ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডিআর কঙ্গো ও উগান্ডায় ইবোলা প্রাদুর্ভাবে মৃত্যু হাজার ছাড়িয়েছে: ডব্লিউএইচও Logo আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী Logo ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে ল্যাঙ্গারকে পছন্দ লেহম্যানের Logo পুলিশকে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিলেন আরপিএমপি কমিশনার Logo আফগানিস্তানে ভয়াবহ বন্যায় শতাধিক নিখোঁজের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা Logo চিলিতে ভারী বৃষ্টিতে ১০ জনের মৃত্যু, জরুরি অবস্থা ঘোষণা Logo সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের Logo আগামী এক বছরে ২০ লাখ মামলা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে: আইনমন্ত্রী Logo মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের উত্তেজনায় এক মাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে তেলের দাম

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার দাবিতে ফ্রান্স-মালয়েশিয়ার আহ্বান

প্রতিনিধির নাম :

আন্তর্জাতিক  ডেস্ক:   ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাকরনের  এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

প্যারিসে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের সর্বোত্তম পথ বেছে নিতে আহ্বান জানান।  গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়াও দুর্ভিক্ষ ও চিকিৎসা সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে গাজায়।

ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি সরবরাহ অপ্রতুল। ম্যাকরন বলেন, ‘ইসরায়েলকে অবশ্যই সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।’

ম্যাকরন ও আনোয়ার উভয়েই ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দেন, যা ইসরায়েলের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করবে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাম্প্রতিক ইরান হামলার নিন্দা করেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের ‘দ্বিমুখী নীতির’ সমালোচনা করে বলেন, ‘ইরানকে ‘না’ বললেও ইসরায়েলকে ‘হ্যাঁ’ বললে সমস্যা থেকে যায়। ইরানকে অবশ্যই শান্তিপূর্ণ উপায়ে এগোতে হবে এবং পরমাণু পরিদর্শন মেনে নিতে হবে।’

মালয়েশিয়া ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছে এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরোধিতা করে আসছে।

ইসরায়েল গাজায় হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার ৯০% জনগণ বাস্তুচ্যুত এবং অর্ধেকের বেশি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা রোধে প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিলেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

এই যৌথ আহ্বান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর চাপ বাড়াচ্ছে যাতে ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই শর্তহীন যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং ফিলিস্তিনিদের তীব্র মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি সহায়তা দেয়া হয়।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
১৩ বার পঠিত হয়েছে

গাজায় যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার দাবিতে ফ্রান্স-মালয়েশিয়ার আহ্বান

আপডেট এর সময় : ০১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

আন্তর্জাতিক  ডেস্ক:   ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমান্যুয়েল ম্যাকরনের  এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার জন্য জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

প্যারিসে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের সর্বোত্তম পথ বেছে নিতে আহ্বান জানান।  গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ৩৮ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। এছাড়াও দুর্ভিক্ষ ও চিকিৎসা সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে গাজায়।

ইসরায়েলের অবরোধের কারণে গাজায় খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি সরবরাহ অপ্রতুল। ম্যাকরন বলেন, ‘ইসরায়েলকে অবশ্যই সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।’

ম্যাকরন ও আনোয়ার উভয়েই ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দেন, যা ইসরায়েলের পাশাপাশি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করবে।

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সাম্প্রতিক ইরান হামলার নিন্দা করেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের ‘দ্বিমুখী নীতির’ সমালোচনা করে বলেন, ‘ইরানকে ‘না’ বললেও ইসরায়েলকে ‘হ্যাঁ’ বললে সমস্যা থেকে যায়। ইরানকে অবশ্যই শান্তিপূর্ণ উপায়ে এগোতে হবে এবং পরমাণু পরিদর্শন মেনে নিতে হবে।’

মালয়েশিয়া ফিলিস্তিনিদের ঐতিহাসিক অধিকারের পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছে এবং ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরোধিতা করে আসছে।

ইসরায়েল গাজায় হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে ব্যাপক সামরিক অভিযান চালাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজার ৯০% জনগণ বাস্তুচ্যুত এবং অর্ধেকের বেশি অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। আন্তর্জাতিক আদালত ইসরায়েলকে গণহত্যা রোধে প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিলেও সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে।

এই যৌথ আহ্বান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপর চাপ বাড়াচ্ছে যাতে ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই শর্তহীন যুদ্ধবিরতি মেনে নেয় এবং ফিলিস্তিনিদের তীব্র মানবিক সংকট মোকাবিলায় জরুরি সহায়তা দেয়া হয়।