ঢাকা , রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo লালমনিরহাটে ভারতীয় ট্যাপেনটাডল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ Logo ইরানে খামেনির জানাজা, শেষ শ্রদ্ধায় উপচে পড়া ভিড় Logo পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত প্রধানমন্ত্রীর Logo কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর Logo নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo কৃষিকে সমৃদ্ধ করছে সরকার: সফিকুর রহমান কিরণ এমপি Logo কমিউনিস্ট আদর্শ আমেরিকার মূল্যবোধ, স্বাধীনতা ও জাতীয় পরিচয়ের সঙ্গে সাংঘর্ষিক : ট্রাম্প Logo ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ Logo জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী Logo জামাইকে স্বর্ণের আংটি উপহার দেওয়া কি জায়েজ

নির্বাচনের দিনই গণভোট, অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ

প্রতিনিধির নাম :

অনলাইন ডেস্ক:     গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সভা শুরুর সময় ছিল সকাল ১১টা। তার আগে ২০ নভেম্বরের বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত কাঠামোগত সংস্কারে জনগণের মতামত নিতে নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে অধ্যাদেশ পাস করা হলো।

বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট আয়োজনের ঘোষণা অনুসারে আগামী সপ্তাহেই অধ্যাদেশটি কার্যকর করার মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তার ভাষায়, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যেই আইনি কাঠামো দাঁড়িয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এই সচিবালয় গঠিত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর সরকারের হাতে থাকবে না।

এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সেই নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এতে নির্বাচন আরও উৎসবমুখর হবে এবং ব্যয়ও কমবে।

গণভোটে চারটি সংস্কার প্রস্তাব একত্রে একটি প্রশ্নে উপস্থাপন করা হবে। ভোটাররা হ্যাঁ বা না দিয়ে মতামত জানাবেন। অধিকাংশ ভোট যদি হ্যাঁ হয়, তবে নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে, যারা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার চূড়ান্ত করবে। পরবর্তী পর্যায়ে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হবে।

সরকারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে গণভোটের প্রস্তুতি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি নীতিগত কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
১৫ বার পঠিত হয়েছে

নির্বাচনের দিনই গণভোট, অধ্যাদেশে চূড়ান্ত অনুমোদন দিল উপদেষ্টা পরিষদ

আপডেট এর সময় : ০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:     গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর ফলে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল।

সভা শুরুর সময় ছিল সকাল ১১টা। তার আগে ২০ নভেম্বরের বৈঠকে গণভোট আইন অনুমোদন করে উপদেষ্টা পরিষদ। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবিত কাঠামোগত সংস্কারে জনগণের মতামত নিতে নির্বাচন এবং গণভোট একই দিনে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় আইন প্রণয়নের অংশ হিসেবে মঙ্গলবারের বিশেষ বৈঠকে অধ্যাদেশ পাস করা হলো।

বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, গণভোট আয়োজনের ঘোষণা অনুসারে আগামী সপ্তাহেই অধ্যাদেশটি কার্যকর করার মতো প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। তার ভাষায়, প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে কয়েক কার্যদিবসের মধ্যেই আইনি কাঠামো দাঁড়িয়ে যাবে। তিনি আরও জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এই সচিবালয় গঠিত হলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর সরকারের হাতে থাকবে না।

এর আগেও প্রধান উপদেষ্টা জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সেই নির্বাচনের দিনই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এতে নির্বাচন আরও উৎসবমুখর হবে এবং ব্যয়ও কমবে।

গণভোটে চারটি সংস্কার প্রস্তাব একত্রে একটি প্রশ্নে উপস্থাপন করা হবে। ভোটাররা হ্যাঁ বা না দিয়ে মতামত জানাবেন। অধিকাংশ ভোট যদি হ্যাঁ হয়, তবে নতুন সংসদ সদস্যদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করা হবে, যারা ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংস্কার চূড়ান্ত করবে। পরবর্তী পর্যায়ে ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠনের প্রক্রিয়াও শুরু হবে।

সরকারের উদ্দেশ্য অনুযায়ী, অধ্যাদেশ অনুমোদনের ফলে গণভোটের প্রস্তুতি এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে পারবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই প্রক্রিয়াটি নীতিগত কাঠামোতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত বহন করছে।