ঢাকা , সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo গোপালগঞ্জে মধুমতি নদীতে ডুবে শিশুর মৃত্যু Logo যুদ্ধ অবসানে চুক্তি চূড়ান্তের চেষ্টা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান Logo কোরবানির চামড়ার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় কন্ট্রোল রুম বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের Logo বায়তুল মুকাররমে ঈদুল আযহায় ৫টি জামাত: ইমাম ও মুকাব্বিরের তালিকা প্রকাশ Logo স্কুল ফিডিংয়ে গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ Logo বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীল শক্তি ব্যবস্থার পথে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী Logo উপাত্ত ছাড়া যে কোনো তথ্য কেবলই ব্যক্তিগত অভিমত : তথ্যমন্ত্রী Logo ইসরাইলি বিমান হামলায় লেবাননে নিহত ১০ Logo কলম্বিয়ায় ২ আদিবাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭, আহত শতাধিক Logo মোবাইল খাতে কর সংস্কারে ২০৩৪ সালের মধ্যে অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার রাজস্বের সম্ভাবনা

দাম নিয়ে আড়তদারদের আশ্বস্ত করলেন ট্যানারি মালিকরা

প্রতিনিধির নাম :

অর্থনীতি ডেস্ক:  কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণে লবণ লাগানোর কাজ শেষ করেছেন আড়ত মালিকরা। এবার ঢাকাসহ সারাদেশে এভাবে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে ৯০ লাখ পিসের ওপরে। এসব চামড়া এখন চলে যাবে সাভারের ট্যানারি পল্লীতে।

কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া সংগ্রহ শুরু করবেন কারখানা মালিকরা। প্রথমে ঢাকার চামড়া কিনবেন তারা। পর্যায়ক্রমে কেনা হবে ঢাকার বাইরের চামড়া।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেছেন, পোস্তা, আমিন বাজারসহ বিভিন্ন আড়তে ঢাকার ভেতরে যে চামড়াগুলো আছে, সেগুলোর কেনাকাটা শুরু হবে আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে। এখন যেহেতু একটা লম্বা ছুটি আছে, সেই কারণে প্রক্রিয়াটা একটু ধীরে হবে।

সমতা লেদারের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, একটা চামড়ায় যদি লবণ লাগানো হয়, তার থেকে তিন-চার দিন সময় নেয় পানিগুলো সরে যেতে। সেই ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে ঢাকা শহরের চামড়াগুলো সংরক্ষণ করবো। আমরা আশা করতেছি, আগামী শনি বা রোববার থেকে হয়তো আমাদের লোকজন বিভিন্ন হাট-ঘাটে যাওয়া শুরু করবে।

এদিকে, পশুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ঢাকায় গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম সাড়ে ১৩শ’ এবং ঢাকার বাইরে সাড়ে ১১শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ট্যানারি শিল্প মলিকরা বলছেন, পিস হিসেবে নয়, ফুট হিসাব করে চামড়া কিনবেন তারা। চামড়ার গুণগত মান ঠিক থাকলে সরকার নির্ধারিত দাম পাবেন আড়ত মালিকরা।

শাহীন আহমেদ বলেছেন, পিস হিসেবে চামড়া কিনবো না। আমরা ফুট মেপে স্কয়ার ফিট হিসেবে যে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ঢাকার চামড়া, ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকার ভেতরে লবণযুক্ত চামড়া কিনবো। সরকার যে দামটা দিয়েছে, আমরা মনে করি সেটা একটু অধিক। ছোট চামড়ার দাম যদি ১৩৫০ টাকা দিয়ে থাকে, তো আমরা স্কয়ার ফিট হিসেবে ক্যালকুলেশন করে কিনবো চামড়া।

মিজানুর রহমান বলেন, আমরা আশঙ্কা করতেছি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ চামড়া এই বছর লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত। আমাদের কোরবানি হয়ে গেছে ইতোমধ্যে এবং চামড়াগুলোও সল্টিং হয়ে গেছে। সুতরাং এই চামড়াগুলোর গুণগত মান অনেক অনেক কম। এগুলো আমরা কোনও অবস্থায় রফতানি করতে পারি না। তবে লবণযুক্ত চামড়া যারা বেচাকেনা করে কারণ তারা খুবই প্রফেশনাল। তাদের সাথে আমাদের যে বার্গেনিংটা হয় এটা প্রফেশনাল বার্গেনিং হয়। সুতরাং সেই জায়গাটায় আমাদের খুব একটা সমস্যা হয় না তাদের সাথে কেনাকাটা করতে। আমরা আশা করতেছি, সরকার নির্ধারিত দামে আমরা চামড়াগুলো সংগ্রহ করতে পারবো।

দাম নিয়ে দর কষাকষি হলেও চামড়া কিনে আড়ত মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও জানিয়েছেন ট্যানারি শিল্প মালিকরা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
৬ বার পঠিত হয়েছে

দাম নিয়ে আড়তদারদের আশ্বস্ত করলেন ট্যানারি মালিকরা

আপডেট এর সময় : ১২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

অর্থনীতি ডেস্ক:  কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ করে তা সংরক্ষণে লবণ লাগানোর কাজ শেষ করেছেন আড়ত মালিকরা। এবার ঢাকাসহ সারাদেশে এভাবে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়েছে ৯০ লাখ পিসের ওপরে। এসব চামড়া এখন চলে যাবে সাভারের ট্যানারি পল্লীতে।

কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া সংগ্রহ শুরু করবেন কারখানা মালিকরা। প্রথমে ঢাকার চামড়া কিনবেন তারা। পর্যায়ক্রমে কেনা হবে ঢাকার বাইরের চামড়া।

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ বলেছেন, পোস্তা, আমিন বাজারসহ বিভিন্ন আড়তে ঢাকার ভেতরে যে চামড়াগুলো আছে, সেগুলোর কেনাকাটা শুরু হবে আগামী ছয়-সাত দিনের মধ্যে। এখন যেহেতু একটা লম্বা ছুটি আছে, সেই কারণে প্রক্রিয়াটা একটু ধীরে হবে।

সমতা লেদারের পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, একটা চামড়ায় যদি লবণ লাগানো হয়, তার থেকে তিন-চার দিন সময় নেয় পানিগুলো সরে যেতে। সেই ক্ষেত্রে আমরা প্রথমে ঢাকা শহরের চামড়াগুলো সংরক্ষণ করবো। আমরা আশা করতেছি, আগামী শনি বা রোববার থেকে হয়তো আমাদের লোকজন বিভিন্ন হাট-ঘাটে যাওয়া শুরু করবে।

এদিকে, পশুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। ঢাকায় গরুর চামড়ার সর্বনিম্ন দাম সাড়ে ১৩শ’ এবং ঢাকার বাইরে সাড়ে ১১শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ট্যানারি শিল্প মলিকরা বলছেন, পিস হিসেবে নয়, ফুট হিসাব করে চামড়া কিনবেন তারা। চামড়ার গুণগত মান ঠিক থাকলে সরকার নির্ধারিত দাম পাবেন আড়ত মালিকরা।

শাহীন আহমেদ বলেছেন, পিস হিসেবে চামড়া কিনবো না। আমরা ফুট মেপে স্কয়ার ফিট হিসেবে যে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ঢাকার চামড়া, ঢাকার বাইরে ৫০ থেকে ৫৫ টাকার ভেতরে লবণযুক্ত চামড়া কিনবো। সরকার যে দামটা দিয়েছে, আমরা মনে করি সেটা একটু অধিক। ছোট চামড়ার দাম যদি ১৩৫০ টাকা দিয়ে থাকে, তো আমরা স্কয়ার ফিট হিসেবে ক্যালকুলেশন করে কিনবো চামড়া।

মিজানুর রহমান বলেন, আমরা আশঙ্কা করতেছি ১৫ থেকে ২০ শতাংশ চামড়া এই বছর লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত। আমাদের কোরবানি হয়ে গেছে ইতোমধ্যে এবং চামড়াগুলোও সল্টিং হয়ে গেছে। সুতরাং এই চামড়াগুলোর গুণগত মান অনেক অনেক কম। এগুলো আমরা কোনও অবস্থায় রফতানি করতে পারি না। তবে লবণযুক্ত চামড়া যারা বেচাকেনা করে কারণ তারা খুবই প্রফেশনাল। তাদের সাথে আমাদের যে বার্গেনিংটা হয় এটা প্রফেশনাল বার্গেনিং হয়। সুতরাং সেই জায়গাটায় আমাদের খুব একটা সমস্যা হয় না তাদের সাথে কেনাকাটা করতে। আমরা আশা করতেছি, সরকার নির্ধারিত দামে আমরা চামড়াগুলো সংগ্রহ করতে পারবো।

দাম নিয়ে দর কষাকষি হলেও চামড়া কিনে আড়ত মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলেও জানিয়েছেন ট্যানারি শিল্প মালিকরা।