ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গুলশান সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ‘কমিশন সিন্ডিকেটের’ অভিযোগ Logo ইইউ-মার্কোসুর বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অসন্তোষ প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্টের Logo তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার Logo কুমিল্লার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ

আরপিসিসি প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন

নিজস্ব প্রতিনিধি

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (আরপিসিসি)’র নবনিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন সোমবার যোগদান করেছেন।

উৎসবমুখর পরিবেশে নগর ভবনে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী তার কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তার পদে যোগদানের পরপরই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, তিনি নগরীর উন্নয়নের জন্য দলমত নির্বিশেষে প্রশাসক হিসেবে নয়, বরং নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান।

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী বলেন, আমার কাজের মূল লক্ষ্য হবে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সকল নাগরিকের সহায়তায় একটি পরিকল্পিত, পরিষ্কার এবং সবুজ শহর তৈরি করা।

তিনি বলেন, ‘আমার প্রথম কাজ হবে, বৈষম্য দূর করা।’

এ সময় মাহফুজ উন নবী ডন বলেন, যারা আমার সঙ্গে থাকবেন, তারা যেমন নিরাপদ থাকবেন, ঠিক তেমনি যারা আমার সঙ্গে থাকবেন না তারাও নিরাপদ থাকবেন। কারও সাথে কোনও ধরনের বৈষম্য করা হবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিকদেরকে তাদের প্রাপ্য সুবিধা প্রদান করতে চাই।’

এ সময় রংপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান রংপুর মহানগর বিএনপি’র সদস্য-সচিব ডন নাগরিকদেরকে তাদের প্রাপ্য পরিষেবা সহজে পেতে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

বাজেট বৈষম্য সম্পর্কে তিনি বলেন, রংপুর দীর্ঘদিন ধরে বাজেট বৈষম্যের শিকার।

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী আরও বলেন, এই বাজেট বৈষম্যের কারণে আমরা দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে, বাজেট বৈষম্য কমাতে আমরা সকল ধরণের উদ্যোগ নেব।’

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুরের বাজেট বৈষম্য সম্পর্কে অবগত। তিনি আমাদের সাথে আছেন এবং রংপুরের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত এই প্রশাসক আরও বলেন, ‘আগামী দিনে আমি রংপুরের জন্য সকলকে নিয়ে নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে চাই।’

শ্যামাসুন্দরী খাল সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবে রংপুরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত শ্যামাসুন্দরী খাল আজ অপরিষ্কার স্থানে পরিণত হয়েছে। আর এ জন্য প্রথমে শ্যামাসুন্দরী খাল পরিষ্কারের জন্য স্বল্পমেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এ সময় মাহফুজ উন নবী চৌধুরী আরও বলেন, পরবর্তীতে, একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে, আমি শহরের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং পরিবেশবান্ধব উপহার হিসেবে শ্যামাসুন্দরী খাল দিতে চাই। এর জন্য সময় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা করে, তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।’

এর আগে, নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন সকাল ৯টায় সিটি হলে পৌঁছেন।

সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর, তিনি নগর ভবনের প্রতিটি সেকশনে যান এবং সেখানে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এর আগে, শনিবার বিকেলে স্থানীয় সরকার কর্তৃক জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাবেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডনকে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
৬ বার পঠিত হয়েছে

আরপিসিসি প্রশাসক হিসেবে যোগদান করলেন মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন

আপডেট এর সময় : ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রংপুর সিটি কর্পোরেশন (আরপিসিসি)’র নবনিযুক্ত প্রশাসক হিসেবে অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন সোমবার যোগদান করেছেন।

উৎসবমুখর পরিবেশে নগর ভবনে মাহফুজ উন নবী চৌধুরী তার কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তার পদে যোগদানের পরপরই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানান, তিনি নগরীর উন্নয়নের জন্য দলমত নির্বিশেষে প্রশাসক হিসেবে নয়, বরং নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করতে চান।

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী বলেন, আমার কাজের মূল লক্ষ্য হবে সমন্বিত প্রচেষ্টা এবং সকল নাগরিকের সহায়তায় একটি পরিকল্পিত, পরিষ্কার এবং সবুজ শহর তৈরি করা।

তিনি বলেন, ‘আমার প্রথম কাজ হবে, বৈষম্য দূর করা।’

এ সময় মাহফুজ উন নবী ডন বলেন, যারা আমার সঙ্গে থাকবেন, তারা যেমন নিরাপদ থাকবেন, ঠিক তেমনি যারা আমার সঙ্গে থাকবেন না তারাও নিরাপদ থাকবেন। কারও সাথে কোনও ধরনের বৈষম্য করা হবে না।

তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে নাগরিকদেরকে তাদের প্রাপ্য সুবিধা প্রদান করতে চাই।’

এ সময় রংপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান রংপুর মহানগর বিএনপি’র সদস্য-সচিব ডন নাগরিকদেরকে তাদের প্রাপ্য পরিষেবা সহজে পেতে প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

বাজেট বৈষম্য সম্পর্কে তিনি বলেন, রংপুর দীর্ঘদিন ধরে বাজেট বৈষম্যের শিকার।

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী আরও বলেন, এই বাজেট বৈষম্যের কারণে আমরা দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছি।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে, বাজেট বৈষম্য কমাতে আমরা সকল ধরণের উদ্যোগ নেব।’

মাহফুজ উন নবী চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রংপুরের বাজেট বৈষম্য সম্পর্কে অবগত। তিনি আমাদের সাথে আছেন এবং রংপুরের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক।

রংপুর সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত এই প্রশাসক আরও বলেন, ‘আগামী দিনে আমি রংপুরের জন্য সকলকে নিয়ে নগরীর পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে চাই।’

শ্যামাসুন্দরী খাল সম্পর্কে তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অভাবে রংপুরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত শ্যামাসুন্দরী খাল আজ অপরিষ্কার স্থানে পরিণত হয়েছে। আর এ জন্য প্রথমে শ্যামাসুন্দরী খাল পরিষ্কারের জন্য স্বল্পমেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

এ সময় মাহফুজ উন নবী চৌধুরী আরও বলেন, পরবর্তীতে, একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে, আমি শহরের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর এবং পরিবেশবান্ধব উপহার হিসেবে শ্যামাসুন্দরী খাল দিতে চাই। এর জন্য সময় প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনা করে, তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদেরকে এগিয়ে যেতে হবে।’

এর আগে, নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন সকাল ৯টায় সিটি হলে পৌঁছেন।

সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর, তিনি নগর ভবনের প্রতিটি সেকশনে যান এবং সেখানে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এর আগে, শনিবার বিকেলে স্থানীয় সরকার কর্তৃক জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সাবেক জনপ্রিয় ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডনকে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।