ঢাকা , শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo নারায়ণগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত Logo জাতিসংঘে নারী মহাসচিব প্রার্থী ইকুয়েডরের এসপিনোসার প্রচারণা শুরু Logo ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে Logo ডেমরায় শিপু মেকওভার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন Logo প্রথম সেশন বাংলাদেশের Logo কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত Logo দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল Logo নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিরতার কারণে; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত পূরণের জন্য নয়।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ-এর শর্তের সাথে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই। আমি আইএমএফ-এর মিটিংয়ে যাওয়ার আগেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।’

আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকাতে দাম দ্বিগুণ হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে ২৫ শতাংশ। জাতীয় তহবিলের ওপর তীব্র চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা দেশের জনগণের স্বার্থে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাম না বাড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম। কিন্তু বাজেট ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মসূচি সচল রাখতে অত্যন্ত নগণ্য হারে এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণ ও সহযোগিতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো শর্ত মানা হবে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আইএমএফ-এর এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেখানে অনেক শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাই জনগণের ওপর বা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেব না।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তেলের দাম সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্কেটের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে। সরকার তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের ওপর এর প্রভাব সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীরা একমত এবং তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী। বিশেষ করে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। শীঘ্রই বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রতিনিধি বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলেও জানান তিনি।

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
২ বার পঠিত হয়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী

আপডেট এর সময় : ০৭:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে মূলত বিশ্ববাজারের অস্থিরতার কারণে; আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত পূরণের জন্য নয়।

তিনি বলেন, ‘আইএমএফ-এর শর্তের সাথে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই। আমি আইএমএফ-এর মিটিংয়ে যাওয়ার আগেই তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে।’

আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে চলমান আলোচনা এবং দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন তিনি।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সারা দুনিয়ায় তেলের দাম বেড়েছে। আমেরিকাতে দাম দ্বিগুণ হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে ২৫ শতাংশ। জাতীয় তহবিলের ওপর তীব্র চাপ থাকা সত্ত্বেও আমরা দেশের জনগণের স্বার্থে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাম না বাড়িয়ে ধরে রেখেছিলাম। কিন্তু বাজেট ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মসূচি সচল রাখতে অত্যন্ত নগণ্য হারে এই মূল্য সমন্বয় করতে হয়েছে।’

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ঋণ ও সহযোগিতার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। একটি নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো শর্ত মানা হবে না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘বিগত সরকারের সময় আইএমএফ-এর এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল। সেখানে অনেক শর্ত আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। আমরা জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাই জনগণের ওপর বা ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এমন কোনো সিদ্ধান্ত আমরা নেব না।’

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তেলের দাম সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্কেটের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। মূল্যস্ফীতি মূলত সরবরাহ ও চাহিদার ওপর নির্ভর করে। সরকার তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ নিশ্চিত করার মাধ্যমে জনগণের ওপর এর প্রভাব সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীরা একমত এবং তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে অত্যন্ত আগ্রহী। বিশেষ করে সরকারের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বা সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। শীঘ্রই বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রতিনিধি বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলেও জানান তিনি।