1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
চট্টগ্রামে নির্মাণ শ্রমিক হত্যা মামলার আসামি কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার ইরানি গ্যাসক্ষেত্রে হামলা, উপসাগরীয় জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা আঘাত তেহরানের মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে আইএমও’র বিশেষ অধিবেশনে বাংলাদেশ সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ঈদের দিন সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী ঈদের ছুটিতেও গুলশান বাসভবন থেকে সরকারি জরুরি কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিকল্প দায়িত্বে থাকবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর : প্রজ্ঞাপন জারি বিপুল ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট মাইকেল গ্রেফতার ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে না: সড়কমন্ত্রী

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে রায় ২ সেপ্টেম্বর

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বুধবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক: বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির দিকে দেশ এগোচ্ছে। হাইকোর্ট আগামী সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) এই বিষয়ে রায় ঘোষণা করবেন।

বুধবার (১৩ আগস্ট) বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রায়ের দিন নির্ধারণ করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এবং ইন্টারভেনর হিসেবে যুক্ত ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।

বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অধস্তন আদালতে দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ, পদোন্নতি, বদলি, ছুটি মঞ্জুর ও শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে, যা তিনি সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে প্রয়োগ করেন। কিন্তু ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে এই ক্ষমতা ছিল সম্পূর্ণভাবে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে।

রিটকারী আইনজীবীদের দাবি—এই পরিবর্তনের ফলে নির্বাহী বিভাগ বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে, যা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার পথে বড় বাধা। এ কারণেই মূল ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশনা এবং ২০১৭ সালের জুডিশিয়াল সার্ভিস (শৃঙ্খলা) বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করা হয়।

গত বছরের ২৫ আগস্ট ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট শিশির মনির হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। একই দিনে অপর একটি দলও রিট দায়ের করে, যাতে বিচার বিভাগীয় পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ওই বছরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চান—বর্তমান ১১৬ অনুচ্ছেদ ও সংশ্লিষ্ট বিধিমালা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না। আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়।

প্রথমে মামলাটি বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগে পদোন্নতি পাওয়ায় বেঞ্চটি ভেঙে যায়। পরবর্তীতে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ নতুন বেঞ্চ গঠন করে দেন, যার নেতৃত্বে ছিলেন বিচারপতি আহমেদ সোহেল।

এই বেঞ্চে ২৩ এপ্রিল থেকে ধারাবাহিকভাবে শুনানি শুরু হয়, যা কয়েক দফায় স্থগিত হওয়ার পর ১৩ আগস্ট চূড়ান্তভাবে শেষ হয়। আদালত এরপর ২ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

আইনজীবী মহল ও বিচার বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় দেশের বিচার বিভাগের কাঠামো ও স্বাধীনতা নিয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews