ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বাণিজ্য সক্ষমতা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখবে ডব্লিউটিও Logo কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনব্যাপী কর্মশালা Logo ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫, সুনামি সতর্কতা জারি Logo জেরুজালেমের আকাশে একাধিক বিস্ফোরণ, ফের ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহতের দাবি ইসরাইলের Logo মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ব্যক্তিগত স্টাফদের বেতন নির্ধারণ করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন Logo বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে ১৪০টির বেশি দেশে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo সম্পর্ক পর্যালোচনা, বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবে বাংলাদেশ ও রাশিয়া: মস্কো Logo চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তার সাক্ষাৎ Logo কোটচাঁদপুরে মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে খুলনা-উত্তরবঙ্গ রেল যোগাযোগ বন্ধ Logo দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় নির্বাচনে ব্যালট সংকট; পুনর্নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ

কিশোরগঞ্জে নদীর বালু উত্তোলনে লক্ষ টাকার অবৈধ বাণিজ্য

প্রতিনিধির নাম :

 

 

মো রাজিব তালুকদার (০১৭৭৫৪০৩২৬৪) :নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরী নদীর বাহাগিলীর ঘাট বেইলী ব্রিজের পূর্ব পাশে প্রতিরাতে অবৈধভাবে স্কেবেটর মেশিন দিয়ে নদীর বালু উত্তেলন করে ট্রাক প্রতি বালু বিক্রি করে একটি চক্র লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বালুভর্তি এসব ১০ চাকার ট্রাক রাতভর বেইলী ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করায় ব্রিজের দক্ষিণ পাশের একটি পাঠাতন দেবে যাওয়ায় ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জানা যায়, ওই এলাকার যুগল ও মামুন শাহ্ অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি চক্রের মূল হোতা। প্রতিনিয়ত রাতের অন্ধকারে চলছে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে তাদের লক্ষ টাকার অবৈধ বালু বাণিজ্য। ট্রাক প্রতি বালুর দাম দুরত্ব অনুযায়ী ৫/৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। স্বয়ংক্রীয় বালু আললোটকারী হলুদ রঙের ০৯টি ট্রাক রাতভর নদীর চর থেকে বালু নিয়ে ৩/৪বার চলে যাওয়া-আসা। দিনের সূর্যের আলোয় প্রভাত হওয়ার পূর্বেই এ ট্রাকগুলো অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। রাত ৮টার পরেই আবার শুরু হয় ট্রাকগুলোর নদী থেকে বালু পরিবহনের কার্যক্রম। এভাবে রাতের অন্ধকারে চলছে একটি চক্রের অবৈধ বালু বাণিজ্য। এচক্রটি এভাবে প্রতিরাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বেশ কিছুদিন যাবত অবৈধ বালুর ব্যবসা করে এরা আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। গত শনিবার রাতে বালু বহনকারী ১০চাকার হলুদ রঙের ট্রাকগুলো অনুসরণ করে গিয়ে দেখা যায়, বেইলী ব্রিজের দক্ষিণ পাশ দিয়ে সিনা কোম্পানীর কোল ঘেষে যাওয়া রাস্তা দিয়ে ট্রাক গুলো নদীর চরে অবস্থান নেয়। চারদিকে অন্ধকার, কোথায় কোন মানুষ নেই। দেখা হয় নদী থেকে বালু উত্তোলন করে ট্রাকে দেয়া স্কেবেটর মেশিন ও ট্রাকের ড্রাইভারদের। তারা ক্যামেরাসহ অপরিচিত দু’জন লোক দেখে তারা থমকে যায়। এ সময় কথা হয় স্বয়ংক্রীয় আললোটকারী ১০ চাকার ট্রাক চালক হামিদ, নিজাম ও নুরুজ্জামানের সাথে। এরা জানান, এসব ট্রাকের মালিক ও তাদের বাড়ি টাংগাইলে, বালু ব্যবসায়ীদের সাথে টিপ অনুযায়ী কন্ট্যাক রয়েছে। রাতভর প্রতিটি ট্রাক ৩/৪টিপ করে দেয়। বেইলী ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রিজের ওপর দিয়ে পার না হয়ে এখন রংপুর সৈয়দপুরে এসব বালু সরবরাহ করছে। অবৈধ বালু ব্যবসায়ী যুগল ও মামুন শাহ্’র সাথে কথা হলে তারা নদী থেকে বালু উত্তেলান ও বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে জানায়, সরকারীভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম মেহেদী হাসান ঢাকায় ট্রেনিংয়ে থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭
১২ বার পঠিত হয়েছে

কিশোরগঞ্জে নদীর বালু উত্তোলনে লক্ষ টাকার অবৈধ বাণিজ্য

আপডেট এর সময় : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

 

 

মো রাজিব তালুকদার (০১৭৭৫৪০৩২৬৪) :নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার যমুনেশ্বরী নদীর বাহাগিলীর ঘাট বেইলী ব্রিজের পূর্ব পাশে প্রতিরাতে অবৈধভাবে স্কেবেটর মেশিন দিয়ে নদীর বালু উত্তেলন করে ট্রাক প্রতি বালু বিক্রি করে একটি চক্র লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বালুভর্তি এসব ১০ চাকার ট্রাক রাতভর বেইলী ব্রিজের উপর দিয়ে চলাচল করায় ব্রিজের দক্ষিণ পাশের একটি পাঠাতন দেবে যাওয়ায় ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। জানা যায়, ওই এলাকার যুগল ও মামুন শাহ্ অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি চক্রের মূল হোতা। প্রতিনিয়ত রাতের অন্ধকারে চলছে নদী থেকে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে তাদের লক্ষ টাকার অবৈধ বালু বাণিজ্য। ট্রাক প্রতি বালুর দাম দুরত্ব অনুযায়ী ৫/৭ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। স্বয়ংক্রীয় বালু আললোটকারী হলুদ রঙের ০৯টি ট্রাক রাতভর নদীর চর থেকে বালু নিয়ে ৩/৪বার চলে যাওয়া-আসা। দিনের সূর্যের আলোয় প্রভাত হওয়ার পূর্বেই এ ট্রাকগুলো অজ্ঞাত স্থানে চলে যায়। রাত ৮টার পরেই আবার শুরু হয় ট্রাকগুলোর নদী থেকে বালু পরিবহনের কার্যক্রম। এভাবে রাতের অন্ধকারে চলছে একটি চক্রের অবৈধ বালু বাণিজ্য। এচক্রটি এভাবে প্রতিরাত লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। বেশ কিছুদিন যাবত অবৈধ বালুর ব্যবসা করে এরা আঙুল ফুলে কলা গাছ হয়েছে। গত শনিবার রাতে বালু বহনকারী ১০চাকার হলুদ রঙের ট্রাকগুলো অনুসরণ করে গিয়ে দেখা যায়, বেইলী ব্রিজের দক্ষিণ পাশ দিয়ে সিনা কোম্পানীর কোল ঘেষে যাওয়া রাস্তা দিয়ে ট্রাক গুলো নদীর চরে অবস্থান নেয়। চারদিকে অন্ধকার, কোথায় কোন মানুষ নেই। দেখা হয় নদী থেকে বালু উত্তোলন করে ট্রাকে দেয়া স্কেবেটর মেশিন ও ট্রাকের ড্রাইভারদের। তারা ক্যামেরাসহ অপরিচিত দু’জন লোক দেখে তারা থমকে যায়। এ সময় কথা হয় স্বয়ংক্রীয় আললোটকারী ১০ চাকার ট্রাক চালক হামিদ, নিজাম ও নুরুজ্জামানের সাথে। এরা জানান, এসব ট্রাকের মালিক ও তাদের বাড়ি টাংগাইলে, বালু ব্যবসায়ীদের সাথে টিপ অনুযায়ী কন্ট্যাক রয়েছে। রাতভর প্রতিটি ট্রাক ৩/৪টিপ করে দেয়। বেইলী ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় ব্রিজের ওপর দিয়ে পার না হয়ে এখন রংপুর সৈয়দপুরে এসব বালু সরবরাহ করছে। অবৈধ বালু ব্যবসায়ী যুগল ও মামুন শাহ্’র সাথে কথা হলে তারা নদী থেকে বালু উত্তেলান ও বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করে জানায়, সরকারীভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের ইজারা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস.এম মেহেদী হাসান ঢাকায় ট্রেনিংয়ে থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।