
ভারতে ধর্ষণের ঘটনা মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। কাশ্মিরের কাঠুয়ার আট বছরের আসিফা বানুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সারা ভারত যখন উত্তাল তখনই ঝাড়খণ্ডে ঘটেছে আরেক রোমহর্ষক ঘটনা। গণধর্ষণের শিকার হয়ে অভিযোগ জানানোর পর ধর্ষিতাকে প্রকাশ্যে পুড়িয়ে মেরেছে ধর্ষকরা। এঘটনায় ১৪ জনকে আটক করেছে ঝাড়খণ্ড পুলিশ।
পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, ধর্ষণের ব্যাপারে মেয়েটির পিতামাতা গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগ করার পর অভিযুক্তদের কান ধরে একশোবার উঠ-বস করা এবং সাড়ে সাতশো ডলার জরিমানার শাস্তি দেয়া হয়। এই ঘটনার পর অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে মেয়েটির পিতামাতাকে মারধর করে এবং পরে মেয়েটির গায়ে আগুন ধরিয়ে তাকে হত্যা করে।
স্থানীয় থানার ওসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, দুই অভিযুক্ত মেয়েটির বাবা-মাকে পেটায়। এরপর তারা মেয়েটির গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
পুলিশ বলছে, মেয়েটিকে অপহরণ করে একটি জঙ্গলে নিয়ে সেখানে ধর্ষণ করা হয়েছিল। সেদিন মেয়েটির বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না। তারা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। পরে ঘটনাটি জানতে পেরে মেয়েটির বাবা-মা গ্রামের গণ্য-মান্য ব্যক্তিদের কাছে অভিযোগ করেছিলেন।
প্রতি বছর ভারতে প্রায় ৪০ হাজার ধর্ষণের ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তবে ধর্ষণের ঘটনার খুব কম সংখ্যকই প্রকাশ্যে আসে। সমাজে লজ্জা কলঙ্কের ভয়ে বেশিরভাগ ঘটনায় প্রকাশ্যে আসে না দেশটিতে।