1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
জাতীয় নির্বাচন উপলক্ষে দিনাজপুর হিলি স্থলবন্দর ৩ দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে মাগুরায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্র সফরের প্রাক্কালে কূটনীতিতে ‘ধ্বংসাত্মক’ প্রভাবের সতর্কতা ইরানের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তুরস্কের নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শহীদ শরীফ ওসমান হাদির পরিবারকে ফ্ল্যাটের দলিল হস্তান্তর প্রধান উপদেষ্টার ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহে ৫৩.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ৪১ বছর বয়সে ২০২৮ অলিম্পিকে খেলতে চান জকোভিচ খাগড়াছড়ির দুর্গম ভোটকেন্দ্রে হেলিকপ্টারে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছেছে মিথ্যা, আতঙ্ক আর ট্রমা, জোরপূর্বক রুশ সেনায় নিয়োগের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বললেন কেনিয়রা

লিবিয়া উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিসহ নৌকাডুবি, ৪ জনের মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : রবিবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে ২৬ বাংলাদেশিসহ একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এখন তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

এছাড়া একই উপকূলে অর্ধশতাধিক সুদানিসহ পৃথক আরেকটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে দ্বিতীয় ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে এই ঘটনা ঘটে।

এক প্রতিবেদনে রোববার (১৬ নভেম্বর)  এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তর-পশ্চিম লিবিয়ার আল-খোমস উপকূলে প্রায় ১০০ জনকে বহনকারী দুটি অভিবাসী নৌকাডুবির ঘটনায় কমপক্ষে চারজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে আল-খোমসের তীরের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর তারা পায়। প্রথম নৌকাটিতে ছিলেন বাংলাদেশের ২৬ নাগরিক। তাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আর দ্বিতীয় নৌকাটিতে ছিলেন মোট ৬৯ জন। এর মধ্যে দুজন মিসরীয় এবং বাকি ৬৭ জন সুদানি নাগরিক। তাদের মধ্যে আটজন শিশু।রেড ক্রিসেন্ট জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে জীবিতদের উদ্ধার। এছাড়া মৃতদের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি সবাইকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার কাজও তারা করে।

মূলত অবৈধভাবে ভূমধ্যসাগর দিয়ে ইউরোপ যাওয়ার জন্য বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় রুট হচ্ছে লিবিয়া। ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশটি ইউরোপগামী অভিবাসীদের ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়। বর্তমানে সাড়ে ৮ লাখেরও বেশি অভিবাসী লিবিয়ায় অবস্থান করছে। গাদ্দাফির শাসনামলে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসীরা তেলসমৃদ্ধ লিবিয়ায় কাজ পেত, কিন্তু তার পতনের পর থেকে দেশটি প্রতিদ্বন্দ্বী মিলিশিয়াদের সংঘাতে জর্জরিত হয়ে পড়েছে।

অধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘ সংস্থাগুলো বলছে, লিবিয়ায় শরণার্থী ও অভিবাসীরা নিয়মিতভাবে নির্যাতন, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজির শিকার হয়ে থাকে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews