ঢাকা , রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ

প্রতিনিধির নাম :

ভারত থেকে ‘বিফ’ অর্থাৎ গরুর মাংস আমদানির জন্য বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ীর এক প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেছেন, এই আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই এবং এতে দেশের পশু খামারিরা সঙ্কটে পড়বেন। তিনি জানান, তারা তাদের আপত্তির কথা লিখিতভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দিয়েছেন।

এর আগে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সমিতি এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাজারে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানি একটি বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে সরকারও যথেষ্ট উৎসাহী।

কিন্তু তার এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করলো, তারা এ ধরণের মাংস আমদানির বিপক্ষে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেন, গত দু-তিন বছরে বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে অসামান্য উন্নতি করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বছরে বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা ৭০ লাখ টন যার পুরোটাই এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে মাংস আমদানি করলে করলে এই খাত সঙ্কটে পড়বে।

তিনি জানান, আমদানির বদলে তারা এখন বরঞ্চ মাংস রপ্তানির সুযোগ খুঁজছেন। তিনি বলেন, “মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।”

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৮
১০ বার পঠিত হয়েছে

ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানির প্রস্তাব নাকচ

আপডেট এর সময় : ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০১৮

ভারত থেকে ‘বিফ’ অর্থাৎ গরুর মাংস আমদানির জন্য বাংলাদেশের কিছু ব্যবসায়ীর এক প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেছেন, এই আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই এবং এতে দেশের পশু খামারিরা সঙ্কটে পড়বেন। তিনি জানান, তারা তাদের আপত্তির কথা লিখিতভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দিয়েছেন।

এর আগে বাংলাদেশে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সমিতি এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, বাজারে গরুর মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের আমিষের চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে গরুর মাংস আমদানি একটি বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। তিনি জানান, এ ব্যাপারে সরকারও যথেষ্ট উৎসাহী।

কিন্তু তার এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করলো, তারা এ ধরণের মাংস আমদানির বিপক্ষে। মন্ত্রণালয়ের সচিব মাকসুদুল হাসান খান বলেন, গত দু-তিন বছরে বাংলাদেশ মাংস উৎপাদনে অসামান্য উন্নতি করেছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বছরে বাংলাদেশের মাংসের চাহিদা ৭০ লাখ টন যার পুরোটাই এখন দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। ফলে মাংস আমদানি করলে করলে এই খাত সঙ্কটে পড়বে।

তিনি জানান, আমদানির বদলে তারা এখন বরঞ্চ মাংস রপ্তানির সুযোগ খুঁজছেন। তিনি বলেন, “মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এখনও আমাদের কিছু সমস্যা রয়েছে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।”