ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

আবারো কঠিন শর্তে ভারত থেকে ঋণ

প্রতিনিধির নাম :

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বুধবার (৪ অক্টোবর) ৪৫০ কোটি ডলারের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন (এলওসি) চুক্তি সই হওয়ার কথা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ঢাকা সফররত ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি উপস্থিত থাকবেন।

তবে এই ঋণ আগের ঋণগুলোর মতোই হবে কঠিন শর্তের। এ ঋণের অনুকূলে গৃহীত প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ পণ্য বা সেবা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আনতে হবে। এছাড়া কমিটমেন্ট ফি, গ্রেস পিরিয়ডসহ পরিশোধের সময় কমসহ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে এই শর্তে আরো দু’বার ঋণ নিয়েছে সরকার। কিন্তু তৃতীয় দফায় কমিটমেন্ট চার্জ কমানোসহ শর্ত শিথিলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে জানানো হয় এ নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হয়নি।

এই ঋণের অর্থ ব্যবহারে মোট ১৭ প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তৃতীয় দফার এ ঋণ চুক্তির শর্ত শিথিলের বিষয় নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধি দলের আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘কমিটমেন্ট ফি’ (প্রতিশ্রুতি ফি) শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বাতিল ও প্রথম এলওসির মতো কিছু অংশ অনুদান দেয়ার দাবি জানানো হয়। ভারতীয় প্রতিনিধি দল এসব দাবি ভেবে দেখবে বলে জানায়। যা পরে আর জানানো হয়নি।

দিনের যেকোনো সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব এবং ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন বলে জানা গেছে।

এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি ডলারের একটি ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঘোষণা দেয়া হয়। এ চুক্তি সই হলে বাংলাদেশকে ভারতের দেয়া সর্বমোট ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৮০০ কোটি ডলার। তৃতীয় ডলার ক্রেডিট লাইন চুক্তি স্বাক্ষরে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রক্ষায় দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সংক্রান্ত একটি যৌথ ইন্টারপ্রেটিভ নোটও সই হওয়ার কথা।

বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী বুধবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হোটেল সোনারগাওঁয়ে পলিসি রিসার্স ইনিস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত ‘ভারত সরকারের ম্যাক্রোইকোনমিক উদ্যোগ :ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিমোনিটাইজেশন অ্যান্ড ক্যাশলেস ইকোনমি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। খবর বাসস।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭
১৮ বার পঠিত হয়েছে

আবারো কঠিন শর্তে ভারত থেকে ঋণ

আপডেট এর সময় : ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ অক্টোবর ২০১৭

ঢাকা: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বুধবার (৪ অক্টোবর) ৪৫০ কোটি ডলারের তৃতীয় ক্রেডিট লাইন (এলওসি) চুক্তি সই হওয়ার কথা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং ঢাকা সফররত ভারতের অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি উপস্থিত থাকবেন।

তবে এই ঋণ আগের ঋণগুলোর মতোই হবে কঠিন শর্তের। এ ঋণের অনুকূলে গৃহীত প্রকল্পের ৭৫ শতাংশ পণ্য বা সেবা ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আনতে হবে। এছাড়া কমিটমেন্ট ফি, গ্রেস পিরিয়ডসহ পরিশোধের সময় কমসহ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এর আগে এই শর্তে আরো দু’বার ঋণ নিয়েছে সরকার। কিন্তু তৃতীয় দফায় কমিটমেন্ট চার্জ কমানোসহ শর্ত শিথিলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে জানানো হয় এ নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেগোশিয়েশন করা হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভারতের পক্ষ থেকে কোনো প্রকার ছাড় দেয়া হয়নি।

এই ঋণের অর্থ ব্যবহারে মোট ১৭ প্রকল্প চিহ্নিত করা হয়েছে। এর আগে তৃতীয় দফার এ ঋণ চুক্তির শর্ত শিথিলের বিষয় নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধি দলের আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ‘কমিটমেন্ট ফি’ (প্রতিশ্রুতি ফি) শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বাতিল ও প্রথম এলওসির মতো কিছু অংশ অনুদান দেয়ার দাবি জানানো হয়। ভারতীয় প্রতিনিধি দল এসব দাবি ভেবে দেখবে বলে জানায়। যা পরে আর জানানো হয়নি।

দিনের যেকোনো সময় অর্থ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ইআরডি সচিব এবং ভারতের এক্সিম ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজ নিজ পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন বলে জানা গেছে।

এপ্রিল মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরকালে বাংলাদেশের জন্য ৪৫০ কোটি ডলারের একটি ভারতীয় ক্রেডিট লাইনের ঘোষণা দেয়া হয়। এ চুক্তি সই হলে বাংলাদেশকে ভারতের দেয়া সর্বমোট ক্রেডিট লাইনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৮০০ কোটি ডলার। তৃতীয় ডলার ক্রেডিট লাইন চুক্তি স্বাক্ষরে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নে সক্ষমতা অর্জন করবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রক্ষায় দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সংক্রান্ত একটি যৌথ ইন্টারপ্রেটিভ নোটও সই হওয়ার কথা।

বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় অর্থমন্ত্রী বুধবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হোটেল সোনারগাওঁয়ে পলিসি রিসার্স ইনিস্টিটিউট অব বাংলাদেশ এবং ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত ‘ভারত সরকারের ম্যাক্রোইকোনমিক উদ্যোগ :ফিনান্সিয়াল ইনক্লুশন ডিমোনিটাইজেশন অ্যান্ড ক্যাশলেস ইকোনমি’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। খবর বাসস।