ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ Logo হরমুজ প্রণালী আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের Logo ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ছাড়লেন ভ্যান্স Logo স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন Logo প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে ১৫-১৭টি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে : পররাষ্ট্র সচিব Logo সাবেক আইজিপি বেনজিরকে ফেরাতে নথিপত্র পাঠানো হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ

মস্তিষ্কের ক্ষতি কারণ যে তিনটি অভ্যাস

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:      আমাদের চিন্তা, আবেগ, স্মৃতি এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড সবই মস্তিষ্কের ওপর নির্ভরশীল। তাই মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আমরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামে গুরুত্ব দিই, তবুও কিছু সাধারণ দৈনন্দিন অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের নিউরোলজিস্ট ডা. বিং সম্প্রতি এমন তিনটি অভ্যাসের কথা শেয়ার করেছেন, যা তিনি নিজে এড়ান এবং অন্যদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে এমন তিনটি অভ্যাস-

১. ঘুমের সময় হেডফোন বা ইয়ারবাড ব্যবহার: ডা. বিং বলেছেন, ঘুমানোর সময় হেডফোন ব্যবহার করলে উচ্চ শব্দ কানের সূক্ষ্ম হেয়ার সেল ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়াও, দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়া জমে ইনফেকশন হতে পারে। উচ্চ শব্দে ঘুমালে গভীর ঘুম নষ্ট হয় এবং মস্তিষ্কের টক্সিন পরিষ্কার করার লিম্ফাটিক সিস্টেমও ব্যাহত হয়।

২. মাড়ির যত্ন উপেক্ষা করা: ডা. বিং প্রতিদিন রাতে ব্রাশের সঙ্গে ফ্লস ও ওয়াটার ফ্লস ব্যবহার করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ি রোগ ও দাঁতের ক্ষয় স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া এবং কগনিটিভ হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ায়। ২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মাড়ির সমস্যা বেশি, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ।

৩. টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে থাকা: দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও স্ট্রেইন করলে পায়ে রক্ত জমে এবং রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। এতে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে মানুষের অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডা. বিং বলেছেন, তিনি প্রায় প্রতি সপ্তাহে এমন ঘটনা দেখেন। তবে ক্রনিক বাওয়েল ডিজিজ থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসও দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। ঘুমের সময় জোরে গান শোনা, মুখগহ্বরের যত্ন না নেওয়া বা টয়লেটে অযথা বেশি সময় কাটানো এসব অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের সুস্থতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সামান্য সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
৬ বার পঠিত হয়েছে

মস্তিষ্কের ক্ষতি কারণ যে তিনটি অভ্যাস

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:      আমাদের চিন্তা, আবেগ, স্মৃতি এবং দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড সবই মস্তিষ্কের ওপর নির্ভরশীল। তাই মস্তিষ্কের সুস্থতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদিও আমরা খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম এবং পর্যাপ্ত বিশ্রামে গুরুত্ব দিই, তবুও কিছু সাধারণ দৈনন্দিন অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের নিউরোলজিস্ট ডা. বিং সম্প্রতি এমন তিনটি অভ্যাসের কথা শেয়ার করেছেন, যা তিনি নিজে এড়ান এবং অন্যদেরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

চলুন জেনে নেওয়া যাক মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে এমন তিনটি অভ্যাস-

১. ঘুমের সময় হেডফোন বা ইয়ারবাড ব্যবহার: ডা. বিং বলেছেন, ঘুমানোর সময় হেডফোন ব্যবহার করলে উচ্চ শব্দ কানের সূক্ষ্ম হেয়ার সেল ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এটি শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। এছাড়াও, দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানে আর্দ্রতা ও ব্যাকটেরিয়া জমে ইনফেকশন হতে পারে। উচ্চ শব্দে ঘুমালে গভীর ঘুম নষ্ট হয় এবং মস্তিষ্কের টক্সিন পরিষ্কার করার লিম্ফাটিক সিস্টেমও ব্যাহত হয়।

২. মাড়ির যত্ন উপেক্ষা করা: ডা. বিং প্রতিদিন রাতে ব্রাশের সঙ্গে ফ্লস ও ওয়াটার ফ্লস ব্যবহার করেন। গবেষণায় দেখা গেছে, মাড়ি রোগ ও দাঁতের ক্ষয় স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া এবং কগনিটিভ হ্রাসের ঝুঁকি বাড়ায়। ২০২৫ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মাড়ির সমস্যা বেশি, তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় দ্বিগুণ।

৩. টয়লেটে দীর্ঘ সময় বসে থাকা: দীর্ঘক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা ও স্ট্রেইন করলে পায়ে রক্ত জমে এবং রক্তচাপ হঠাৎ কমে যেতে পারে। এতে মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ কমে মানুষের অজ্ঞান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডা. বিং বলেছেন, তিনি প্রায় প্রতি সপ্তাহে এমন ঘটনা দেখেন। তবে ক্রনিক বাওয়েল ডিজিজ থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নাও হতে পারে।

দৈনন্দিন ছোট ছোট অভ্যাসও দীর্ঘমেয়াদে মস্তিষ্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। ঘুমের সময় জোরে গান শোনা, মুখগহ্বরের যত্ন না নেওয়া বা টয়লেটে অযথা বেশি সময় কাটানো এসব অভ্যাস অজান্তেই মস্তিষ্কের সুস্থতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তাই সামান্য সচেতনতা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি।