ঢাকা , রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাংলাদেশ-মালদ্বীপ সম্পর্ক জোরদারে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির Logo নাগোয়ায় টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন তারেক রহমান Logo বালুরমাঠে এসআরবির অভিযান, গাঁজাসহ আটক ৪ Logo কাজাখস্তানকে হারিয়ে আর্চারিতে বাংলাদেশের মেয়েদের সোনালি সাফল্য Logo ইনানীতে ৩২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে গ্যাসের আগুন, গ্যাসকূপের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে বাপেক্স Logo রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে জাপানের সহযোগিতা চান তারেক রহমান Logo বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান Logo শিশু-কিশোরদের ক্ষতির অভিযোগে মেটা-স্ন্যাপের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন মামলা Logo তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা জাপানের প্রধানমন্ত্রীর Logo ইয়েমেনে জ্বালানি ও অক্সিজেন সংকটে হাসপাতাল, ঝুঁকিতে রোগীরা

খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

প্রতিনিধির নাম :
খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

দিন দিন ভাঙছে নদী, বাড়ছে মানুষ। ফসলি জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বসতবাড়ি। ফলে দশমিনা উপজেলায় লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কমছে ফসলি জমি।

অল্প জমিতে অধিক উৎপাদন ও লাভের আশায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর তীরঘেঁষা উপকূলীয় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকও ঝুঁকছেন উফশী জাতের ফসল উৎপাদনের দিকে।

উচ্চফলনশীল খাটো জাতের নারকেল গাছের প্রতি কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। আর এ জাতের নারকেল চাষে দশমিনা উপজেলায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার হাটবাজারগুলোয় অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারকেলগাছের ফলন বা বীজ প্রাপ্তির সংখা দিন দিন কমে আসছে। সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা খাটো জাতের নারকেল চারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাধ্যমে প্রতিটি ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে।

বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারায় কৃষকের আগ্রহ থাকলেও, প্রতিটি চারা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় হতদরিদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক মো. কাসেম মৃধা বলেন, ‘রিকশা চালিয়ে যা পাই, তা দিয়ে ৬ সদস্য পরিবার ও কিস্তির টাকা পরিশোধ করে হাতে আর টাকা থাকে না। উল্টো মুদি দেকানে থাকে বাকি। তয় হুনছি কৃষি অফিস খাটো জাতের নারিকেল চারা বিক্রি করছে। হেই গাছে অনেক ফল হয়। ওই চারা ৭-৮টা লাগাতে পারলে আমাগো সংসারে আর অভাব থাকব না।’

আরজবেগী গ্রামের চান মিয়া, পচু মোল্লা, শাহজাহান ও হাফেজ প্যাদা বলেন, ‘এত টাহা (টাকা) দিয়া কেমনে খাটো নারিকেল চারা কিনমু, তার চেয়ে সরকার আমাগোরে মাগনা (বিনামূল্যে) দিতে পারে।’

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭
৪৮ বার পঠিত হয়েছে

খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

আপডেট এর সময় : ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৭
খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

দিন দিন ভাঙছে নদী, বাড়ছে মানুষ। ফসলি জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বসতবাড়ি। ফলে দশমিনা উপজেলায় লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কমছে ফসলি জমি।

অল্প জমিতে অধিক উৎপাদন ও লাভের আশায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর তীরঘেঁষা উপকূলীয় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকও ঝুঁকছেন উফশী জাতের ফসল উৎপাদনের দিকে।

উচ্চফলনশীল খাটো জাতের নারকেল গাছের প্রতি কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। আর এ জাতের নারকেল চাষে দশমিনা উপজেলায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার হাটবাজারগুলোয় অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারকেলগাছের ফলন বা বীজ প্রাপ্তির সংখা দিন দিন কমে আসছে। সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা খাটো জাতের নারকেল চারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাধ্যমে প্রতিটি ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে।

বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারায় কৃষকের আগ্রহ থাকলেও, প্রতিটি চারা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় হতদরিদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক মো. কাসেম মৃধা বলেন, ‘রিকশা চালিয়ে যা পাই, তা দিয়ে ৬ সদস্য পরিবার ও কিস্তির টাকা পরিশোধ করে হাতে আর টাকা থাকে না। উল্টো মুদি দেকানে থাকে বাকি। তয় হুনছি কৃষি অফিস খাটো জাতের নারিকেল চারা বিক্রি করছে। হেই গাছে অনেক ফল হয়। ওই চারা ৭-৮টা লাগাতে পারলে আমাগো সংসারে আর অভাব থাকব না।’

আরজবেগী গ্রামের চান মিয়া, পচু মোল্লা, শাহজাহান ও হাফেজ প্যাদা বলেন, ‘এত টাহা (টাকা) দিয়া কেমনে খাটো নারিকেল চারা কিনমু, তার চেয়ে সরকার আমাগোরে মাগনা (বিনামূল্যে) দিতে পারে।’