1. rajubdnews@gmail.com : 24jibonnews : admin
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ:
বিশ্বকাপ প্লে-অফ ম্যাচ পিছিয়ে দেওয়ার অনুরোধ ইরাক কোচের রাজবাড়ীতে ঈদ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযান চলছে, কয়েকজন গ্রেফতার দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ, একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নতুন হামলার শিকার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ প্রশমনের আহ্বান চীনের বিশেষ দূতের প্রশান্ত মহাসাগরে মাদক বোট সন্দেহে মার্কিন হামলায় ৬ জনের প্রাণহানি আইজিপির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশন প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ লন্ডনে কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে ড. খলিলুর রহমানের যোগদান তামাকের ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষিদ্ধ’ করার প্রস্তাব দেওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী সরকারি দলের সংসদীয় সভা আগামী ১১ মার্চ

খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

প্রতিনিধির নাম :
  • আপডেট এর সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৭
খাটো জাতের নারকেল গাছে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

দিন দিন ভাঙছে নদী, বাড়ছে মানুষ। ফসলি জমিতে নির্মাণ হচ্ছে বসতবাড়ি। ফলে দশমিনা উপজেলায় লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও কমছে ফসলি জমি।

অল্প জমিতে অধিক উৎপাদন ও লাভের আশায় তেঁতুলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর তীরঘেঁষা উপকূলীয় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকও ঝুঁকছেন উফশী জাতের ফসল উৎপাদনের দিকে।

উচ্চফলনশীল খাটো জাতের নারকেল গাছের প্রতি কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। আর এ জাতের নারকেল চাষে দশমিনা উপজেলায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা।

সরেজমিন দেখা যায়, উপজেলার হাটবাজারগুলোয় অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারকেলগাছের ফলন বা বীজ প্রাপ্তির সংখা দিন দিন কমে আসছে। সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা খাটো জাতের নারকেল চারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মাধ্যমে প্রতিটি ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে।

বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারায় কৃষকের আগ্রহ থাকলেও, প্রতিটি চারা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় হতদরিদ্র ও প্রান্তিক চাষীদের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছে না।

উপজেলা সদর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক মো. কাসেম মৃধা বলেন, ‘রিকশা চালিয়ে যা পাই, তা দিয়ে ৬ সদস্য পরিবার ও কিস্তির টাকা পরিশোধ করে হাতে আর টাকা থাকে না। উল্টো মুদি দেকানে থাকে বাকি। তয় হুনছি কৃষি অফিস খাটো জাতের নারিকেল চারা বিক্রি করছে। হেই গাছে অনেক ফল হয়। ওই চারা ৭-৮টা লাগাতে পারলে আমাগো সংসারে আর অভাব থাকব না।’

আরজবেগী গ্রামের চান মিয়া, পচু মোল্লা, শাহজাহান ও হাফেজ প্যাদা বলেন, ‘এত টাহা (টাকা) দিয়া কেমনে খাটো নারিকেল চারা কিনমু, তার চেয়ে সরকার আমাগোরে মাগনা (বিনামূল্যে) দিতে পারে।’

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © জীবন নিউজ ২৪ ডট কম লিমিটেড
Theme Customized BY LatestNews