ঢাকা , রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এক রানেরও কম ইকোনমিতে রেকর্ড বইয়ে রবিনসন Logo শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় মাদক জব্দ Logo ইইউর সদস্যপদ বিষয়ে আলোচনা পুনরায় শুরু করবে কি না, এ নিয়ে আইসল্যান্ডে গণভোট Logo বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, প্রাণহানি ৬৩৩ Logo ৭৪ জনকে চাকুরির নিয়োগপত্র প্রদান প্রধানমন্ত্রীর Logo গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo আত-তানযীল ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে সীরাত অলিম্পিয়াড ছোটদের হৃদয়ে নবীপ্রেম প্রতিপাদ্যে প্রাণবন্ত আয়োজন ২০২৬  Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি

ধানমন্ডি সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ | সাব-রেজিষ্টার আবুল হোসেন ও তার ওমেদার রানা চেীধুরীর খুঁটির জোর কোথায়?

প্রতিনিধির নাম :

মোরশেদ আলম : ঢাকার তেজগাঁও রেজিষ্ট্রি কমপ্লেক্স্রের ধানমন্ডি থানা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব রেজিষ্ট্রার জনাব আবুল হোসেন ও তার ওমেদার রানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায় জমি দাতা ও জমি গ্রহীতার নিকট থেকে সার্ভার সমস্যা দাগ-খতিয়ান মিউটেশনের খুটিনাটি ত্রæটি দেখিয়ে এবং নানাবিধ অজুহাত উপস্থাপন করে ক্রেতা বিক্রেতার পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী শতাধিক দাতা গ্রহীতা আমাদের প্রতিবেদককে এ তথ্য জানান।

খবরে আরও উল্লেখ থাকে যে, ক্রাইম রিপোর্টার পাথর আহমেদ গত ২৮/০১/২০২৫ ইং মঙ্গলবার ধানমন্ডি রেজিষ্ট্রি অফিসে দুর্নীতি অনুসন্ধানে গেলে সাব-রেজিষ্ট্রারের ইন্ধনে তার দুর্নীতির একান্ত সহযোগী ওমেদার রানা চৌধুরী তার সাথে চরম দুর্ব্যবহার পূর্বক তাকে বের করে দেয় এবং বলে “তোর থেকে বড়ো বড়ো সাংবাদিক, পুলিশ এমনকি আইজিআরও (ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রার) আমাদের পকেটে থাকে, তুই যা পারিস তা করিস।”

রিপোর্টার প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওমেদার রানা। তৎক্ষনাৎ রিপোর্টার পাথর আহমেদ তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দারস্থ হয়েও অদৃশ্য কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি থানা কর্তৃপক্ষ। আরো জানা যে, ওমেদার রানা চৌধুরী নিজকে সমন্বয়কের আত্মীয় পরিচয় দেয়। মূলতঃ সে ফেনী জেলার স্থানীয় সাবেক যুবলীগ কর্মী। সেবা প্রত্যাশীরা জানান সাব-রেজিষ্ট্রার আবুল হোসেন ও তার সহযোগী রানা চৌধুরী সাধারন সেবা প্রত্যাশী ক্রেতা-বিক্রেতার নিকট থেকে দিনের পর দিন অবৈধ প্রক্রিয়ায় লাখ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে এবং প্রশাসন তথা সংশ্লিষ্ট আইবিআর কর্মকর্তাদের তোয়াক্কা না করা এবং বহাল তবিয়তে ঘুষ বাণিজ্য অব্যাহত রাখার পেছনে তাদের খুঁটির কোর কোথায়?

চলবে………….

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
১৮ বার পঠিত হয়েছে

ধানমন্ডি সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ | সাব-রেজিষ্টার আবুল হোসেন ও তার ওমেদার রানা চেীধুরীর খুঁটির জোর কোথায়?

আপডেট এর সময় : ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মোরশেদ আলম : ঢাকার তেজগাঁও রেজিষ্ট্রি কমপ্লেক্স্রের ধানমন্ডি থানা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের সাব রেজিষ্ট্রার জনাব আবুল হোসেন ও তার ওমেদার রানা চৌধুরীর বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে জানা যায় জমি দাতা ও জমি গ্রহীতার নিকট থেকে সার্ভার সমস্যা দাগ-খতিয়ান মিউটেশনের খুটিনাটি ত্রæটি দেখিয়ে এবং নানাবিধ অজুহাত উপস্থাপন করে ক্রেতা বিক্রেতার পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী শতাধিক দাতা গ্রহীতা আমাদের প্রতিবেদককে এ তথ্য জানান।

খবরে আরও উল্লেখ থাকে যে, ক্রাইম রিপোর্টার পাথর আহমেদ গত ২৮/০১/২০২৫ ইং মঙ্গলবার ধানমন্ডি রেজিষ্ট্রি অফিসে দুর্নীতি অনুসন্ধানে গেলে সাব-রেজিষ্ট্রারের ইন্ধনে তার দুর্নীতির একান্ত সহযোগী ওমেদার রানা চৌধুরী তার সাথে চরম দুর্ব্যবহার পূর্বক তাকে বের করে দেয় এবং বলে “তোর থেকে বড়ো বড়ো সাংবাদিক, পুলিশ এমনকি আইজিআরও (ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রার) আমাদের পকেটে থাকে, তুই যা পারিস তা করিস।”

রিপোর্টার প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় ওমেদার রানা। তৎক্ষনাৎ রিপোর্টার পাথর আহমেদ তেজগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দারস্থ হয়েও অদৃশ্য কারণে কোন কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি থানা কর্তৃপক্ষ। আরো জানা যে, ওমেদার রানা চৌধুরী নিজকে সমন্বয়কের আত্মীয় পরিচয় দেয়। মূলতঃ সে ফেনী জেলার স্থানীয় সাবেক যুবলীগ কর্মী। সেবা প্রত্যাশীরা জানান সাব-রেজিষ্ট্রার আবুল হোসেন ও তার সহযোগী রানা চৌধুরী সাধারন সেবা প্রত্যাশী ক্রেতা-বিক্রেতার নিকট থেকে দিনের পর দিন অবৈধ প্রক্রিয়ায় লাখ লাখ টাকা ঘুষ বাণিজ্য করে এবং প্রশাসন তথা সংশ্লিষ্ট আইবিআর কর্মকর্তাদের তোয়াক্কা না করা এবং বহাল তবিয়তে ঘুষ বাণিজ্য অব্যাহত রাখার পেছনে তাদের খুঁটির কোর কোথায়?

চলবে………….