1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ড. মঞ্জুরের প্রথমদিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচী খুলনায় ইয়াবা উদ্ধার করে পুরস্কৃত হলেন ১১ পুলিশ সদস্য ভারতে এআই সম্মেলনে ভাষণ বাতিল করলেন বিল গেটস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সাক্ষাৎ বরকতময় মাস মাহে রমজান শুরু, ব্যাংক ও অফিস চলছে পরিবর্তিত সময়সূচিতে কর্তব্য পালনকালে সড়ক দুর্ঘটনায় সেনাসদস্যের মৃত্যু ডিএসইতে দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ, অধিকাংশ কোম্পানির দর কমেছে মাদারীপুরে নার্সিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত বাণিজ্য চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের পরিকল্পনা জাপানের : ট্রাম্প

সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে সরকারের প্রতি উচ্চ প্রত্যাশা ড. মঞ্জুরের

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

অনলাইন ডেস্ক:     পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)-এর সদস্য ও দেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. মঞ্জুর হোসেন সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতের মাধ্যমে অর্থনীতিকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি উচ্চ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এই নতুন মন্ত্রিসভার সব সদস্যই অভিজ্ঞ এবং আশা করি তারা দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সন্তান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়ে ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করেন। মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন রাজধানীর জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

আলাপচারিতা কালে ড. মঞ্জুর বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী এবং গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এছাড়া বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ও যোগ্য হাতে রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘তাদের অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও রাজনৈতিক দূরদর্শিতার মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।’

নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ড. মঞ্জুর বলেন, শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে সরকারকে তিনটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে— বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ।

তিনি আরো বলেন, ‘এই রাজনৈতিক উত্তরণের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসবে এবং তারা আগামী দিনগুলোতে বড় পরিসরে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবেন বলে আশা করি।’

ড. মঞ্জুর আরো বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি একটি ‘অনন্য’ ও ‘যুগান্তকারী’ উদ্যোগ, যা সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে, বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য।

তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে বিদ্যমান অপচয় ও ফাঁক-ফোকর দূর হবে এবং দেশ প্রকৃত অর্থে কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরিত হবে।

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের ধীরগতি প্রসঙ্গে জিইডি সদস্য বলেন, কঠোর তদারকির কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বাস্তবায়ন হার কিছুটা কমেছে। তবে, নতুন রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় তা দ্রুততর হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে না হলেও আগামী অর্থবছরে কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এডিপি বাস্তবায়ন হার অবশ্যই বাড়বে। উন্নয়ন ব্যয়ও বাড়বে। পাশাপাশি সরকারকে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে বাছাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

তিনি আরো পরামর্শ দেন, দেশের স্বার্থে একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বিদেশি ঋণ না নেওয়া এবং ঋণের স্থায়িত্ব (ডেট সাসটেইনেবিলিটি) বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

জিইডির সর্বশেষ ‘ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক’ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রায় ৫ শতাংশ হতে পারে, যদিও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। মূল্যস্ফীতি ধীরে ধীরে কমবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণ প্রক্রিয়ায় টেকসই অগ্রগতির জন্য শক্তিশালী সুশাসন, নীতির ধারাবাহিকতা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি, যাতে তৈরি পোশাক খাতের বাইরে অর্থনীতির বহুমুখীকরণ সম্ভব হয়।

জিইডি আরো উল্লেখ করেছে, স্থিতিশীল ও সংস্কারমুখী রাজনৈতিক পরিবেশ এবং স্মার্ট প্রযুক্তির সংযোজনের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যের শ্রমনির্ভর মডেল থেকে উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রূপান্তর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews