ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পাহাড়ে সম্প্রীতি রক্ষায় নানা পদক্ষেপ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর Logo ইতালির রোমে আটকে পড়া বিমানের ফ্লাইট ঢাকায় পৌঁছেছে Logo বরিশালে ১৫ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন তথ্যমন্ত্রীর Logo বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ঘরের চাবি তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo সাংবাদিক রাজু আহমেদ বিজেএসএস ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য Logo সিএমএসএফ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: ওয়াসি আজম Logo আন্তর্জাতিক মানের প্যারা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার Logo নদী দূষণ রোধে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণে অবহেলার কোনো সুযোগ নেই : প্রধানমন্ত্রী Logo লালমনিরহাটে মাদকসহ মোটরসাইকেল জব্দ বিজিবি’র

খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    সোনার প্রতি আকর্ষণ যুগ যুগ ধরে। দাম যতই বাড়ুক না কেন, থেমে নেই বেচাকেনা। যেকোনো অনুষ্ঠানে সোনার গহনা পরা চাই-ই-চাই। শুধু গহনা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার চাহিদা সবার ওপরে। তাই অনেকে একটু কম দামের আশায় ব্যক্তির কাছ থেকেও সোনা কিনে থাকেন।

এ ক্ষেত্রেও প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ অনেকে দোকান থেকে কিনেও প্রতারিত হতে পারেন। স্বর্ণকাররা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কষ্টিপাথরে ঘষে সোনার সত্যতা যাচাই করে নেন। কিন্তু আপনার কাছে তো আর কষ্টিপাথর নেই। তাই সোনাগুলো খাঁটি কিনা যাচাই করতে থাকল সহজ কৌশল।

সোনা প্রধানত ক্যারেটে মাপা হয়। আর এর বিশুদ্ধতার বিভাজনের জন্য ১০ ক্যারট, ১৪ ক্যারট, ১৮ ক্যারট, ২২ ক্যারট এবং ২৪ ক্যারেটের সোনা পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে ১৮-২৪ ক্যারেটের সোনা বেশি বিক্রি হয়।

খাঁটি সোনা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।

নাইট্রিক অ্যাসিড

নাইট্রিক অ্যাসিড সোনার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তবে অন্য যে কোনো ধাতুর সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করবে। এ কাজটি করার জন্য গহনা বা সোনার কয়েন থেকে সামান্য একটু অংশ ঘষে সংগ্রহ করে নিতে হবে। তারপর একটা ড্রপারে নাইট্রিক অ্যাসিড ভরে তা সংগ্রহ করা সোনার ওপরে ফোঁটা ফোঁটা করে ফেলুন। যদি দেখেন রঙ পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে বুঝবেন সোনা খাঁটি। যদি দেখেন রং বদলে যাচ্ছে এবং তাতে হালকা সবুজ আস্তরণ পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে সোনা খাঁটি নয়। এতে অন্য ধাতু যেমন তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।

পানি দিয়ে পরীক্ষা

একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি দিন। তাতে সোনার গহনা ফেলে দেখুন সেটা ভাসে কিনা। যদি ভাসে, তবে বুঝতে হবে নকল। খাঁটি সোনা পানিতে তাড়াতাড়ি ডুবে যাবে।

চুম্বকের সাহায্য নিন

সোনা খাঁটি নাকি অন্য ধাতুর মিশ্রণ আছে, সেটা বোঝার সহজ কৌশল হলো চুম্বকের সাহায্যে পরীক্ষা করা। একটা ভালো মানের শক্তিশালী চুম্বক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার কেনা সোনার গহনার কাছে ধরুন, যদি দেখেন আটকে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন খাঁটি নয়। কারণ চুম্বক সোনাকে আকৃষ্ট করে না।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
১০ বার পঠিত হয়েছে

খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    সোনার প্রতি আকর্ষণ যুগ যুগ ধরে। দাম যতই বাড়ুক না কেন, থেমে নেই বেচাকেনা। যেকোনো অনুষ্ঠানে সোনার গহনা পরা চাই-ই-চাই। শুধু গহনা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার চাহিদা সবার ওপরে। তাই অনেকে একটু কম দামের আশায় ব্যক্তির কাছ থেকেও সোনা কিনে থাকেন।

এ ক্ষেত্রেও প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ অনেকে দোকান থেকে কিনেও প্রতারিত হতে পারেন। স্বর্ণকাররা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কষ্টিপাথরে ঘষে সোনার সত্যতা যাচাই করে নেন। কিন্তু আপনার কাছে তো আর কষ্টিপাথর নেই। তাই সোনাগুলো খাঁটি কিনা যাচাই করতে থাকল সহজ কৌশল।

সোনা প্রধানত ক্যারেটে মাপা হয়। আর এর বিশুদ্ধতার বিভাজনের জন্য ১০ ক্যারট, ১৪ ক্যারট, ১৮ ক্যারট, ২২ ক্যারট এবং ২৪ ক্যারেটের সোনা পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে ১৮-২৪ ক্যারেটের সোনা বেশি বিক্রি হয়।

খাঁটি সোনা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।

নাইট্রিক অ্যাসিড

নাইট্রিক অ্যাসিড সোনার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তবে অন্য যে কোনো ধাতুর সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করবে। এ কাজটি করার জন্য গহনা বা সোনার কয়েন থেকে সামান্য একটু অংশ ঘষে সংগ্রহ করে নিতে হবে। তারপর একটা ড্রপারে নাইট্রিক অ্যাসিড ভরে তা সংগ্রহ করা সোনার ওপরে ফোঁটা ফোঁটা করে ফেলুন। যদি দেখেন রঙ পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে বুঝবেন সোনা খাঁটি। যদি দেখেন রং বদলে যাচ্ছে এবং তাতে হালকা সবুজ আস্তরণ পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে সোনা খাঁটি নয়। এতে অন্য ধাতু যেমন তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।

পানি দিয়ে পরীক্ষা

একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি দিন। তাতে সোনার গহনা ফেলে দেখুন সেটা ভাসে কিনা। যদি ভাসে, তবে বুঝতে হবে নকল। খাঁটি সোনা পানিতে তাড়াতাড়ি ডুবে যাবে।

চুম্বকের সাহায্য নিন

সোনা খাঁটি নাকি অন্য ধাতুর মিশ্রণ আছে, সেটা বোঝার সহজ কৌশল হলো চুম্বকের সাহায্যে পরীক্ষা করা। একটা ভালো মানের শক্তিশালী চুম্বক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার কেনা সোনার গহনার কাছে ধরুন, যদি দেখেন আটকে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন খাঁটি নয়। কারণ চুম্বক সোনাকে আকৃষ্ট করে না।