ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo জাতীয় বাজেটে পানিনিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, বড় বিনিয়োগ Logo গণমাধ্যম সংস্কার প্রক্রিয়ায় সরকার কেবলই সহায়ক: তথ্যমন্ত্রী Logo শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারীদের বৃহত্তর অংশগ্রহণে জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন শামা ওবায়েদ Logo ঘুমন্ত অবস্থায় শ্বাসকষ্ট, নিজের অজান্তেই এই রোগে ভুগছেন না তো Logo স্থায়ীভাবে অমুসলিম দেশে বসবাস করা কি বৈধ? Logo মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী Logo অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে দেশব্যাপী ক্রিয়েটিভ হাবের পরিকল্পনা সরকারের Logo লেবাননে ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলা Logo চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা মামলার আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড

পুঁজিবাজারে মন্দা কাটছে না

প্রতিনিধির নাম :

দেশের পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন মন্দাভাব চলছে। টাকা ১৩ কার্যদিবস পতনের পর এক দিন বাড়লেও পরের দুই দিন আবার পড়ল সূচক। এ নিয়ে ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে সূচকের পতন হলো ১৫ দিনই।

বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩০ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম  স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট।

দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকেই পুঁজিবাজারে মন্দাভাব দেখা দেয়। টানা ১৩ কার্যদিবস সূচকের পতনের পর গত সোমবার একদিন ২২ পয়েন্ট বেড়েছিল। তবে পরের দিন মঙ্গলবারই ২১ পয়েন্ট কমে যায় সূচক।

পুঁজিবাজারে এর আগে এমন টানা পতন কখনও হয়নি। এমনকি ২০১০ সালেও একসঙ্গে টানা পতন হয়েছিল ১০ দিন। এরপর একদিন সূচক বাড়ার পর আবার কমেছিল চার দিন। এই পতনের কারণ জানার চেষ্টা করছেন বিনিয়োগকারীরা। বেশিরভাগ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীই লোকসানে আছেন। তার পতন অব্যাহত থাকায় নতুন করে বিনিয়োগের সাহসও পাচ্ছেন না তারা।

আজ লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে। এটি গত এক বছরের মধ্যে সূচকের সর্বনি¤œ অবস্থান।

ডিএসইএক্স সূচকের পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৫১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক দুই পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বাংলাদেশ স্টিলরি-রোলিং মিলস, কুইনসাউথ টেক্সটাইল, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বেক্সিমকো, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

আজ লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৮ কোটি ৫৪ লাখটাকার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই অবস্থান করছে ১৬ হাজার ৫৯১ পয়েন্টে।

মোট লেনদেন হয়েছে ২১৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির শেয়ার দর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮
১৩ বার পঠিত হয়েছে

পুঁজিবাজারে মন্দা কাটছে না

আপডেট এর সময় : ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

দেশের পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন মন্দাভাব চলছে। টাকা ১৩ কার্যদিবস পতনের পর এক দিন বাড়লেও পরের দুই দিন আবার পড়ল সূচক। এ নিয়ে ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে সূচকের পতন হলো ১৫ দিনই।

বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩০ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম  স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট।

দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকেই পুঁজিবাজারে মন্দাভাব দেখা দেয়। টানা ১৩ কার্যদিবস সূচকের পতনের পর গত সোমবার একদিন ২২ পয়েন্ট বেড়েছিল। তবে পরের দিন মঙ্গলবারই ২১ পয়েন্ট কমে যায় সূচক।

পুঁজিবাজারে এর আগে এমন টানা পতন কখনও হয়নি। এমনকি ২০১০ সালেও একসঙ্গে টানা পতন হয়েছিল ১০ দিন। এরপর একদিন সূচক বাড়ার পর আবার কমেছিল চার দিন। এই পতনের কারণ জানার চেষ্টা করছেন বিনিয়োগকারীরা। বেশিরভাগ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীই লোকসানে আছেন। তার পতন অব্যাহত থাকায় নতুন করে বিনিয়োগের সাহসও পাচ্ছেন না তারা।

আজ লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে। এটি গত এক বছরের মধ্যে সূচকের সর্বনি¤œ অবস্থান।

ডিএসইএক্স সূচকের পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৫১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক দুই পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বাংলাদেশ স্টিলরি-রোলিং মিলস, কুইনসাউথ টেক্সটাইল, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বেক্সিমকো, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

আজ লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৮ কোটি ৫৪ লাখটাকার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই অবস্থান করছে ১৬ হাজার ৫৯১ পয়েন্টে।

মোট লেনদেন হয়েছে ২১৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির শেয়ার দর।