ঢাকা , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo খেজুরে তেল মেখে অস্বাস্থ্যকরভাবে প্যাকেটজাত, চট্টগ্রামে ৫ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা Logo এল নিনোর তীব্র প্রভাবে দাবানল-খরা, বাড়ছে খাদ্য ও বিদ্যুৎ সংকটের শঙ্কা Logo ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং, খুতবায় সচেতনতামূলক বক্তব্যের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo মাদক সেবনের দায়ে শাহরাস্তিতে যুবকের কারাদণ্ড Logo ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের ধোঁয়ায় সিঙ্গাপুরে চিকিৎসায় ভর্তুকি, মালয়েশিয়ায় স্কুল বন্ধ Logo নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী Logo বিভিন্ন খাতে কানাডার সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo ইমরান সমর্থকদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসন Logo উন্নয়ন প্রকল্পে জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে ব্যয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে প্রণয়ন হচ্ছে জাতীয় বন্দর কৌশল: নৌপরিবহনমন্ত্রী

পুঁজিবাজারে মন্দা কাটছে না

প্রতিনিধির নাম :

দেশের পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন মন্দাভাব চলছে। টাকা ১৩ কার্যদিবস পতনের পর এক দিন বাড়লেও পরের দুই দিন আবার পড়ল সূচক। এ নিয়ে ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে সূচকের পতন হলো ১৫ দিনই।

বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩০ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম  স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট।

দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকেই পুঁজিবাজারে মন্দাভাব দেখা দেয়। টানা ১৩ কার্যদিবস সূচকের পতনের পর গত সোমবার একদিন ২২ পয়েন্ট বেড়েছিল। তবে পরের দিন মঙ্গলবারই ২১ পয়েন্ট কমে যায় সূচক।

পুঁজিবাজারে এর আগে এমন টানা পতন কখনও হয়নি। এমনকি ২০১০ সালেও একসঙ্গে টানা পতন হয়েছিল ১০ দিন। এরপর একদিন সূচক বাড়ার পর আবার কমেছিল চার দিন। এই পতনের কারণ জানার চেষ্টা করছেন বিনিয়োগকারীরা। বেশিরভাগ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীই লোকসানে আছেন। তার পতন অব্যাহত থাকায় নতুন করে বিনিয়োগের সাহসও পাচ্ছেন না তারা।

আজ লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে। এটি গত এক বছরের মধ্যে সূচকের সর্বনি¤œ অবস্থান।

ডিএসইএক্স সূচকের পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৫১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক দুই পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বাংলাদেশ স্টিলরি-রোলিং মিলস, কুইনসাউথ টেক্সটাইল, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বেক্সিমকো, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

আজ লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৮ কোটি ৫৪ লাখটাকার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই অবস্থান করছে ১৬ হাজার ৫৯১ পয়েন্টে।

মোট লেনদেন হয়েছে ২১৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির শেয়ার দর।

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮
১৯ বার পঠিত হয়েছে

পুঁজিবাজারে মন্দা কাটছে না

আপডেট এর সময় : ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮

দেশের পুঁজিবাজারে নজিরবিহীন মন্দাভাব চলছে। টাকা ১৩ কার্যদিবস পতনের পর এক দিন বাড়লেও পরের দুই দিন আবার পড়ল সূচক। এ নিয়ে ১৬ কার্যদিবসের মধ্যে সূচকের পতন হলো ১৫ দিনই।

বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৩০ পয়েন্ট। আর চট্টগ্রাম  স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক কমেছে ৪৯ পয়েন্ট।

দুই বাজারেই লেনদেনে অংশ নেয়া বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে। তবে টাকার অংকে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকেই পুঁজিবাজারে মন্দাভাব দেখা দেয়। টানা ১৩ কার্যদিবস সূচকের পতনের পর গত সোমবার একদিন ২২ পয়েন্ট বেড়েছিল। তবে পরের দিন মঙ্গলবারই ২১ পয়েন্ট কমে যায় সূচক।

পুঁজিবাজারে এর আগে এমন টানা পতন কখনও হয়নি। এমনকি ২০১০ সালেও একসঙ্গে টানা পতন হয়েছিল ১০ দিন। এরপর একদিন সূচক বাড়ার পর আবার কমেছিল চার দিন। এই পতনের কারণ জানার চেষ্টা করছেন বিনিয়োগকারীরা। বেশিরভাগ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীই লোকসানে আছেন। তার পতন অব্যাহত থাকায় নতুন করে বিনিয়োগের সাহসও পাচ্ছেন না তারা।

আজ লেনদেন শেষে ডিএসইতে প্রধান সূচকের অবস্থান দাঁড়িয়েছে পাঁচ হাজার ৩৬১ পয়েন্টে। এটি গত এক বছরের মধ্যে সূচকের সর্বনি¤œ অবস্থান।

ডিএসইএক্স সূচকের পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ১১ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ২৫১ পয়েন্টে এবং ডিএসই ৩০ সূচক দুই পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে এক হাজার ৯৮৮ পয়েন্টে।

দিনভর লেনদেন হওয়া ৩২৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের মধ্যে দর বেড়েছে ৬০টির, কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৯টির।

লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো: ব্র্যাক ব্যাংক, ইন্ট্রাকো রিফুয়েলিং স্টেশন, বাংলাদেশ স্টিলরি-রোলিং মিলস, কুইনসাউথ টেক্সটাইল, লিগাসি ফুটওয়্যার, ইউনাইটেড পাওয়ার, বেক্সিমকো, অ্যাডভেন্ট ফার্মা, গ্রামীণ ফোন এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

আজ লেনদেন হয়েছে ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট, যা আগের দিনের চেয়ে ৫০ কোটি ১৯ লাখ টাকা বেশি। মঙ্গলবার ডিএসইতে ৪৩৮ কোটি ৪১ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) ১৮ কোটি ৫৪ লাখটাকার লেনদেন হয়েছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই অবস্থান করছে ১৬ হাজার ৫৯১ পয়েন্টে।

মোট লেনদেন হয়েছে ২১৩টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড ইউনিটের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৫৭টির, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির শেয়ার দর।