ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ইরান কখনো মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান Logo জাতিসংঘে শত্রু-মিত্রদের সমালোচনা করতে পারেন নেতানিয়াহু Logo ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে: মাহদী আমিন Logo এআইয়ের নাম পাল্টে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ বা এসআই রাখছেন ট্রাম্প Logo বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যয় Logo মার্কিন প্রেসিডেন্টের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ Logo হুতিদের ‘অবিলম্বে সব সামরিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জি৭ নেতাদের Logo তুরস্কে স্কুলের বাইরে গুলিতে আহত ৪ শিক্ষার্থী Logo সীমিত সম্পদের ভারসাম্য রক্ষায় জ্বালানি খাতে ভর্তুকি সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত : তথ্য উপদেষ্টা

দিন শেষে ১২৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও, হাতে ১০ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েই এখন চালকের আসনে

প্রতিনিধির নাম :

খেলাধুলা ডেস্ক: নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে যেন শেখালেন, কীভাবে ব্যাটিং করতে হয়। যে উইকেটে ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারেনের জুটি বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে দিন শেষ করেন, সেই উইকেটেই টাইগারদের হালদিশা অবস্থা—মাত্র ৬১ ওভারেই গুটিয়ে যায় পুরো ইনিংস।

প্রথম দিন শেষে ১২৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও, হাতে ১০ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েই এখন চালকের আসনে।

ম্যাচের দিনের শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন দুই ওপেনার। হঠাৎই নিয়াউচির বলে বেনেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ইসলাম। এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। উইকেটে থিতু হতে পারেননি আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। নিয়াউচির শিকার হয়ে তিনিও ফেরেন ১৪ রানে।

এরপর জুটি বেঁধে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন শান্ত ও মুমিনুল। ৪০ রান করা শান্তকে ফিরিয়ে ৬৬ রানের জুটি ভাঙেন মুজারাবানি। মুশফিকও ফেরেন ৪ রান করে, আর ফিফটি তুলে সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল হক। দাঁড়াতে পারেননি মিরাজ ও তাইজুলও। মুজারাবানির তৃতীয় শিকার হন ১৯ রান করা হাসান মাহমুদ।

মাত্র ৬১ ওভারেই ১৯১ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। সমান ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মুজারাবানি ও মাসাকাদজা।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
৩৪ বার পঠিত হয়েছে

দিন শেষে ১২৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও, হাতে ১০ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েই এখন চালকের আসনে

আপডেট এর সময় : ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

খেলাধুলা ডেস্ক: নাজমুল হোসেন শান্তর দলকে যেন শেখালেন, কীভাবে ব্যাটিং করতে হয়। যে উইকেটে ব্রায়ান বেনেট ও বেন কারেনের জুটি বিনা উইকেটে ৬৭ রান তুলে দিন শেষ করেন, সেই উইকেটেই টাইগারদের হালদিশা অবস্থা—মাত্র ৬১ ওভারেই গুটিয়ে যায় পুরো ইনিংস।

প্রথম দিন শেষে ১২৪ রানে পিছিয়ে থাকলেও, হাতে ১০ উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েই এখন চালকের আসনে।

ম্যাচের দিনের শুরুটা ভালোই করেছিল বাংলাদেশ। দেখে-শুনেই খেলছিলেন দুই ওপেনার। হঠাৎই নিয়াউচির বলে বেনেটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাদমান ইসলাম। এই ওপেনারের ব্যাট থেকে আসে ১২ রান। উইকেটে থিতু হতে পারেননি আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। নিয়াউচির শিকার হয়ে তিনিও ফেরেন ১৪ রানে।

এরপর জুটি বেঁধে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন শান্ত ও মুমিনুল। ৪০ রান করা শান্তকে ফিরিয়ে ৬৬ রানের জুটি ভাঙেন মুজারাবানি। মুশফিকও ফেরেন ৪ রান করে, আর ফিফটি তুলে সাজঘরের পথ ধরেন মুমিনুল হক। দাঁড়াতে পারেননি মিরাজ ও তাইজুলও। মুজারাবানির তৃতীয় শিকার হন ১৯ রান করা হাসান মাহমুদ।

মাত্র ৬১ ওভারেই ১৯১ রানে অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। সমান ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন মুজারাবানি ও মাসাকাদজা।