
সাইফুল সুমন ঃ গাছ চুরি, মানুষকে মারধর সহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে কাউন্সিল শওকত হাসেম শকুর সহযোগী নবীসহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে এবার মাদক নির্মূলের নামে তল্লা সবুজবাগ এলাকার একটি বাড়িতে ঢুকে নগদ টাকা ফ্রিজ সহ বিভিন্ন মালামাল লুটে নেয় নবী বাহিনী। পরে এ বিষয়ে ফতুল্লা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভুগী এক নারী। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার মধ্যরাতে নবী ও তার বাহিনীর ১০ থেকে ১২ জন সদস্য তার ভাড়া বাড়িতে প্রবেশ করে শাহিন নামের এক ব্যক্তিকে খোঁজ করে। পুরো বাড়ি খুঁজাখুঁজি করার পর এক পর্যায় সেই নারীর ঘরে প্রবেশ করে তারা। তবে ঘরে কাউকে খুঁজে না পেয়ে ঘরে থাকা নগদ টাকা ফ্রিজ সহ সব মালামাল লুটে নেয়। তিনি আরও বলেন, মালামাল লুটে বাঁধা দেয়ায় নবী ও তার লোকজন বলেন এসব বিষয় কাউকে কিছু বল্লে একদম মাইরা এলাকা থেইকা বের করে দিমু।
জানা যায়, গত আগষ্ট মাসে নাসিক ১২ নং ওয়ার্ড¯’ল গঞ্জে আলী খাল সংস্কার করার নামে রেলওয়ের ৭০ টি সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছিলো ১২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু ও তার সহযোগী নবী বাহিনীর বিরুদ্ধে। তবে সে সময় গাছ চুরির বিষয়টি পুরোপুরি এরিয়ে যায় নাসিক মেয়র। তবে মেয়র বলেন এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবে ¯’ানীয় কাউন্সিলর শওকত হাশেম শকু। তবে কাউন্সিলর প্রথমে বলেন খাল সংস্কারের জন্য গাছ কাটা হয়েছে। পরে মেয়রের অনুমতির আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি কাউকে গাছ কাটতে অনুমতি দেইনি। কারা কেটেছে তাও বলতে পারবো না। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ¯’ানীয় কাউন্সিল শওকত হাশেম শকুর সহযোগী নবী ও তার বাহিনী নিজেরাই মাদকের সাথে জড়িত। তারা মাদক সেবন ও ক্রয়, বিক্রয়ের সাথে সরাসরি যুক্ত। তার পরেও কাউন্সিলরের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তল্লা, খানপুর, বৌউবাজার, ব্যাংক কলোনি, সহ বিভিন্ন এলাকায় মাদক নির্মূলের নামে সাধারন মানুষদের হয়রানি করে থাকে। মাঝে, মাঝে নিজেরাই মাদক নির্মূলের নামে মানুষের বাসায় ঢুকে তাদের মালামাল সহ সর্বশ লুটে নেয়। তবে এসব বিষয়ে কেউ বাঁধ দিতে চাইলে তাদের হুমকি এমনকি মারধর করে এলাকা থেকে বের করে দেওয়া হয়ে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, শুধু ১২নং ওয়ার্ড না পুরো খানপুর, তল্লা এলাকায় অনেক প্রভাব রয়েছে নবী ও তার বাহিনীর। তারা নিজেরাই বিভিন্ন সময় প্রশাসনের ভূমিকা পালন করে থাকেন। তাদের সরকারি গাছ চুরি আর মানুষের মালামাল লুট করতে কারও অনুমতি প্রয়োজন পরে না। তাদের এই বাহিনীটি সংস্কার, সমাজসেবা ও মাদক নির্মূলের নামে দীর্ঘদিন ধরেই চুরি, ছিনতাই করে বেরা”ছ বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। গোপন সূত্রে জানা যায়, এই নবী বাহিনীর প্রতিটি সদস্যই মাদকের সাথে সরাসরি জড়িত। তারা শহরের খানপুর ব্যাংককোলনি এলাকার একটি রিকশার গ্যারেজে বসে সব সময়ই মাদক সেবন করে থাকে। এমনকি এখানে অব¯’ান করেই বিভিন্ন মাদকের বড় বড় ডিলাররা বিভিন্ন খুচরা মাদক বিক্রেতাদের কাছে মাদক বিক্রি করেন।