ঢাকা , বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় ডেনমার্কের সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখবে : এলজিআরডি মন্ত্রী Logo রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সৌজন্য সাক্ষাৎ

খাবারের অভাবে পাহাড় ছেড়ে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী

প্রতিনিধির নাম :

মিরসরাইয়ে খাবারের অভাবে একের পর এক বন্য প্রাণী ছুটে আসছে লোকালয়ে। এসব প্রানীর মধ্যে কিছু প্রাণী বনে অবমুক্ত করা হলেও কিছু প্রাণী মানুষের হাতে মারা পড়ছে। প্রাণীদের থাকার জায়গায় মানুষের অবাধ বিচরনের কারণে এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের তীব্র সংকটে লোকালয়ে ধেয়ে আসছে বিভিন্ন প্রজাতীর বন্য প্রানী। সাম্প্রতিক সময়ে অজগর, বানর, হরিন সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাণীর লোকালয়ে ছুটে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পশু পাখির আবাস্থল ধ্বংস, সংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় সহ নানা কারনে খাদ্য সংকটে বন্যপ্রাণীদের এভাবে লোকালয়ে আসার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েক মাসে, মিরসরাই পৌর এলাকায় কয়েকটি অজগর লোকালয়ে চলে এলে এলাকাবাসী বন বিভাগে খবর পাঠিয়ে পাহাড়ে নিয়ে এসব বণ্যপ্রাণী অবমুক্ত করে দেয়। এর পূর্বে বিভিন্ন প্রজাতির বানর, পেঁচা, কখনো হরিণ ও লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা অহরহ। 
জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর আগের মতো তাদের মেরে ফেলা না হলেও এসব প্রাণীর অভয়ারন্য রক্ষায় বনবিভাগের কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 
মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন,এক সময় এই মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অনেক রকম ফলমূল থাকতো। এখন এসব প্রায় বিলুপ্ত। তাই গহীন পাহাড়ে খাদ্য সংকটের কারণে বন্যপ্রাণীগুলো বাঁচার তাগিদে লোকালয়ে এসে খাবার খুঁজছে। নির্বিচারে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ফলের চাষ কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। 
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আবু বক্কর জানান, বন বিভাগ থেকে ইতিমধ্যে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রানীর খাদ্য চাহিদা পুরনের লক্ষে বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭
২৮ বার পঠিত হয়েছে

খাবারের অভাবে পাহাড় ছেড়ে লোকালয়ে বন্যপ্রাণী

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর ২০১৭

মিরসরাইয়ে খাবারের অভাবে একের পর এক বন্য প্রাণী ছুটে আসছে লোকালয়ে। এসব প্রানীর মধ্যে কিছু প্রাণী বনে অবমুক্ত করা হলেও কিছু প্রাণী মানুষের হাতে মারা পড়ছে। প্রাণীদের থাকার জায়গায় মানুষের অবাধ বিচরনের কারণে এমনটা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি বনাঞ্চলে খাদ্যের তীব্র সংকটে লোকালয়ে ধেয়ে আসছে বিভিন্ন প্রজাতীর বন্য প্রানী। সাম্প্রতিক সময়ে অজগর, বানর, হরিন সহ বিভিন্ন প্রকার প্রাণীর লোকালয়ে ছুটে আসার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে পশু পাখির আবাস্থল ধ্বংস, সংরক্ষিত বনাঞ্চল উজাড় সহ নানা কারনে খাদ্য সংকটে বন্যপ্রাণীদের এভাবে লোকালয়ে আসার প্রবণতা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা।
গত কয়েক মাসে, মিরসরাই পৌর এলাকায় কয়েকটি অজগর লোকালয়ে চলে এলে এলাকাবাসী বন বিভাগে খবর পাঠিয়ে পাহাড়ে নিয়ে এসব বণ্যপ্রাণী অবমুক্ত করে দেয়। এর পূর্বে বিভিন্ন প্রজাতির বানর, পেঁচা, কখনো হরিণ ও লোকালয়ে চলে আসার ঘটনা অহরহ। 
জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন আর আগের মতো তাদের মেরে ফেলা না হলেও এসব প্রাণীর অভয়ারন্য রক্ষায় বনবিভাগের কার্যকর উদ্যোগ পরিলক্ষিত হচ্ছে না। 
মিরসরাই পৌরসভার মেয়র গিয়াস উদ্দিন বলেন,এক সময় এই মিরসরাইয়ের পাহাড়ে অনেক রকম ফলমূল থাকতো। এখন এসব প্রায় বিলুপ্ত। তাই গহীন পাহাড়ে খাদ্য সংকটের কারণে বন্যপ্রাণীগুলো বাঁচার তাগিদে লোকালয়ে এসে খাবার খুঁজছে। নির্বিচারে বন উজাড়, পাহাড় কাটা, ফলের চাষ কমে যাওয়াসহ নানা কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। 
চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক আবু বক্কর জানান, বন বিভাগ থেকে ইতিমধ্যে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী হাতে নেওয়া হয়েছে। বন্যপ্রানীর খাদ্য চাহিদা পুরনের লক্ষে বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।