ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:

নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল সবিতা ভাণ্ডারি

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভাণ্ডারি বরাল। দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। এর মাধ্যমে নেপালের বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।

প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানান, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সুপারিশের ভিত্তিতেই সবিতা ভাণ্ডারির নাম অনুমোদন করেন প্রেসিডেন্ট। একই দিনে সকালে বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদালের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়।

সবিতা ভাণ্ডারি পূর্বে নেপালের তথ্য কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খ্যাতনামা আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভাণ্ডারির কন্যা। দীর্ঘদিনের আইনজীবী হিসেবে তার অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদে নিয়োগকে নেপালের নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিচার ব্যবস্থায় উচ্চপর্যায়ে প্রথম নারী নেতৃত্ব শুধু প্রতীকী নয়, বরং ভবিষ্যতে নেপালে নারীর আইনি ও প্রশাসনিক অংশগ্রহণ বাড়াতে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৭ বার পঠিত হয়েছে

নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল সবিতা ভাণ্ডারি

আপডেট এর সময় : ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেপালের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভাণ্ডারি বরাল। দেশটির প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) তাকে এ পদে নিয়োগ দেন। এর মাধ্যমে নেপালের বিচার বিভাগ ও প্রশাসনে এক নতুন অধ্যায় সূচিত হলো।

প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানান, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সুপারিশের ভিত্তিতেই সবিতা ভাণ্ডারির নাম অনুমোদন করেন প্রেসিডেন্ট। একই দিনে সকালে বিদায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদালের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়।

সবিতা ভাণ্ডারি পূর্বে নেপালের তথ্য কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি খ্যাতনামা আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভাণ্ডারির কন্যা। দীর্ঘদিনের আইনজীবী হিসেবে তার অভিজ্ঞতা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পদে নিয়োগকে নেপালের নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিচার ব্যবস্থায় উচ্চপর্যায়ে প্রথম নারী নেতৃত্ব শুধু প্রতীকী নয়, বরং ভবিষ্যতে নেপালে নারীর আইনি ও প্রশাসনিক অংশগ্রহণ বাড়াতে এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।