ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

অনুভূতিহীন হয়ে গেছি: ইতালির কোচ

খেলাধুলা ডেস্ক

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে ৪–১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে তারা।

ম্যাচ শেষে ইতালির কোচ জেন্নারো গাত্তুসো তার হতাশা গোপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দলের জন্য বড় ধাক্কা।

খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে তিনি গর্বিত হলেও ফলাফল তাকে কষ্ট দিয়েছে। নিজের অনুভূতি বোঝাতে গিয়ে গাত্তুসো বলেন, তিনি যেন একপ্রকার অনুভূতিশূন্য হয়ে গেছেন—কষ্ট পেলেও তা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না।

তিনি আরও জানান, এই জয়টি দল, খেলোয়াড় এবং তাদের পরিবারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে রেফারিং বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলতে চাননি। তার মতে, ফুটবলে এমন ফল আসতেই পারে, কিন্তু তা মেনে নেওয়া কঠিন।

গাত্তুসো বলেন, তার দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে এবং খেলোয়াড়রা হৃদয় দিয়ে লড়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি ব্যর্থতার দায় অনুভব করছেন।

ইতালির একমাত্র গোলটি করেন ময়েস কিন, যিনি ম্যাচের ১৫ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ম্যাচের মাঝপথে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়ে বের হয়ে যাওয়ায় ইতালি ১০ জনে পরিণত হয়, যা তাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তোলে।

গাত্তুসো মনে করেন, এই হার তাদের প্রাপ্য ছিল না, কারণ দল কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু ফুটবলে জয়-পরাজয় থাকবেই। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু না বললেও জানান, এই মুহূর্তে সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইতালিকে বিশ্বকাপে তোলা, যা তারা করতে পারেননি।

সবশেষ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপজয়ী ইতালির জন্য এই ব্যর্থতা আবারও তাদের ফুটবল কাঠামো ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এক সময়ের শক্তিশালী দলটির জন্য এটি শুধু একটি হার নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
১৩ বার পঠিত হয়েছে

অনুভূতিহীন হয়ে গেছি: ইতালির কোচ

আপডেট এর সময় : ০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের প্লে-অফ ফাইনালে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে ৪–১ ব্যবধানে হেরে বিদায় নিয়েছে তারা।

ম্যাচ শেষে ইতালির কোচ জেন্নারো গাত্তুসো তার হতাশা গোপন করতে পারেননি। তিনি বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং দলের জন্য বড় ধাক্কা।

খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে তিনি গর্বিত হলেও ফলাফল তাকে কষ্ট দিয়েছে। নিজের অনুভূতি বোঝাতে গিয়ে গাত্তুসো বলেন, তিনি যেন একপ্রকার অনুভূতিশূন্য হয়ে গেছেন—কষ্ট পেলেও তা ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না।

তিনি আরও জানান, এই জয়টি দল, খেলোয়াড় এবং তাদের পরিবারের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে রেফারিং বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলতে চাননি। তার মতে, ফুটবলে এমন ফল আসতেই পারে, কিন্তু তা মেনে নেওয়া কঠিন।

গাত্তুসো বলেন, তার দল সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে এবং খেলোয়াড়রা হৃদয় দিয়ে লড়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়নি। ব্যক্তিগতভাবেও তিনি ব্যর্থতার দায় অনুভব করছেন।

ইতালির একমাত্র গোলটি করেন ময়েস কিন, যিনি ম্যাচের ১৫ মিনিটে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে এগিয়ে দেন। তবে ম্যাচের মাঝপথে একজন খেলোয়াড় লাল কার্ড পেয়ে বের হয়ে যাওয়ায় ইতালি ১০ জনে পরিণত হয়, যা তাদের জন্য পরিস্থিতি কঠিন করে তোলে।

গাত্তুসো মনে করেন, এই হার তাদের প্রাপ্য ছিল না, কারণ দল কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু ফুটবলে জয়-পরাজয় থাকবেই। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু না বললেও জানান, এই মুহূর্তে সেটি গুরুত্বপূর্ণ নয়; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল ইতালিকে বিশ্বকাপে তোলা, যা তারা করতে পারেননি।

সবশেষ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপজয়ী ইতালির জন্য এই ব্যর্থতা আবারও তাদের ফুটবল কাঠামো ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। এক সময়ের শক্তিশালী দলটির জন্য এটি শুধু একটি হার নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার ইঙ্গিত হিসেবেও দেখা হচ্ছে।