ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা Logo বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী Logo শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়া’র কবিতা রোবটের জয় Logo ৫ কারণে গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রীর রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ Logo শিক্ষা ও প্রযুক্তি আদান-প্রদানের মাধ্যমেই বজায় থাকবে বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্ব: শিক্ষামন্ত্রী Logo নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী, ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি Logo সেনা পাহারায় আল-আকসায় ঢুকে পড়ল শত শত ইসরাইলি

এইদিনে শক্র মুক্ত হয় রূপগঞ্জ !

প্রতিনিধির নাম :
  • শম্পা আক্তার মিম ঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর, রূপগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ শক্র মুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে হায়েনার দল রূপগঞ্জ ছেড়ে কুমিল্লা জেলা অভিমুখে পালিয়ে যায়। একটি সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধে রূপগঞ্জে ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। যাদের নামের তালিকাসহ রূপগঞ্জ উপজেলা চত্বরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা রূপগঞ্জকে শক্র মুক্ত ঘোষণা করেছিলো। প্রতি বছর রূপগঞ্জ মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
    এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, পাকহানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল, মিষ্টি বিতরণসহ আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিবসটি পালন হয়ে আসছে। করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর স্বল্পপরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালিত হবে।
  • প্রসঙ্গত রূপগঞ্জকে হানাদার মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সহ মুক্তিযোদ্ধারা। তিনি রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা এলাকায় এবং ঢাকার ত্রিমোহনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন । পাকিস্তানি সেনারা ত্রিমোহনীত আক্রমন করলে গোলাম দস্তগীর গাজী গুলি চালাতে চালাতে সামনে এগিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটে। সেদিনের আক্রমনে ১২/১৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি ২ নং সেক্টরের অধীনে রণাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার শহরে প্রধান গেরিলা বাহিনী ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম কমান্ডার ছিলেন তিনি । তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন (২০২০)।
Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০
১৮ বার পঠিত হয়েছে

এইদিনে শক্র মুক্ত হয় রূপগঞ্জ !

আপডেট এর সময় : ০১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২০
  • শম্পা আক্তার মিম ঃ আজ ১৩ ডিসেম্বর, রূপগঞ্জ মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে রাজধানীর পার্শ্ববর্তী রূপগঞ্জ শক্র মুক্ত হয়। মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় জনতার প্রতিরোধের মুখে হায়েনার দল রূপগঞ্জ ছেড়ে কুমিল্লা জেলা অভিমুখে পালিয়ে যায়। একটি সুত্রের মাধ্যমে জানা গেছে, ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধে রূপগঞ্জে ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। যাদের নামের তালিকাসহ রূপগঞ্জ উপজেলা চত্বরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। তাছাড়া ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধারা রূপগঞ্জকে শক্র মুক্ত ঘোষণা করেছিলো। প্রতি বছর রূপগঞ্জ মুক্ত দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।
    এব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, পাকহানাদার মুক্ত দিবস উদযাপন উপলক্ষে দীর্ঘদিন ধরে আজকের এই দিনটিতে আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণ, দোয়া মাহফিল, মিষ্টি বিতরণসহ আনন্দ উল্লাসের মধ্যে দিবসটি পালন হয়ে আসছে। করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর স্বল্পপরিসরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দিবসটি পালিত হবে।
  • প্রসঙ্গত রূপগঞ্জকে হানাদার মুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন বর্তমান নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের সংসদ সদস্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী সহ মুক্তিযোদ্ধারা। তিনি রূপগঞ্জ উপজেলার ইছাপুরা এলাকায় এবং ঢাকার ত্রিমোহনীতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন । পাকিস্তানি সেনারা ত্রিমোহনীত আক্রমন করলে গোলাম দস্তগীর গাজী গুলি চালাতে চালাতে সামনে এগিয়ে যান। পাকিস্তানি বাহিনী পিছু হটে। সেদিনের আক্রমনে ১২/১৩ জন পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব উপাধিতে ভূষিত করেছে। তিনি ২ নং সেক্টরের অধীনে রণাঙ্গণে যুদ্ধ করেছেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে ঢাকার শহরে প্রধান গেরিলা বাহিনী ক্র্যাক প্লাটুনের অন্যতম কমান্ডার ছিলেন তিনি । তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন (২০২০)।