ঢাকা , সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo পিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ Logo চলতি ২০২৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে না ওপেনএআই Logo গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: এলজিআরডি মন্ত্রী Logo সরকার নাগরিকের বাক-স্বাধীনতা ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পাইলট পর্যায়ের উদ্বোধনী দিনে কৃষক কার্ডে প্রণোদনা পাচ্ছেন ১,১০,৩৬৪ কৃষক : কৃষিমন্ত্রী Logo আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী Logo হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo বাগেরহাটে বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু Logo ফিলিপাইনে ফেরিতে আগুনে ৫ জনের মৃত্যু Logo বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন ক্রেডিট পাবে বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

প্রতিনিধির নাম :

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮
৯ বার পঠিত হয়েছে

স্বাস্থ্য খাতে ১১ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা দেবে এডিবি

আপডেট এর সময় : ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বাংলাদেশের নগরাঞ্চলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়াতে আরও ১১ কোটি ডলার বা প্রায় ৯২১ কোটি টাকার ঋণ সহায়তা দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।বুধবার ম্যানিলাভিত্তিক আন্তর্জাতিক এই ঋণদাতা সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় নেয়া একটি প্রকল্পের জন্য বাড়তি এ ঋণ অনুমোদন করেছে।এডিবির সামাজিক খাত বিশেষজ্ঞ ব্রায়ান চিন বলেন, ২০১২ সালে অনুমোদিত সরকারের নেতৃত্বে পরিচালিত আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি নামে এ প্রকল্পে এডিবির সহায়তা বিশেষ করে দরিদ্র খানাগুলোর মধ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বাড়ানোর ফলে শূন্যস্থান পূরণ হচ্ছে।তিনি বলেন, নতুন এ অর্থায়ন সেবাপ্রদানের ব্যবস্থাকে জোরদার করবে। ২০১২ সালের প্রকল্প ও বাকি দুটি প্রকল্পের ভিত শক্ত করবে। অপূরণীয় চাহিদা পূরণ করে এ ব্যবস্থা পারিচালনায় স্বনির্ভরতা আসবে।ব্রায়ান চিন বলেন, আরবান প্রাইমারি হেলথকেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি শীর্ষক ২০১২ সালে নেয়া এ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় এর মধ্যেই একনেকে অনুমোদন পেয়েছে।এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে এক হাজার ১৩৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ২৪০ কোটি টাকা এবং এডিবির ঋণ থেকে ৮৯৬ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান সম্ভব হবে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সম্পর্কিত অপরিহার্য সেবা প্যাকেজের মাধ্যমে দরিদ্রদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাবে।এর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আর্থিক ও ভৌত অভিগম্যতার উন্নয়ন ঘটবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।চলতি বছর থেকে ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১১টি সিটি কর্পোরেশন ও ১৪টি পৌরসভার জনগণ, বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নারী ও শিশু অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নত স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে।