ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি : মাহদী আমিন Logo ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি Logo সামাজিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার বিকল্প নাই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo ইনিংস ও ৪১৩ রানে হারল বাংলাদেশ ‘এ’ Logo নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ায় ১৬ বছরের কম বয়সীদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার বাড়ছে Logo কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুলেছে উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা Logo পাকিস্তানের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ শিশুর মৃত্যু Logo বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাসিজম চর্চাকারীদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo দেশের সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম :

প্রায় ১১ বছর আগে এক বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিন (৪১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মনসুর আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সংঘটিত এক বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় দেওয়া হয়। আসামি আব্দুল মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে, আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের পুত্র।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ‘অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হলো।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে অভিযুক্ত পালিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে একই মামলার অন্য আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্ট ভিকটিমের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, আজকের এ রায় সমাজে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

যারা অপরাধী তাদের এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করা থেকে নিরুৎসাহিত করবে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এ জন্য যে, ভিকটিমের মা আদালতের কাছে একটি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
৫৫ বার পঠিত হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট এর সময় : ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

প্রায় ১১ বছর আগে এক বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিন (৪১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মনসুর আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সংঘটিত এক বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় দেওয়া হয়। আসামি আব্দুল মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে, আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের পুত্র।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ‘অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হলো।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে অভিযুক্ত পালিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে একই মামলার অন্য আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্ট ভিকটিমের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, আজকের এ রায় সমাজে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

যারা অপরাধী তাদের এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করা থেকে নিরুৎসাহিত করবে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এ জন্য যে, ভিকটিমের মা আদালতের কাছে একটি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।