লেন।

জো‌লির সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বলেন, এ মুহূর্তে বিশ্বে শেখ হাসিনার মতো নেতা খুব কমই রয়েছে।

জাতিসংঘ দূত বলেন, বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশের ওপর বিশাল বোঝা সৃষ্টি করেছে। আশ্রয় শিবিরগুলোতে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের দেখভাল করা খুবই কঠিন কাজ।

এ প্রসঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন যে, জাতিসংঘ, ইউএনসিএইচআর ও বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের বোঝা লাঘবে একযোগ কাজ করবে। অ্যাঞ্জেলিনা জোলি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থানরত মিয়ানমারের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির ওপর জোর দেন।

তিনি বিশেষ করে রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য ইস্যুতে সহযোগিতার চেষ্টা করার সত্ত্বেও তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।

জোলি উল্লেখ করেন যে, তিনি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা নারীদের ওপর নির্যাতন ও তাদের হত্যার সাম্প্রতিক ঘটনা সম্পর্কে শুনেছেন।

সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের বিশেষ দূতকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা সংকট অবশ্যই সমাধান করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার বাংলাদেশের নিকট প্রতিবেশী এবং তাদের নাগরিকদের প্রত্যাবাসনে দেশটির সঙ্গে একটি চুক্তি ও স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে শেখ হাসিনা সেই চুক্তি বাস্তবায়নে বিলম্বে হতাশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে আশ্রয় শিবিরগুলোতে এ পর্যন্ত ৪০ হাজার মতো নতুন শিশুর জন্ম হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে তার সরকারের গৃহীত উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এক লাখের বেশি শরণার্থী সেখানে অপেক্ষাকৃত উন্নত পরিবেশে সাময়িক আশ্রয় পাবে।

এ প্রসঙ্গে তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের এক কোটির বেশি লোক পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় নেয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার বিবরণ দেন।

শেখ হাসিনা ১৯৭১ সালে তার মাসহ তিনি ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের গৃহবন্দী থাকার এবং ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ৬ বছর ধরে তার নির্বাসনে থাকার মুহূর্তগুলোর বর্ণনা দেন।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাঞ্জেলিনা জোলি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সেই বেদনাময় কাহিনী শুনে দুঃখ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর ভগ্নিপুত্র রেদোয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব নজিবুর রহমান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews