ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গ্যালাতাসারেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শীর্ষে বার্সেলোনা Logo টিকার আওতা বাড়াতে ৪–৮ বছর বয়সী মেয়েদের এইচপিভি টিকার বিবেচনার সুপারিশ Logo মধ্য এশিয়ার পাঁচ দেশের বৈঠকে যোগ দিতে উজবেকিস্তান যাচ্ছেন রুবিও Logo জাতীয় সংসদ ভবনে সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রথম জানাজা, শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী Logo ভেজালবিরোধী অভিযানে ৬৪ জেলায় খাদ্য পরীক্ষার উদ্যোগ, মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী Logo খেজুরে তেল মেখে অস্বাস্থ্যকরভাবে প্যাকেটজাত, চট্টগ্রামে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo এল নিনোর তীব্র প্রভাবে দাবানল-খরা, বাড়ছে খাদ্য ও বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্যের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ

গ্যালাতাসারেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শীর্ষে বার্সেলোনা

খেলাধুলা ডেস্ক

ইস্তাম্বুলের আলি সামি ইয়েন স্টেডিয়ামের উত্তপ্ত পরিবেশে প্রথমার্ধের কঠিন সময় কাটিয়ে নিজেদের ছন্দ ফিরে পেয়েছে বার্সেলোনা ও লামিন ইয়ামাল। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে গ্যালাতাসারেকে তাদেরই মাঠে ৪-১ গোলে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগকে কার্যত ছিন্নভিন্ন করে দেন ইয়ামাল।

চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলোর অর্ধেক শেষ হওয়ার পর টানা দুই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি গ্যালাতাসারে। তারা তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করছে।

ম্যাচের শুরুতে আধিপত্য বিস্তার করে বার্সেলোনা। ডান প্রান্তে ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রাখে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগ। ফলে বার্সেলোনার বেশির ভাগ আক্রমণ গড়ে ওঠে বিপরীত প্রান্তে অ্যান্থনি গর্ডনের মাধ্যমে।

তবে ২৭ মিনিটে এগিয়ে যায় গ্যালাতাসের। পেনাল্টি বক্সে গর্ডন পড়ে যাওয়ার পর বাঁ প্রান্ত দিয়ে রাফায়েল লেয়াওয়ের নেতৃত্বে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ শুরু করে স্বাগতিকরা।

বক্সের প্রান্তে বল বাড়িয়ে দেন লেয়াও। রুশ খেলোয়াড় আলেক্সেই বাতরাকভের নেওয়া শট হুয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে।

গোলটি স্বাগতিকদের আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে। একপর্যায়ে কর্নার থেকে ভিক্টর ওসিমেনের হেড গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করলেও বারিস ইলমাজ বলটি পায়ের স্পর্শে গোললাইন পার করানোর সময় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

এরপর আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। বক্সের প্রান্তে ইয়ামাল পড়ে গেলে বল পেয়ে যান ডেভিনসন সানচেজ। তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বলের নিয়ন্ত্রণ হারান। বলটি পান দানি ওলমো। তাঁর বাড়ানো পাস থেকে গোল করেন কানসেলো।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন ইয়ামাল। তাঁর পাস থেকে গর্ডন গোলের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। তবে ৫০ মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ইয়ামাল। তাঁর নিখুঁত বাঁকানো ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ফারমিন।

এর তিন মিনিট পর ছোট্ট জায়গার মধ্যে তিনবার, তিনটি ভিন্ন কৌশলে এরেন এলমালিকে পরাস্ত করেন ইয়ামাল। এরপর গোলের সামনে থাকা গর্ডনের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। এবার আর ভুল করেননি ইংল্যান্ডের এই স্ট্রাইকার।

৬৫ মিনিটে নিজের প্রান্ত থেকে ভেতরের দিকে ঢুকে ইয়ামাল বদলি হিসেবে নামা সেন্টার ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসের উদ্দেশে পাস দেন। সাবেক আর্সেনাল ফরোয়ার্ড বলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। তবে বলটি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে করিম আদেয়েমির সামনে চলে যায়। তিনি জোরালো শটে বল জালে পাঠান।

নিজেও গোল করতে পারতেন ইয়ামাল। তবে বলের দখল নিতে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে নেওয়া তাঁর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

১৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় গোল ছাড়াই ম্যাচ শেষ করেন। গোল করতে পারলে চ্যাম্পিয়নস লিগে টিনএজার হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী কিলিয়ান এমবাপ্পের রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছাতে পারতেন তিনি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১৪ বার পঠিত হয়েছে

গ্যালাতাসারেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের শীর্ষে বার্সেলোনা

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

ইস্তাম্বুলের আলি সামি ইয়েন স্টেডিয়ামের উত্তপ্ত পরিবেশে প্রথমার্ধের কঠিন সময় কাটিয়ে নিজেদের ছন্দ ফিরে পেয়েছে বার্সেলোনা ও লামিন ইয়ামাল। মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়নস লিগে গ্যালাতাসারেকে তাদেরই মাঠে ৪-১ গোলে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

দ্বিতীয়ার্ধে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগকে কার্যত ছিন্নভিন্ন করে দেন ইয়ামাল।

চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচগুলোর অর্ধেক শেষ হওয়ার পর টানা দুই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি গ্যালাতাসারে। তারা তালিকার নিচের দিকে অবস্থান করছে।

ম্যাচের শুরুতে আধিপত্য বিস্তার করে বার্সেলোনা। ডান প্রান্তে ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রাখে স্বাগতিকদের রক্ষণভাগ। ফলে বার্সেলোনার বেশির ভাগ আক্রমণ গড়ে ওঠে বিপরীত প্রান্তে অ্যান্থনি গর্ডনের মাধ্যমে।

তবে ২৭ মিনিটে এগিয়ে যায় গ্যালাতাসের। পেনাল্টি বক্সে গর্ডন পড়ে যাওয়ার পর বাঁ প্রান্ত দিয়ে রাফায়েল লেয়াওয়ের নেতৃত্বে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ শুরু করে স্বাগতিকরা।

বক্সের প্রান্তে বল বাড়িয়ে দেন লেয়াও। রুশ খেলোয়াড় আলেক্সেই বাতরাকভের নেওয়া শট হুয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে প্রবেশ করে।

গোলটি স্বাগতিকদের আরও আক্রমণাত্মক করে তোলে। একপর্যায়ে কর্নার থেকে ভিক্টর ওসিমেনের হেড গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করলেও বারিস ইলমাজ বলটি পায়ের স্পর্শে গোললাইন পার করানোর সময় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।

এরপর আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। বক্সের প্রান্তে ইয়ামাল পড়ে গেলে বল পেয়ে যান ডেভিনসন সানচেজ। তবে তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বলের নিয়ন্ত্রণ হারান। বলটি পান দানি ওলমো। তাঁর বাড়ানো পাস থেকে গোল করেন কানসেলো।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন ইয়ামাল। তাঁর পাস থেকে গর্ডন গোলের সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি। তবে ৫০ মিনিটে বার্সেলোনাকে এগিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ইয়ামাল। তাঁর নিখুঁত বাঁকানো ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ফারমিন।

এর তিন মিনিট পর ছোট্ট জায়গার মধ্যে তিনবার, তিনটি ভিন্ন কৌশলে এরেন এলমালিকে পরাস্ত করেন ইয়ামাল। এরপর গোলের সামনে থাকা গর্ডনের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। এবার আর ভুল করেননি ইংল্যান্ডের এই স্ট্রাইকার।

৬৫ মিনিটে নিজের প্রান্ত থেকে ভেতরের দিকে ঢুকে ইয়ামাল বদলি হিসেবে নামা সেন্টার ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল জেসুসের উদ্দেশে পাস দেন। সাবেক আর্সেনাল ফরোয়ার্ড বলটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। তবে বলটি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে করিম আদেয়েমির সামনে চলে যায়। তিনি জোরালো শটে বল জালে পাঠান।

নিজেও গোল করতে পারতেন ইয়ামাল। তবে বলের দখল নিতে দ্রুত এগিয়ে গিয়ে নেওয়া তাঁর শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

১৯ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় গোল ছাড়াই ম্যাচ শেষ করেন। গোল করতে পারলে চ্যাম্পিয়নস লিগে টিনএজার হিসেবে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডধারী কিলিয়ান এমবাপ্পের রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছাতে পারতেন তিনি।