
অনলাইন ডেস্ক: তীব্র শীত আর কনকনে হিমশীতল ঠান্ডা বাতাসে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়েছে সর্বোত্তরের জেলা পঞ্চগড়। বিশেষ করে হিমালয়ের খুব কাছাকাছি হওয়ায় উত্তর দিক থেকে বয়ে আসা কনকনে হিম বাতাসে তাপমাত্রা গত কয়েকদিন ধরে ১২ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। আজ হঠাৎই তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রির ঘরে নেমে গেছে। এতে মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।
এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেন।
এ অঞ্চলটি হিমালয় নিকটবর্তী হওয়ায় কনকনে ঠান্ডা ও কুয়াশায় আবৃত হয়ে পড়েছে চারদিক। শীতার্ত মানুষেরা তীব্র কষ্টে দিন পার করছেন। গত কয়েকদিন ধরে রোদেরও দেখা মিলেনি। দিনমজুর, চা ও পাথর শ্রমিক শ্রেণির মানুষেরা শীতের তীব্রতায় কাজও করতে পারছে না। ফলে আয় কমেছে তাদের। এসব কারণে এ জেলার শীতার্ত ও ছিন্নমূল মানুষের রাত কাটে এখন অসহনীয় দুর্ভোগে। শীতের একেকটি রাত যেন তাদের কাছে দুঃস্বপ্ন। প্রাকৃতিক এই বৈরিতা থেকে বাঁচতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যের আবেদন অসহায় মুখগুলোর।
এদিকে তীব্র শীত আর একটানা কুয়াশার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু ও বৃদ্ধারা। প্রতিনিয়তই সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় গণমাধ্যমকে বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিম বাতাস আর কনকনে তীব্র শীতে মৃদু শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ১০০ শতাংশ ছিল। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬-৮ কিলোমিটার ছিল।
এর আগের দিন তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। এছাড়াও গত কয়েকদিন ধরে সকালে ও সন্ধ্যার পর কুয়াশা নামে।