ঢাকা , রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo চলতি ২০২৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না ওপেনএআই Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী Logo সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১,১০,৩৬৪ কৃষক : কৃষিমন্ত্রী Logo আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী Logo হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ Logo হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর

নতুন বছরে বড় অগ্রাধিকার হবে কর্মসংস্থান বাড়ানো

প্রতিনিধির নাম :

নিজস্ব প্রতিনিধি:  চলতি বছরটা নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। বছরের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। অবশ্য বছরের প্রথম ছয় মাস যতটা খারাপ হবে ভেবেছিলাম, ততটা হয়নি। যদিও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতির পরিবর্তনও প্রয়োজন ছিল। বছরের শেষ নাগাদ সেই অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে।

এখন আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় কর্মসংস্থান। এমনিতেই দেশে কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। এখন বিগত সরকার-ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ীর কারখানা বন্ধ হওয়ায় নতুন করে চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে। এটা খুবই চিন্তার বিষয়। সুতরাং পরবর্তী বছরের বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কর্মসংস্থান বাড়ানো। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের সব বাধা দূর করতে হবে।

আমরা এখনো ব্যবসা অনুকূল দেশ হতে পারিনি। ব্যবসায়ের অনুমতি নেওয়া, নিবন্ধন বা ঋণ-সব ক্ষেত্রেই বড় বাধা রয়েছে। কত দিক থেকে ব্যবসায় বাধা দেওয়া যায়, অনেকের মধ্যে এমন একটা মনোভাব রয়েছে। ফলে ব্যবসা সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধু বড় কোম্পানি নয়; ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যও এটা সহজ করতে হবে। কারণ, তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় অবদান রাখছে।

পাশাপাশি দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করা প্রয়োজন। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঠিকভাবে কাজ করছে না। ফলে কোনো কাজই সময়মতো করা সম্ভব হচ্ছে না। ফাইল বিভিন্ন ডেস্কে ঘুরছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত আসছে না। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল করতে সরকার বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। সার্বিকভাবে আমরা এখনো একটা ঝুলন্ত অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তবে নতুন বছরে সব গুছিয়ে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪
৭ বার পঠিত হয়েছে

নতুন বছরে বড় অগ্রাধিকার হবে কর্মসংস্থান বাড়ানো

আপডেট এর সময় : ১০:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি:  চলতি বছরটা নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে। বছরের শুরুতে জাতীয় নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। অবশ্য বছরের প্রথম ছয় মাস যতটা খারাপ হবে ভেবেছিলাম, ততটা হয়নি। যদিও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়ে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে বিদ্যমান সংকটময় পরিস্থিতির পরিবর্তনও প্রয়োজন ছিল। বছরের শেষ নাগাদ সেই অবস্থার অনেকটা উন্নতি হয়েছে।

এখন আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চিন্তার বিষয় কর্মসংস্থান। এমনিতেই দেশে কর্মসংস্থানের অভাব রয়েছে। এখন বিগত সরকার-ঘনিষ্ঠ কিছু ব্যবসায়ীর কারখানা বন্ধ হওয়ায় নতুন করে চাকরি হারাচ্ছেন অনেকে। এটা খুবই চিন্তার বিষয়। সুতরাং পরবর্তী বছরের বড় অগ্রাধিকার হওয়া উচিত কর্মসংস্থান বাড়ানো। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের সব বাধা দূর করতে হবে।

আমরা এখনো ব্যবসা অনুকূল দেশ হতে পারিনি। ব্যবসায়ের অনুমতি নেওয়া, নিবন্ধন বা ঋণ-সব ক্ষেত্রেই বড় বাধা রয়েছে। কত দিক থেকে ব্যবসায় বাধা দেওয়া যায়, অনেকের মধ্যে এমন একটা মনোভাব রয়েছে। ফলে ব্যবসা সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধু বড় কোম্পানি নয়; ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যও এটা সহজ করতে হবে। কারণ, তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় অবদান রাখছে।

পাশাপাশি দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক করা প্রয়োজন। অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঠিকভাবে কাজ করছে না। ফলে কোনো কাজই সময়মতো করা সম্ভব হচ্ছে না। ফাইল বিভিন্ন ডেস্কে ঘুরছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত আসছে না। দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল করতে সরকার বেশ কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ নিয়েছে। তবে আরও কিছু ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। সার্বিকভাবে আমরা এখনো একটা ঝুলন্ত অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। তবে নতুন বছরে সব গুছিয়ে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।