ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    সোনার প্রতি আকর্ষণ যুগ যুগ ধরে। দাম যতই বাড়ুক না কেন, থেমে নেই বেচাকেনা। যেকোনো অনুষ্ঠানে সোনার গহনা পরা চাই-ই-চাই। শুধু গহনা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার চাহিদা সবার ওপরে। তাই অনেকে একটু কম দামের আশায় ব্যক্তির কাছ থেকেও সোনা কিনে থাকেন।

এ ক্ষেত্রেও প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ অনেকে দোকান থেকে কিনেও প্রতারিত হতে পারেন। স্বর্ণকাররা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কষ্টিপাথরে ঘষে সোনার সত্যতা যাচাই করে নেন। কিন্তু আপনার কাছে তো আর কষ্টিপাথর নেই। তাই সোনাগুলো খাঁটি কিনা যাচাই করতে থাকল সহজ কৌশল।

সোনা প্রধানত ক্যারেটে মাপা হয়। আর এর বিশুদ্ধতার বিভাজনের জন্য ১০ ক্যারট, ১৪ ক্যারট, ১৮ ক্যারট, ২২ ক্যারট এবং ২৪ ক্যারেটের সোনা পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে ১৮-২৪ ক্যারেটের সোনা বেশি বিক্রি হয়।

খাঁটি সোনা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।

নাইট্রিক অ্যাসিড

নাইট্রিক অ্যাসিড সোনার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তবে অন্য যে কোনো ধাতুর সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করবে। এ কাজটি করার জন্য গহনা বা সোনার কয়েন থেকে সামান্য একটু অংশ ঘষে সংগ্রহ করে নিতে হবে। তারপর একটা ড্রপারে নাইট্রিক অ্যাসিড ভরে তা সংগ্রহ করা সোনার ওপরে ফোঁটা ফোঁটা করে ফেলুন। যদি দেখেন রঙ পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে বুঝবেন সোনা খাঁটি। যদি দেখেন রং বদলে যাচ্ছে এবং তাতে হালকা সবুজ আস্তরণ পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে সোনা খাঁটি নয়। এতে অন্য ধাতু যেমন তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।

পানি দিয়ে পরীক্ষা

একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি দিন। তাতে সোনার গহনা ফেলে দেখুন সেটা ভাসে কিনা। যদি ভাসে, তবে বুঝতে হবে নকল। খাঁটি সোনা পানিতে তাড়াতাড়ি ডুবে যাবে।

চুম্বকের সাহায্য নিন

সোনা খাঁটি নাকি অন্য ধাতুর মিশ্রণ আছে, সেটা বোঝার সহজ কৌশল হলো চুম্বকের সাহায্যে পরীক্ষা করা। একটা ভালো মানের শক্তিশালী চুম্বক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার কেনা সোনার গহনার কাছে ধরুন, যদি দেখেন আটকে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন খাঁটি নয়। কারণ চুম্বক সোনাকে আকৃষ্ট করে না।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
১০ বার পঠিত হয়েছে

খাঁটি সোনা চিনবেন যে কৌশলে

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    সোনার প্রতি আকর্ষণ যুগ যুগ ধরে। দাম যতই বাড়ুক না কেন, থেমে নেই বেচাকেনা। যেকোনো অনুষ্ঠানে সোনার গহনা পরা চাই-ই-চাই। শুধু গহনা হিসেবে নয়, সম্পদ হিসেবেও সোনার চাহিদা সবার ওপরে। তাই অনেকে একটু কম দামের আশায় ব্যক্তির কাছ থেকেও সোনা কিনে থাকেন।

এ ক্ষেত্রেও প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কারণ অনেকে দোকান থেকে কিনেও প্রতারিত হতে পারেন। স্বর্ণকাররা অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কষ্টিপাথরে ঘষে সোনার সত্যতা যাচাই করে নেন। কিন্তু আপনার কাছে তো আর কষ্টিপাথর নেই। তাই সোনাগুলো খাঁটি কিনা যাচাই করতে থাকল সহজ কৌশল।

সোনা প্রধানত ক্যারেটে মাপা হয়। আর এর বিশুদ্ধতার বিভাজনের জন্য ১০ ক্যারট, ১৪ ক্যারট, ১৮ ক্যারট, ২২ ক্যারট এবং ২৪ ক্যারেটের সোনা পাওয়া যায়। তবে আমাদের দেশে ১৮-২৪ ক্যারেটের সোনা বেশি বিক্রি হয়।

খাঁটি সোনা চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে হলমার্ক। আপনি যে গহনা কিনছেন, সেখানে হলমার্ক চিহ্ন আছে কিনা সেটি আগে দেখে নিন। এই হলমার্ক চিহ্ন সাধারণত গহনার ভেতরের দিকে থাকে। এতে ক্যারেট অনুযায়ী ২৪, ২২ বা ১৮ নম্বর লেখা থাকে। নম্বর বেশি মানে সোনার গুণগত মান তত ভালো।

নাইট্রিক অ্যাসিড

নাইট্রিক অ্যাসিড সোনার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তবে অন্য যে কোনো ধাতুর সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করবে। এ কাজটি করার জন্য গহনা বা সোনার কয়েন থেকে সামান্য একটু অংশ ঘষে সংগ্রহ করে নিতে হবে। তারপর একটা ড্রপারে নাইট্রিক অ্যাসিড ভরে তা সংগ্রহ করা সোনার ওপরে ফোঁটা ফোঁটা করে ফেলুন। যদি দেখেন রঙ পরিবর্তন হচ্ছে না, তবে বুঝবেন সোনা খাঁটি। যদি দেখেন রং বদলে যাচ্ছে এবং তাতে হালকা সবুজ আস্তরণ পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে সোনা খাঁটি নয়। এতে অন্য ধাতু যেমন তামা বা ব্রোঞ্জ মেশানো আছে।

পানি দিয়ে পরীক্ষা

একটি বড় গামলায় দুই গ্লাস পানি দিন। তাতে সোনার গহনা ফেলে দেখুন সেটা ভাসে কিনা। যদি ভাসে, তবে বুঝতে হবে নকল। খাঁটি সোনা পানিতে তাড়াতাড়ি ডুবে যাবে।

চুম্বকের সাহায্য নিন

সোনা খাঁটি নাকি অন্য ধাতুর মিশ্রণ আছে, সেটা বোঝার সহজ কৌশল হলো চুম্বকের সাহায্যে পরীক্ষা করা। একটা ভালো মানের শক্তিশালী চুম্বক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর আপনার কেনা সোনার গহনার কাছে ধরুন, যদি দেখেন আটকে যাচ্ছে, তবে বুঝবেন খাঁটি নয়। কারণ চুম্বক সোনাকে আকৃষ্ট করে না।