ঢাকা , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদ:
Logo ডেমরায় শিপু মেকওভার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর শুভ উদ্বোধন Logo প্রথম সেশন বাংলাদেশের Logo কাতারের উপকূলের কাছে জাহাজে অজ্ঞাত ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত Logo দেশকে ধ্বংসস্তুপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ : মির্জা ফখরুল Logo নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে সহযোগিতায় দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন: পুলিশের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর Logo হাওরাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে সরকার Logo পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান Logo আমিরাত ও জাহাজে হামলা ‘অযৌক্তিক’: ইরানকে মাখোঁ Logo যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে ভোট শুরু, চাপের মুখে স্টারমারের লেবার পার্টি

প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

প্রতিনিধির নাম :
ডিসেম্বরের শুরুতেই বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরদিনেই দু’জনে উড়ে গিয়েছিলেন বরফে ঘেরা আল্পসের দেশে… সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সেখানেই প্রণয়ে মজেছেন তারা। প্রকাশ্যে এলো তাদের মধুচন্দ্রিমার একগুচ্ছ নতুন ছবি।জেনেভার আকাশ কিন্তু বেশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। তাই আল্পসের সারিও মুখ লুকিয়ে থাকেনি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সারি সারি বরফ-পাহাড়।বড়দিনের আর বেশি দিন বাকি নেই। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে আলোয়। ঠান্ডাও তো সেখানে বারোমাস। কালো লং জ্যাকেটে জেনেভার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা, সঙ্গে বর সৃজিত।

এদিকে আবার সৃজিত ছবি তুলেছেন এই রাজহাঁসের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ার করেছেন পরিচালক। ক্যাপশনের দিকে নজর পড়লে হাসি চেপে রাখতে পারবেন না আপনি। সৃজিত লিখেছেন, ‘হাঁস ট্যাগড’। রাস্তায় সাজানো রয়েছে দাবার গুটি। পেছনে আবার ছোট ছোট তাঁবু। রাস্তাঘাট ভিজে। এক পশলা বৃষ্টি কী হয়েছে খানিক আগেই? একে অপরের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জনে মজেছিলেন ভালোবাসায়। তবে মধুচন্দ্রিমাই যে একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সে কথা জানা গিয়েছিল আগে। মিথিলা পিএইচডি করবেন জেনেভার বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কাজকর্ম গোছাতেই যাওয়া সেখানে। ঘোরাও হবে, কাজও হবে। একান্তে সময়ও কাটানো যাবে বেশ কয়েকদিন। বিদেশ যাত্রার দিন ফ্লাইট থেকে বরফে ঢাকা আল্পসের ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। দেখে মনে হবে শরতের মেঘ বুঝি! সে এক নৈসর্গিক দৃশ্য। সাধে কী আর সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এত সুনাম! বউকে নাকি এই ছবিতে হ্যারি পটারের বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জারের মতো দেখতে লাগছে, অন্তত সৃজিতের দাবি কিন্তু এমনটি। শীতে যবুথুব। তবে ঘোরার বিরাম নেই। শহুরে ব্যস্ততায় আটকা পড়ে রয়েছে দু’জনেই। একটু সময় বার করেছেন কোনওভাবে। ফিরে এসেই তো আবার নেমে পড়তে হবে রোজকারের ছকবাঁধা রুটিনে। সবাইকে চমকে দিয়েই বছরের শেষ মাসের প্রথমে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন ওরা। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। টলিউডের গুটিকয়েক মানুষকে দেখা গিয়েছিল সে অনুষ্ঠানে। ছিলেন দুই পরিবারের বাড়ির

Tag :

পোস্টটি আপনার স্যোশাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

আপডেট এর সময় : ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
৯ বার পঠিত হয়েছে

প্রকাশ্যে এলো সৃজিত-মিথিলার হানিমুনের ছবি

আপডেট এর সময় : ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯
ডিসেম্বরের শুরুতেই বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। বিয়ের পরদিনেই দু’জনে উড়ে গিয়েছিলেন বরফে ঘেরা আল্পসের দেশে… সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। সেখানেই প্রণয়ে মজেছেন তারা। প্রকাশ্যে এলো তাদের মধুচন্দ্রিমার একগুচ্ছ নতুন ছবি।জেনেভার আকাশ কিন্তু বেশ পরিষ্কার। মেঘের চিহ্ন নেই। তাই আল্পসের সারিও মুখ লুকিয়ে থাকেনি। দূর থেকে দেখা যাচ্ছে সারি সারি বরফ-পাহাড়।বড়দিনের আর বেশি দিন বাকি নেই। রাস্তাঘাট সেজে উঠেছে আলোয়। ঠান্ডাও তো সেখানে বারোমাস। কালো লং জ্যাকেটে জেনেভার রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন মিথিলা, সঙ্গে বর সৃজিত।

এদিকে আবার সৃজিত ছবি তুলেছেন এই রাজহাঁসের সঙ্গে। ইনস্টাগ্রামে সেই ছবি শেয়ার করেছেন পরিচালক। ক্যাপশনের দিকে নজর পড়লে হাসি চেপে রাখতে পারবেন না আপনি। সৃজিত লিখেছেন, ‘হাঁস ট্যাগড’। রাস্তায় সাজানো রয়েছে দাবার গুটি। পেছনে আবার ছোট ছোট তাঁবু। রাস্তাঘাট ভিজে। এক পশলা বৃষ্টি কী হয়েছে খানিক আগেই? একে অপরের দিকে চেয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন দু’জনে মজেছিলেন ভালোবাসায়। তবে মধুচন্দ্রিমাই যে একমাত্র উদ্দেশ্য নয় সে কথা জানা গিয়েছিল আগে। মিথিলা পিএইচডি করবেন জেনেভার বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাই কাজকর্ম গোছাতেই যাওয়া সেখানে। ঘোরাও হবে, কাজও হবে। একান্তে সময়ও কাটানো যাবে বেশ কয়েকদিন। বিদেশ যাত্রার দিন ফ্লাইট থেকে বরফে ঢাকা আল্পসের ছবি শেয়ার করেছিলেন সৃজিত। দেখে মনে হবে শরতের মেঘ বুঝি! সে এক নৈসর্গিক দৃশ্য। সাধে কী আর সুইজারল্যান্ডের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এত সুনাম! বউকে নাকি এই ছবিতে হ্যারি পটারের বন্ধু হারমাইনি গ্রেঞ্জারের মতো দেখতে লাগছে, অন্তত সৃজিতের দাবি কিন্তু এমনটি। শীতে যবুথুব। তবে ঘোরার বিরাম নেই। শহুরে ব্যস্ততায় আটকা পড়ে রয়েছে দু’জনেই। একটু সময় বার করেছেন কোনওভাবে। ফিরে এসেই তো আবার নেমে পড়তে হবে রোজকারের ছকবাঁধা রুটিনে। সবাইকে চমকে দিয়েই বছরের শেষ মাসের প্রথমে বিয়েটা সেরে ফেলেছিলেন ওরা। ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই। টলিউডের গুটিকয়েক মানুষকে দেখা গিয়েছিল সে অনুষ্ঠানে। ছিলেন দুই পরিবারের বাড়ির