ঢাকা , মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ২৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত বাংলাদেশ Logo জুলাই মাসেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের মূল্য Logo বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড Logo স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে আলোক প্রদর্শনীর আয়োজন করবে ফ্রান্স Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি : মির্জা ফখরুল Logo জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ Logo চট্টগ্রামে ভারতীয় পণ্য জব্দ, গ্রেফতার ২ Logo ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভেনেজুয়েলাকে ১৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে চীন Logo যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রতিনিধির নাম :

প্রায় ১১ বছর আগে এক বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিন (৪১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মনসুর আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সংঘটিত এক বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় দেওয়া হয়। আসামি আব্দুল মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে, আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের পুত্র।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ‘অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হলো।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে অভিযুক্ত পালিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে একই মামলার অন্য আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্ট ভিকটিমের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, আজকের এ রায় সমাজে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

যারা অপরাধী তাদের এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করা থেকে নিরুৎসাহিত করবে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এ জন্য যে, ভিকটিমের মা আদালতের কাছে একটি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে
১৫ বার পঠিত হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি

বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের দায়ে ঠাকুরগাঁওয়ে একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট এর সময় : এক ঘন্টা আগে

প্রায় ১১ বছর আগে এক বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি আব্দুল মমিন (৪১)কে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং ভুক্তভোগীকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক আলী মনসুর আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৫ সালে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে সংঘটিত এক বাক্ প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় এ রায় দেওয়া হয়। আসামি আব্দুল মমিনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে, আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদ- এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আব্দুল মমিন রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকার মৃত জালাল বৈরাগী ওরফে প্রামাণিকের পুত্র।

আদালতের নির্দেশে বলা হয়, ‘অর্থদণ্ডের অর্থ ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে দণ্ডিতের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হলো।’

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর রাতে রাণীশংকৈল উপজেলার ভাংবাড়ী এলাকায় নিজ বাড়িতে একা থাকা ১৪ বছর বয়সী বাক্ প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের সময় তার মা ঘটনাস্থলে এসে অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে অভিযুক্ত পালিয়ে যায় এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়। তবে একই মামলার অন্য আসামি এরশাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। এ রায়ে সন্তুষ্ট ভিকটিমের পরিবার ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনতাজুল ইসলাম বলেন, আজকের এ রায় সমাজে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

যারা অপরাধী তাদের এ ধরনের অপরাধ সংঘটিত করা থেকে নিরুৎসাহিত করবে। আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট এ জন্য যে, ভিকটিমের মা আদালতের কাছে একটি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।