ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ Logo বাবার জানাজায় থাকবেন না মোজতবা খামেনি, নেপথ্যে যে কারণ Logo ৯৬ বছরের ইতিহাসে যা হয়নি, সে অবিশ্বাস্য রেকর্ড গড়লেন রোনালদো

সেনাবাহিনীর সদস্য সরিয়ে নেওয়ার খবর গুজব, আগের মতোই মাঠে থাকছেন তারা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগের মতোই মাঠে থাকবে, এই বিষয়ে যে খবর ছড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ গুজব।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “এই মুহূর্তে সেনাবাহিনী আগের মতোই মাঠে থাকবে, তাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না।”

গত ৫ নভেম্বর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে, সেনাবাহিনীর অর্ধেক সদস্যকে বিশ্রাম ও নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে সে খবরের সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “মোতায়েনকৃত সেনা সদস্যদের ৫০ শতাংশ প্রত্যাহার করা হবে— এই খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।”

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের ঢাকা লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।”

এর আগে সেনাসদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটের (এমওডি) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন জানান, সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়া গিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে আসছে। চুরি যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো শিথিলতা আনা হচ্ছে না। বরং মাঠপর্যায়ে সেনা ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় আরও জোরদার করা হচ্ছে যাতে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
৪ বার পঠিত হয়েছে

সেনাবাহিনীর সদস্য সরিয়ে নেওয়ার খবর গুজব, আগের মতোই মাঠে থাকছেন তারা: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট এর সময় : ০৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫০ শতাংশ সদস্যকে প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনী আগের মতোই মাঠে থাকবে, এই বিষয়ে যে খবর ছড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ গুজব।

রোববার (৯ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “এই মুহূর্তে সেনাবাহিনী আগের মতোই মাঠে থাকবে, তাদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে না।”

গত ৫ নভেম্বর কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় যে, সেনাবাহিনীর অর্ধেক সদস্যকে বিশ্রাম ও নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে মাঠ থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে সে খবরের সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, “মোতায়েনকৃত সেনা সদস্যদের ৫০ শতাংশ প্রত্যাহার করা হবে— এই খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও গুজব।”

কার্যক্রমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বরের ঢাকা লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক রয়েছে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে।”

এর আগে সেনাসদরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মিলিটারি অপারেশনস ডিরেক্টরেটের (এমওডি) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন জানান, সেনা প্রত্যাহার বিষয়ে একটি চিঠি পাওয়া গিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “গত ১৫ মাস ধরে সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে আসছে। চুরি যাওয়া অস্ত্র উদ্ধার ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।”

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো শিথিলতা আনা হচ্ছে না। বরং মাঠপর্যায়ে সেনা ও অন্যান্য বাহিনীর সমন্বয় আরও জোরদার করা হচ্ছে যাতে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না হয়।